বিবাদেই ছিটকে গেলেন আসাদ

বিবাদেই ছিটকে গেলেন আসাদ

প্রকাশিত: ০৮-১২-২০১৯, সময়: ১৯:০৯ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাঁচ বছর আগে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়ে দলকে সংগঠিত করেছেন সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। এবার ছিলেন সভাপতি প্রার্থী। কিন্তু জেলার সদ্য বিদায়ী সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে পদ হারাতে হলো তাকে। এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

আসাদুজ্জামান আসাদ ছাত্র রাজনীতি থেকেই ছিলেন বিভিন্ন পদে। এই প্রথম তিনি ছিটকে গেলেন। ছাত্র রাজনীতি শুরু করেছিলেন নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। এরপর সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সর্বশেষ কমিটিতে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বছর খানের মধ্যেই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে। এই দুই নেতার বিরোধ এতোটাই প্রকট হয় যে, কেন্দ্রকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। তারপরেও বিরোধ মেটেনি। অবশেষে ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে আসাদকে কমিটি থেকেই বাদ দেওয়া হলো।

অবশ্য পদ হারিয়ে নগরীর লক্ষ্মীপুরে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, দলীয় প্রধান সব বুঝে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিয়েছেন। সমর্থকদের মেনে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

এছাড়াও আসাদুজ্জামান আসাদ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। আর পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয় এক বছর পর। ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ৭১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেন।

উপরে