বাগমারায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে সরকারী রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ

বাগমারায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে সরকারী রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৮-১০-২০১৯, সময়: ১৮:৩৯ |
Share This

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাগমারা : রাজশাীর বাগমারার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের প্রভাবশালী ময়েজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে সরকারী রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। তিনি অত্যান্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। যার কারনে তিনি বেপরোয়া ভাবে সরকারী রাস্তার গাছ গুলো কেটে সাবাড় করে দেন।

এলাকার লোকজনের অভিযোগ হাটগাঙ্গোপাড়া এলাকার আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে হাত মিলিয়ে সরকারী রাস্তার গাছ গুলো কাটছেন। প্রভাবশালী ময়েজ উদ্দীনের বাড়ি দামনাশ গ্রামে হওয়ায় তিনি ওই এলাকার সরকারী রাস্তার গাছ গুলো কেটে সাবাড় করছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে পুলিশ দিয়ে বিভিন্ন ভাবে ভয়বীতি ও মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করছে। যার কারনে এলাকার লোকজন এমন কি ইউপি চেয়ারম্যানও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন না।

প্রভাবশালী ময়েজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারী রাস্তার একাধিক গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে। তিনি মসজিদের উন্নয়ন করবেন বলে সরকারী রাস্তার গাছ গুলো বিক্রি করেন। অথচ তিনি কোন মসজিদের উন্নয়ন করেন নাই। কিছু দিন পূর্বে তিনি হাটদামনাশ বাজারের মসজিদের উন্নয়নের কথা বলে বাজারের শতবর্ষী তেতুল গাছ যার মূল্য হত দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা, সেটা তিনি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

সে টাকা গুলো এলাকার কিছু দালাল, পুলিশ ও তিনি নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করেন। গাছ বিক্রির টাকা দিয়ে মসজিদের কোন উন্নয়ন করা হয় বলে এলাকার একাধিক লোকজন অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও মসজিদের ইটের খোয়া দিয়ে তিনি নিজের বাড়িতে পাকা করনের কাজ করেছেন বলে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন।

নাম জানাতে অনিচ্ছুক এলাকার লোকজন জানান, গাছ কাটার বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে কোন কথা বলেন নি। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, প্রভাবশালী ময়েজ উদ্দীন উপজেলা আ’লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমেই সরকারী রাস্তার গাছ গুলো কাটা গুরু করেছেন। অবিলম্বে সরকারী রাস্তার গাছ কাটা বন্ধের জন্য এলাকার লোকজন সরকারের উবর্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে গোবিন্দাপাড়া ইউনিয়ন পষিদের চেয়ারম্যান বিজন কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি শোনার সাথে াসথে আমি গ্রাম পুলশ পাঠিয়েছি। গ্রাম পুলিশ পৌঁছার পূর্বেই ময়েজ উদ্দীন ফলন্ত আম গাছের ডালপালা কেটে সাফ করে দিয়েছে। জানতে চাইলে অভিযুক্ত ময়েজ উদ্দীন বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান ও হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের অনুমতিক্রমেই রাস্তার ফলান্ত আম গাছটি কেটেছি। আপনারদের আরো কিছু জানার থাকলে আপনারা ওদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রকৃত ঘটনা জারান পর আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

Leave a comment

উপরে