তারাবীহর নামায সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ (পর্ব-২)

তারাবীহর নামায সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ (পর্ব-২)

প্রকাশিত: 24-05-2019, সময়: 00:37 |
খবর > ধর্ম
Share This

হোছাইন আহমাদ আযমী : তারাবীহর নামায ও মাসায়েলঃ রমযান মাসে ইশার নামাযের পর ইশার ওয়াক্তের মধ্যে যে বিশ রাকাআত সুন্নাতে মোয়াক্কাদা পড়তে হয় তাকে তারাবীহর নামায বলে। নারী পুরুষ উভয়ের জন্য তারাবীহর নামায সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ।

[পূর্বালোচনার পর থেকে]
৫. প্রত্যেক চার রাকাআতের পর মুনাজাত করা জায়েয আছে কিন্তু বিশ রাকাআত পর বিতরের পুর্বে দোয়া করাই উত্তম (বেহেশতি জেওর)। তবে কোথাও প্রতি চার রাকাআতের পর মুনাজাত হলে কঠোর ভাবে সেখানে বাধা দেয়া বা না হলে মুসল্লিদের পক্ষ থেকে ইমাম সাহেবকে হুকুম দেয়া সঙ্গত (ফতুয়ায়ে দারুল উলুম ৪র্থ খন্ড)
৬. যদি কেউ মসজিদে এসে দেখেন ইশার জামাত হয়ে গেছে এবং তারাবীহ শুরু হয়ে গেছে তখন তিনি একা একা ইশার নামাজ পড়ে নিয়ে তারপর তারাবীর নামাজে শরীক হবেন। ইতিমধ্যে যে কয় রাকাত তারাবীহ ছুটে গেছে তা তিনি জামাত শেষে পড়বেন। (আহকামে যিন্দেগী-২১৩)
৭. রমযান মাসে তারাবীহর মধ্যে ধারাবাহিক ভাবে একবার কুরআন খতম করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।
৮. তারাবীহর খতমের মধ্যে যে কোন একটি সুরার শুরুতে একবার বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম জোরে পড়া চাই, নতুবা মুসল্লিদের খতম পূর্ণ হবেনা।
৯. নাবালেগ বাচ্চার পিছনে এক্তেদা করা সঠিক নয়, চাই ফরজ নামাজ হোক কিংবা তারাবীহর নামাজ হোক।
১০. ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল লোকমা দিয়ে হাফেজ সাহেবকে পেরেশান করা নিষিদ্ধ। (ফতয়ায়ে দারুল উলুম- ৪র্থ খন্ড)

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোযা-১৬
কিছু সংখ্যক লোকের ধারণা মতে রোযায় দৈহিক কর্মক্ষমতা হ্রাস ও শারীরিক দূর্বলতা সৃষ্টি করে না। কেননা রোযা রাখার দ্বারা কেবল দুই খাবারের মধ্যবর্তী সময়কাল সাধারণ সময়ের তুলনায় একটু বেশি হয়ে থাকে। বস্তুত চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে সমষ্টিগতভাবে এ পরিমাণ তাপ বা আহার্য এবং পানীয় শরীওে অর্জিত হয়, রমযান মাসে অর্জিত হয় না। তদুপরি সুস্পষ্টত, রমযান মাসে মানুুষেরা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য এবং উত্তেজক দ্রব্য সাধারণ সাধারণ দিনের তুলনায় বেশিই ব্যবহার করে থাকে। এ অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, সমষ্টিগত আহার্য অন্য সময়ের তুলনায় রোযার মাসে দেহে অধিক পরিমাণে অর্জিত হয়।

উপরে