নতুন জাতের ধান ‘ফাতেমা’ চাষে নতুন আশা

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২২; সময়: ৪:২৩ pm |
খবর > কৃষি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবায় নতুন ধান ধান ‘ফাতেমা’র ফলনে আশার সঞ্চার সৃষ্টি করেছে কৃষকের মাঝে। এ জাতের ধান বিঘাতে ৩৬ মণ ছাড়িয়েছে। ধানচাষি সরকার দুলাল মাহবুব বলেন, প্রথমবারের মত ফাতেমা ধান কর্তন করে বিঘায় ৩৬ মণ ফলন হয়।

তিনি বলেন যেখানে বর্তমানে প্রতি বিঘাতে ব্রি-২৮ধান হচ্ছে ১৬-২০ মণ। সেখানে একই খরচে প্রতি বিঘা জমিতে ফাতেমা ধান ৩৬ মণ উৎপাদন হচ্ছে। ব্রি-২৮ধানের চেয়ে প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ মণ ধান বেশী পাওয়া যাচ্ছে। ধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে নিবিড় যত্ন সহকারে ফাতেমা করলে প্রতি বিঘাতে ৪০ মণ উৎপাদন ছাড়িয়ে যাবে।

এদিকে নতুন জাতের ধান ‘ফাতেমা’ কর্তন ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলার নওহাটার তেঘর-বসন্তপুর গ্রামের এ কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ধান চাষি আফাজ উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ ও পবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার দুলাল মাহবুব, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (সাবেক) মজিবর রহমান, আলহাজ্ব শিলপু সরকার।

প্রধান অতিথি পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি শীষে যে পরিমান ধান আছে তাতে প্রতি বিঘা জমিতে ৩০ মণের উপরে ফলন হবে। তবে কর্তনের পর রেসিও অনুযায়ী ফলন দাঁড়িয়েছে ৩৬ মণ। তিনি কৃষকের এই ধানের বিষয়ে কৃষি বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জমির মালিক সৌখিন কৃষক সরকার দুলাল মাহবুব বলেন, ফাতেমা ধান কর্তন করে দেখা গেল প্রতি বিঘা জমিতে ৩৬ মণ ধানের ফলন হয়।

তিনি বলেন, অন্য ধানের মতোই এ ধানের চাষ পদ্ধতি। আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ ধানের চাষ করা যায়। তবে বোরো মৌসূমে এর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৫ফিট যা অন্য ধানের তুলনায় বেশি। গাছগুলো শক্ত হওয়ায় হেলে পড়ে না। আর এক একটি ধানের শীষে ৫০০-১০০০টি করে ধান পাওয়া গেছে। এধানে রোগ ও পোকামাকড়ের হার তুলনামূলক কম। এছাড়া চাল খুব চিকন ও ভাতও খেতে খুব সুস্বাদু।

সাবেক উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মজিবর রহমান বলেন, সত্যিই ফাতেমা ধান ভাল হয়েছে। তিনি এই ধানে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ঝড় বৃষ্টিতে মাঠের প্রায় সব ধান গাছ নুয়ে পরেছে অথচ এইধান গাছ গুলোএখনো শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ধান কাটা অবধি খাড়া থাকলে ফলন বেশী হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • বোরোর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আউশ চাষে কৃষক
  • রাজশাহীতে বেড়েছে কোরবানির পশু
  • সার সুপারিশমালা ও কার্ড ব্যবহারে উপকারিতা কৃষক মতবিনিময়
  • দেশে বেড়েছে গরু-ছাগল
  • এক যুগে ফল উৎপাদন বেড়েছে ২২ শতাংশ : কৃষিমন্ত্রী
  • চালের বাজার মাতাবে বঙ্গবন্ধু ব্রি ধান
  • কচুয়ায় ড্রাগন ফলে নতুন স্বপ্ন বুনছেন কৃষক মিজানুর
  • কচুয়ায় ভার্মি কম্পোষ্ট তৈরি করে ভাগ্যবদল কৃষক শহীদুল্লাহর
  • কৃষিকে আধুনিকায়ন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
  • ধানের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক কোন কারন নেই : কৃষিমন্ত্রী
  • বাগাতিপাড়ায় দিনব্যাপী পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ
  • নওগাঁয় কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু
  • চারঘাটে কৃষি জমিতে ব্যবহার হচ্ছে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে জৈব সার
  • কে পাচ্ছে ফজলি আমের জিআই স্বীকৃতি
  • ফজলি আম কার?
  • উপে