ডেঙ্গু মোকাবেলার কর্মসূচি সিরিয়াসলি নিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ

ডেঙ্গু মোকাবেলার কর্মসূচি সিরিয়াসলি নিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ

প্রকাশিত: ০৬-০৮-২০১৯, সময়: ১৫:৪৪ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : রাজধানী ঢাকাতে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুখে যতই বলি না কেনো, বাস্তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের বিশেষ জরুরি সভায় তিনি এসব বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা সিটিতে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর সংখ্যা আমরা যতই মুখে নিয়ন্ত্রণের কথা বলি না কেনো, তা এখনো নিয়ন্ত্রণে আসে নি। ডেঙ্গু মোকাবেলায় যে কর্মসূচি, তা আমারা সিরিয়াসলি ও সিনসিয়ারলি নিয়েছি। দেশের স্বার্থে, দলের স্বার্থে আমাদের নেত্রীর নির্দেশনায় আমরা এ কাজটি করবো।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আমরা কয়েকটি জায়গায় এই প্রোগ্রামটি পালন করলাম আর বেশির ভাগ ওয়ার্ডে এ কর্মসূচিটি পালন হলো না, এই দায়সারা গোছের কর্মসূচি চাই না। এতে এডিস মশা ধ্বংস হবে না, উৎসমুখ বন্ধ হবে না। ডেঙ্গু রোগের বিস্তারও রোধ করতে পারবো না। ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমাদের সর্তক ও সচেতন থাকতে হবে। মশার প্রজনন ধ্বংস করার পূর্ব শর্ত হচ্ছে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নতা।

তিনি আরও বলেন, ক্যামেরার সামনে ফটোসেশন করার জন্য পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়। আমরা দেখতে চাই, ঢাকার কয়টা ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। আমাদের নেত্রীও জানতে চায়, এই কর্মসূচির বিষয়ে। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি একদিন করলে হবে না। প্রতিদিনই করতে হবে। যেসব ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেননি, তারা দ্রুত শুরু করবেন। আর যারা করেছেন, তারা এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখবেন।

ওবায়দুল কাদের ওই সভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের উদ্দেশ্য বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ওয়ার্ড সভাপতি- সাধারণগণ কাউন্সিলদের সহযোগিতা করবেন। এডিস মশা ভয়ংকর, এডিস মশা কামড় দিতে চেহার দিকে তাকাবে না। সুযোগ পেলে সবাইকে কামড়াবে, রক্ত খাবে। সবাইকে সচেতন হতে হবে, সাবধান থাকতে হবে। শেখ হাসিনার নির্দেশ, ডেঙ্গু মুক্ত বাংলাদেশ। এটা শুধু মুখে নয়, অক্ষরে নয়, কাজে অ্যাকশনে পালন আমাদের করতে হবে।

‘মিডিয়া না থাকলে সরকার ডেঙ্গুকে গুজব বলে চালিয়ে দিতে’ বিএনপি’র এমন মন্তব্য প্রসঙ্গত আওয়ামী লীগের সাধারণ বলেন, মিডিয়া না থাকলে বিএনপি’র মত বড় দল খুজে পাওয়া যেত না। তারা আন্দোলন নির্বাচন সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ, তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নেই, তারা বন্যার্তদের পাশেও দাড়ায়নি। তারা শুধু মুখে, মুখে। তাদের আবাসিক প্রতিনিধি বসে বসে প্রেস ব্রিফিং করে। মিডিয়া না থাকলে তাদের অস্তিত্ব পাওয়া যেত না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, এনামুল হক শামীম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আফজাল হোসেনসহ অনেকে।

উপরে