বাগমারায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

বাগমারায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৪-০৯-২০১৮, সময়: ২০:৪৩ |
Share This

আওয়ামী লীগ নেতা মানিক হোসেনের বাড়িতে পুলিশ ফাঁড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাগমারায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। নিজ বাড়িতে পুলিশ ফাঁড়ি থাকার প্রভাব খাটিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে; এমন দাবি করে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সোমবার এ সব দপ্তরে তিনটি অভিযোগ দেয় এলাকায় কয়েকজন ভুক্তভোগি।

ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম মানিক হোসেন প্রামানিক। তিনি উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়াও মানিক হোসেন ঝিকড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য। তবে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে মানিক হোসেন বলেন, সামাজিক বিরোধের জের ধরে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এলাকাবাসীর পক্ষে থেকে ১০ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই মানিকের বাড়িতে পুলিশ ফাঁড়ি করা হয়। এর পর থেকে পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে মামলায় আসামী করা ও আসামী করার ভয়ভিতি দেখিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা আদায় করছে।

অভিযোগপত্রের এক নম্বর স্বাক্ষরকারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত ২৩ অক্টোবর বাগমারা থানা পুলিশ একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করে। যেখানে ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে শতাধিক আসামী করা হয়। সে মামলায় মানিক হোসেন স্বাক্ষি রয়েছেন। এ মামলার আসামী ও ওই মামলায় ঢুকিয়ে দেয়ার নাম করে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে পুলিশের নামে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এছাড়াও মানিকের বিরুদ্ধে পুকুর ও জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব করে মানিক হোসেন ফ্লাট বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে জানান আব্দুর রাজ্জাক।

আবুল কালাম নামের একজন তার অভিযোগে উল্লেখ্য করেছেন, অন্য সমাজের সঙ্গে কোরবানী দেয়ার কারণে তার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়েছে। তবে তার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কালামের কাছ থেকে সামাজিক বিচারের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা নেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন মানিক হোসেন।

রফিকুল ইসলাম নামের আরেকজন তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ তুলে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। এর আগে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর ও হুমকি দিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করিয়ে ওডিও রেকর্ড করে নেয়। পরে তাকে সালিশ বৈঠকে নেয়া হয়। তবে গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে ধর্ষনের কথা স্বীকার করায় তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানান মানিক হোসেন।

বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহম্মেদ বলেন, মানিক হোসেনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি করা হয়েছে। সেটি দ্রুত স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে পুলিশের নামে মানিক কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে এমন অভিযোগ শুনেননি বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও খবর

  • ‘শিক্ষার উন্নয়নে সব সময় কাজ করে যাব’
  • নাটোর-৩ আসনে বিএনপি ছাড়লেন অর্ধশত নেতাকর্মী
  • প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে কামালকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
  • ক্ষমা চাইলেন ড. কামাল
  • পুঠিয়ায় ট্রাকের নিচে পৃষ্ট হয়ে দুই নারীর মৃত্যু
  • রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি
  • গোদাগাড়ীতে বিএনপি নেতাকে আটকের পর ছেড়ে দিলো পুলিশ
  • ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে জিডি
  • পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ছয় সদস্য নিহত
  • অচেনা ট্রেনে অচিন দেশে আমজাদ হোসেন
  • ‘সাম্প্রদায়িক শক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি’
  • জাতীয় পার্টির ইশতেহার ঘোষণা
  • সিরিজ জয় টাইগারদের
  • উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিন : বেন্টু
  • ইশতেহারে আগ্রহ নেই ধর্মভিত্তিক দলগুলোর


  • উপরে