যেভাবে রাজশাহীকে পাশ কাটিয়েছে ‘ফণী’

যেভাবে রাজশাহীকে পাশ কাটিয়েছে ‘ফণী’

প্রকাশিত: 04-05-2019, সময়: 12:41 |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শনিবার সকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তবে বাংলাদেশে আঘাত হানার আগে এটি দুর্বল হয়ে যায়। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ‘ফণী’র গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় আকারে শনিবার সকাল ৬টার দিকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনা অঞ্চল এবং এদের পাশ্ববর্তী এলাকায় (২৩.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছিল। তবে এখানেই থেমে থাকেনি ফণী। দুপুরের দিকে রাজবাড়ি, মানিগঞ্জ ও ঢাকা অঞ্চলের উপর দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।

এর আগে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ভারতের ওড়িশা রাজ্যে আঘাত হানে। শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে ওই রাজ্যের পুরী ও গোপালপুরে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়টি। সে সময় ‘ফণীর গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ২২০ কিলোমিটার। পরে তা আঘাত হানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের। এরপর সেটি আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় আকারে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা আনন্দবাজারকে জানিয়েছে, কলকাতাকে পাশ কাটিয়ে কাটোয়া হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে কাটিয়া হয়ে বাংলাদেশে যখন পৌঁছে তখন ফণীর শক্তি অনেকটাই কমে যায়।

ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর বৃহস্পতিবার জানিয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মুরশিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। সে হিসেবে বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করে রংপুর হয়ে বের হয়ে যেত। কিন্তু কাটেয়া রাজ্যে দিক পরিবর্তন করে ‘ফণী’র মুল কেন্দ্র মেহেরপুর হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

উপরে