সিলেটে ব্যবধান বাড়িয়ে ৬২০১ ভোটে জয় বিএনপির আরিফুলের

সিলেটে ব্যবধান বাড়িয়ে ৬২০১ ভোটে জয় বিএনপির আরিফুলের

প্রকাশিত: ১১-০৮-২০১৮, সময়: ১৮:৩৭ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সিলেট সিটি করপোরেশনে স্থগিত দুই কেন্দ্রেই জিতেছেন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী। ফলে এই দুই কেন্দ্র ছাড়া প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানের চেয়ে যত ভোটে এগিয়ে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি জিতলেন তার চেয়ে বেশি ভোটে।

গত ৩০ জুলাই স্থগিত দুই কেন্দ্র ছাড়া নৌকা প্রতীকে কামরানের চেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফুল এগিয়েছিলেন চার হাজার ৬২৬ ভোটে। আর এই দুই কেন্দ্রে ভোট শেষে তিনি জিতেন ছয় হাজার ২০১ ভোটে।

চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী আরিফুল পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট। আর কামরানের পক্ষে পড়েছে ৮৬ হাজার ৩৯৭ ভোট।

এই দুই কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বরাতে। আর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান।

গত ৩০ জুলাইয়ের ভোটে গোলযোগের কারণে গাজী বোরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়।

এই দুই কেন্দ্রের মোট ভোট আরিফুলের এগিয়ে থাকা চার হাজার ৬২৬ ভোটের চেয়ে বেশি হওয়ায় তাকে বিজয়ী ঘোষণার আইনি সুযোগ ছিল না। তবে তিনিই যে ভোটে জিততে যাচ্ছেন, সেটি সেদিনই স্পষ্ট হয়ে যায়।

কারণ, এই দুই কেন্দ্রে মোট ভোট সংখ্যা ছিল চার হাজার ৭৮৭। এর প্রায় শতভাগ পেলেই কেবল জিততে পারতেন কামরান। আর সেটা সম্ভব নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৩০ জুলাইয়ের ১৩ দিন পর শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট হয় এই দুই কেন্দ্রে। ভোট পড়ে মোট পড়ে দুই হাজার ৮১৩টি। এই ভোটের একটিও না পেলেও আরিফুল সিলেটের মেয়র হতেন।

তবে দুই কেন্দ্রে ভোটের সিংহভাগই পেয়েছেন আরিফুল। আর এ কারণে ভোটের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে তিনি জিতে যান।

হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আজ ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৫০১ জন। ভোটের হার ৫৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এদের মধ্যে আরিফুলের ধানের শীষে পড়েছে এক হাজার ৫৩ ভোট। আর কামরানের নৌকায় পড়েছে নৌকা ৩৫৪ ভোট।

গাজী বোরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৩১২ জন। এখানে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ০৭ শতাংশ।

এদের মধ্যে আরিফুলের পক্ষে রায় দিয়েছেন এক হাজার ৪৯ ভোট। আর কামরানের পক্ষে ছিলেন ১৭৩ জন।

অর্থাৎ স্থহিত দুই কেন্দ্রে নৌকায় পড়েছে ৫২৭ ভোট, আর ধানের শীষে দুই হাজার ১০২ ভোট।

সকালে বৃষ্টির কারণে ভোটার উপস্থিতি ছিল বেশ কম। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে গেছে ভোটার উপস্থিতি বাড়ে দুপুরের পর। সকালে ভোটের শুরুতে কামরান জানিয়েছিলেন, ফলাফল যাই হোক, তিনি মেনে নেবেন। আর দিনভর কোনো অভিযোগ করেননি কামরান।

বিকাল চারটার পর যখন আরিফুলের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়, তখন কামরান বা আওয়ামী লীগের কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাননি। সেখানে ছিলেন কেবল আরিফুল।

আরও খবর

  • খুলনা গেলেন রাসিক মেয়র লিটন
  • বাঘায় পদ্মায় ডুবে প্রাণ হারালো স্কুল ছাত্র
  • জাতীয় ঐক্যের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন যাঁরা
  • জাতীয় ঐক্যের প্রস্তাবে সাড়া দিলেন যাঁরা
  • ‘মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের অধিকার জাতিসংঘের নেই’
  • বাগমারায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
  • মোহনপুরে দেড় হাজার বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, আটক ২
  • পুঠিয়ায় পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু
  • নাটোর-৪ আসনে আ.লীগ নেতার শোডাউন
  • গিনেজ বুকের স্বীকৃতি পেল ‘স্বচ্ছ ঢাকা অভিযান’
  • বাবা-মাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন
  • গোদাগাড়ীতে জামায়াত নেতা ওয়ার্ড কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
  • রাবির দশম সমাবর্তনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
  • রাজশাহীর পদ্মায় কিশোরীর লাশ
  • বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চিকিৎসা নেবেন কিনা জানাতে সময় নিলেন খালেদা


  • উপরে