রাজশাহীতে লাশ নিয়ে তিন থানার টানাটানি

রাজশাহীতে লাশ নিয়ে তিন থানার টানাটানি

প্রকাশিত: ১৯-০৫-২০১৯, সময়: ২১:৪২ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পদ্মায় সাজিদ হোসেন (১৬) নামের শিক্ষার্থীর ডুবে মারা যাওয়ার পরে লাশ নিয়ে তিন থানার টানাটানি শুরুর আভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিক্ষার্থী সাজিদের মৃত্যু নিয়ে পুলিশের অনাপত্তিপত্র চাওয়ার পরেই এ টানাহেঁচড়া শুরু হয় বলে আভিযোগ পরিবারের।

নিহত শিক্ষার্থী সাজিদের মামাতো ভাই ফিরোজ আহমেদ জানান, সাজিদ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারকে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ পুলিশের অনাপত্তিপত্র নিতে বলায় প্রথেমে তারা নগরীর বোয়ালিয়া থানায় যান। কিন্তু বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কাটাখালি থানায় পাঠায়। কাটাখালি থানা পুলিশ জানায়, তাদের সীমানায় নয় ঘটনা। কাজেই তাদের মতিহার থানায় যেতে বলা হয়। এরপর মতিহার থানায় যান সাজিদের স্বজনরা।

কিন্তু মতিহার থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটি বোয়ালিয়া থানা এলাকায় ঘটেছে। কাজেই ক্লিয়ারেন্স দিলে বোয়ালিয়া থানা পুলিশই দিবে। পুলিশের এমন টানাহেঁচড়ায় চরম বেকায়দায় পড়েন সাজিদের পরিবার। তবে শেষ পর্যন্ত মতিহার থানা থেকে সাজিদের মৃত্যু নিয়ে অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নগরীর পাঠানপাড়া এলাকায় পদ্মায় গোসল করতে নেমে সাজিদ পানিতে ডুবে মারা যান। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, বিষটা আমি শুনেছি। প্রথমে সিমানা নিয়ে একটু সমস্যা হয়। স্থল থেকে বোয়ালিয়া কিন্তু নদী থেকে মতিহার থানার সিমানা নিয়ে সমস্যায় পড়ে তবে সমস্যার সমাধান করে এখন মোতিহার থানা থেকে সাজিদের মৃত্যু নিয়ে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি চলছিল বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

উপরে