যেসব কারণে রোযা ভেঙ্গে যায়

যেসব কারণে রোযা ভেঙ্গে যায়

প্রকাশিত: ১৮-০৫-২০১৯, সময়: ০০:৫৯ |
Share This

হোছাইন আহমাদ আযমী : যেসব কারণে রোযা ভেঙ্গে যায় এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হয়ঃ (১ম পর্ব)
১. কানে বা নাকে ঔষধ দিলে। ২. ইচ্ছাকৃত ভাবে মুখ ভরে বমি করলে বা অল্প বমি আসার পর তা আবার গিলে ফেললে। ৩. পেটের অথবা মাথার জখমে ঔষধ লাগালে যদি পেটে অথবা মস্তিস্কে পৌছে যায়। ৪. কুলির পানি অসতর্কতা বশতঃ পেটে চলে গেলে। ৫. স্ত্রী বা কোন নারীকে শুধু স্পর্শ প্রভৃতি করার কারনেই বীর্যপাত হয়ে গেলে।

৬. এমন কোন জিনিষ খেলে যা সাধারনত খাওয়া হয়না। যেমন কাঠ, লোহা, কাগজ, মাটি, পাথর, কয়লা ইত্যাদি। ৭. বিড়ি সিগারেট বা হুক্কা সেবন করলে। ৮. রাত আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর সাহরী খেলে। ৯. ভুলে পানাহার করার পর রোযা ভেঙে গেছে মনে করে আবার ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন কিছু পানাহার করা। ১০. ইফতারীর সময় হয়নি দিন রয়ে গেছে অথচ সময় হয়ে গেছে মনে করে ইফতার করা।

১১. দুপুরের পর রোযার নিয়ত করলে। ১২. দাঁত দিয়ে রক্ত বের হলে তা যদি থুথুর চেয়ে পরিমানে বেশি হয় এবং তা কন্ঠনালীর নিচে চলে যায়। ১৩. কেউ বাধ্যতামূলক রোযা ভেঙে দিলে চাই কিছু খাওয়ানোর দ্বারা হোক, ধর্ষন করার দ্বারা হোক। ১৪. দাঁতে লেগে থাকা খাবার মুখ থেকে বের করে তা আবার গিলে ফেললে।

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোযা-১১
[রক্তের উপর রোযার প্রভাব] দিনের বেলা রোযা রাখার দ্বারা রক্তের উপর চাপের পরিমাণ হ্রাস পায়। এর প্রভাবে যকৃত পায় অনাবিল শান্তি। সবচেয়ে বড় কথা হল (Intercellular) এর মধ্যে প্রবাহমান পদার্থের পরিমান হ্রাস পাওয়ার কারণে আঠালো পদার্থেও উপর চাপ কম পড়ে। আঠাযুক্ত পদার্থেও উপর চাপ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং রোযার দ্বারা (Diastolic) প্রেসারের স্তর সর্বদা কম থাকে অর্থাৎ যকৃত তখন বিশ্রামে থাকে। তদুপরি আজকের যুগের মানুষ মর্ডান জিন্দেগীর বিশেষ অবস্থার পরিপেক্ষিতে সর্বদা টেনশনে ভুগতে থাকে। রমজানের একমাস রোযা বিশেষ (Diastolic) প্রেসারকে হ্রাস কওে মানুষকে এক অনাকাঙ্খিত উপকার সাধন করে। রোযার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রক্ত প্রবাহের উপর হয় আর্থৎ এর দ্বারা রক্তের ধমনীসমূহের উপর প্রভাব পড়ে।

উপরে