রাজশাহীতে বালুমহাল থেকে আটক শ্রমিকরা জামিনে মুক্ত

রাজশাহীতে বালুমহাল থেকে আটক শ্রমিকরা জামিনে মুক্ত

প্রকাশিত: ০৮-০৮-২০১৯, সময়: ১৯:৩৬ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর বালুমহালের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটক ৮ শ্রমিক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম তাদের জামিনের আদেশ দেন।

গত ২৪ জুলাই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের ইজারা দেয়া চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর বালুমহাল বন্ধ করে দেয়। এ সময় সেখান থেকে আটজন শ্রমিককে ধরে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। এর মধ্যে ছয়জনকে এক মাস করে এবং দুইজনকে ১৫ দিনের সাজা দেয়া হয়েছিল।

আসামী পক্ষের আইনজীবী তানভির আহমেদ জুলেট বলেন, আটজনের মধ্যে দুইজনের সাজার মেয়দ শেষ হয় বৃহস্পতিবার। আর ছয়জনের জামিন আবেদনের শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচাক তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৯ আগস্ট এ মামলার পরবর্তি দিন ধার্য করেন। জামিন আবেদনের কপি কারাগারে পৌছালে সন্ধ্যায় তারা মুক্তি পান।

‘চলতি বছর দরপত্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ‘মেসার্স আমিন টেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান পদ্মা নদীর চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর মৌজার ১২০ একরের বালুুমহাল দুই কোটি দুই লাখ টাকায় ইজারা নেয়। দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী ইজারার অর্থ জেলা প্রশাসনে পরিশোধ করা হয়।

গত ১৪ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা লাল নিশান টাঙ্গিয়ে দিয়ে চিহ্নিত করে এই বালুমহালটি বুঝিয়ে দেয়া হয়। এর পর থেকে জেলা প্রশাসনের বুঝিয়ে দেয়া লাল নিশানের ভিতর চরশ্যামপুর মৌজা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। এছাড়াও বালু পরিবহনের জন্য কাজলা মৌজায় তালাইমারি সড়ক ব্যবহারের জন্য সিটি করপোরেশন থেকে টোল ইজারা নেয়া হয়।

কিন্তু গত ২৪ জুলাই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে চরশ্যামপুর ও চরখিদিরপুর বৈধ বালুমহাল বন্ধ করে দেয়। এ সময় সেখান থেকে আটজন শ্রমিককে ধরে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও ও বিভাগীয় কমিশনারকে স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচী পালন করে বালু ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।

উপরে