ভারত-নেপালের বন্ধুত্ব হিমালয়ের মতো: মোদি

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২২; সময়: ১১:২৩ am |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নেপালের সঙ্গে বন্ধুত্ব হিমালয়ের মতো অনড় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার আমন্ত্রণে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন নেপাল সফরে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

বুদ্ধের জন্মভূমি লুম্বিনিতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, বিশ্বের পরিস্থিতি যখন টালমাটাল, তখন ভারত-নেপালে মজবুত বন্ধুত্ব সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য লাভদায়ক হবে। শুধু তাই নয়, নেপাল সফরে গিয়েও মোদির মুখে শোনা গেল রামমন্দিরের কথা।

সীতার জন্মস্থান জনকপুরের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, ‘জনকপুরে দাঁড়িয়ে আমি বলেছিলাম, নেপাল বাদে আমাদের রাম অসম্পূর্ণ। আমি নিশ্চিত,আজ যখন ভারতে ভগবান রামের বিশাল মন্দির তৈরি হচ্ছে,তখন নেপালবাসীও একই রকম খুশি।

সোমবার বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে লুম্বিনিতে গিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও সারেন মোদী। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ব্যাপারে আলোচনার পাশাপাশি সংস্কৃতি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ছয়টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নেপালের লুম্বিনি মিউজিয়ামের নির্মাণ এবং লুম্বিনি বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টর আম্বেদকর চেয়ারের প্রতিষ্ঠা।

এদিন লুম্বিনির মায়াদেবী মন্দিরে প্রার্থনাও করেন মোদী। মন্দিরের পাশের অশোক স্তম্ভে প্রদীপ জ্বালান। তার জন্মস্থান, গুজরাটের ভাডনগরও যে একসময় বৌদ্ধশিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র ছিল, তাও স্মরণ করেন মোদি।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। তিনি বলেন, ‘লুম্বিনির এই পবিত্র মাটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে স্বাগত জানাতে পরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই পবিত্র মাটির বিশেষ অনুষ্ঠানে মোদী উপস্থিত থাকায় আমি আপ্লুত।’

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটা মোদির পঞ্চম নেপাল সফর। তবে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারত-নেপাল মনোমালিন্যের পর এই প্রথম সেখানে পা রাখলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নেপালের পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলির সরকার ২০২০ সালে একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে উত্তরাখণ্ডের কালাপানি, লিম্পিয়াধুরা এবং লিপুলেখকে নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

নয়াদিল্লি যে এই ম্যাপ মানে না, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল ভারত। তবে মোদির সফরে সেই প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়নি বলে জানা গেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে