বাঘায় সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক!

বাঘায় সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক!

প্রকাশিত: ১২-০৭-২০১৯, সময়: ১০:৩৬ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : গত বর্ষায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানরা এক বছর সময় চেয়ে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প। গত অর্থ বছরে খরচ হয়েছে ১কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে সামান্য বৃষ্টি পৌর শহরের চিহ্নিত এলাকাগুলোতে দেখা গেছে জলাবদ্ধতা।

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় সীমাহীন দুর্ভোগ দেখা দেয় পৌর এলাকায়। পৌর শহরের প্রধান সড়ক থেকে অলিগলির প্রায় জায়গায় পানি জমে যায়। আষাঢ়ের বৃষ্টি অনেকটাই অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে পৌরবাসীর কাছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। প্রায় পৌণে ১ ঘন্টার বৃষ্টিতে রাস্তাসহ উপজেলা পরিষদ চত্বর,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি জমে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে শাহদৌলা সরকারি কলেজ মার্কেটের সামনে ছিল থৈ থৈ পানি। বৃষ্টির পানি আর কাদার কারণে রাস্তায় গাড়ির চাকা ঘোরানোই ছিল চ্যালেঞ্জ।

স্থানীয়রা বলছেন ড্রেন নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, সেই পরিমাণ সুফল মেলেনি। অপরিকল্পিত ড্রেন নির্শাণের কারণে বৃষ্টির পানি ড্রেনে নামতে পারছেনা। আগের যে ড্রেনগুলো আছে সেগুলো পরিষ্কার করার ব্যাপারে তারা মনোযোগী নয়। ফলে নতুন করে ব্যাপক অর্থ খরচ করা হলেও পুরো নেটওয়ার্কিং না হওয়ায় সুফল মিলছে না। ইতোপূর্বে ড্রেন পরিষ্কারের পেছনে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলে জানা যায়। এর পরও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। কারণ পরিকল্পনা আর ডিজাইনে ত্রুটি রয়েছে।

পৌর শহরের বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম জানান,গত বছরের বর্ষা মৌসুমে বাঘা পৌরবাসী জলাবদ্ধতার কাছে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় জিম্মি হয়ে পড়েছিল। বৃষ্টির ফলে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় দোকান, বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে। সড়কের মাঝে সৃষ্টি হওয়া বড় গর্তে বাঁশ গেড়ে সতর্ক চিহ্ন দিতে হয়েছে। এবার ড্রেন নির্মান করার পরেও আগের অবস্থায় রয়ে গেছে।

ব্যবসায়ী মোত্তালেব হোসেন জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমে থাকা নোংরা পানি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে দোকানের আসবাবপত্রসহ মালামাল নষ্ট হচ্ছে। এগুলো পরিষ্কার করার জন্য আলাদা শ্রম ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, তদারকি থেকে ত্রুটি ধরা পড়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই মতে কাজ হয়নি। পৌর মেয়র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কাজগুলো আমি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগের প্রকল্প।

Leave a comment

আরও খবর

  • রাসিক মেয়র লিটনের সাথে ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলীর বৈঠক
  • ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নিয়ে ধর্ষণ
  • ছেলেধরা সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন ২ নারীকে নির্যাতন
  • সুমনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন
  • ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে নারীকে হত্যায় তিনজন রিমান্ডে
  • সিংড়ায় ছেলেধরা সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ
  • প্রিয়া সাহার বিষয়ে রয়েসয়ে এগোবে সরকার : কাদের
  • মিন্নির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নয়ন বন্ডের মোটা অংকের টাকা
  • জিনের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ ও বলাৎকার করায় ইমাম আটক
  • মসজিদের বারান্দায় পড়াশোনা করছেন মুশফিক
  • আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
  • স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
  • ডেঙ্গুজ্বরে সিভিল সার্জনের মৃত্যু
  • ভারতে বজ্রপাতে ৩২ জন নিহত
  • ১১ ঘণ্টা পরও তুরাগে পড়া ট্যাক্সিক্যাবটির হদিস মেলেনি



  • উপরে