ছাত্রলীগের বৈশাখী কনসার্টের অনুমতি বাতিল

ছাত্রলীগের বৈশাখী কনসার্টের অনুমতি বাতিল

প্রকাশিত: ১৪-০৪-২০১৯, সময়: ০০:১৭ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সংগঠনের এক পক্ষের হামলা-অগ্নিসংযোগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আয়োজনে বৈশাখী কনসার্টের অনুমতি বাতিল করেছে প্রশাসন। শনিবার রাত ৯টার দিকে উপাচার্যের দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশত পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিতব্য কনসার্ট-এর অনুমতি বাতিল করা হয়েছে।

অনুমতি বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো মূল প্রোগ্রাম নয়। এটি ছাত্রদের প্রোগ্রাম। আর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যে কোনো সময় কনসার্টের অনুমতি বাতিল করার এখতিয়ার রয়েছে।

কোমল পানীয়ের ব্র্যান্ড মোজোর সহযোগিতায় চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈশাখ বরণে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে এই কনসার্টের আয়োজন করে। এতে জেমস, মিলা, ওয়ারফেজ, আর্টসেল ও ফিড ব্যাকসহ বেশ কয়েকটি ব্যান্ডের সঙ্গীত পরিবেশনের কথা ছিল। এই কনসার্টের মঞ্চ তৈরিসহ সামগ্রিক প্রস্তুতি গুছিয়ে আনার মধ্যে শনিবার ভোররাতে এক দল গিয়ে মঞ্চ ভাংচুর এবং বিভিন্ন উপকরণে আগুন ধরিয়ে দেয়।

মল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, কনসার্টের মুল মঞ্চ এলোমেলো, পাশে মেলার স্টলগুলো ভাংচুর ও কিছু স্টলের তাঁবু উল্টে আছে, বেশ কয়েকটি ফ্রিজ ভেঙে পড়ে আছে। এছাড়া ব্যানার-ফেস্টুন ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, এর কিছু আগুনে পোড়া। মোজোর মার্কেটিং বিভাগের অপারেশন হেড (ব্র্যান্ড) আজম বিন তারেক জানান, রাত ১টার পর এই হামলা হয়।

২০-২৫ জনের একটি দল এসে গণ্ডগোল বাঁধাতে গেলে আমি তাদের ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করি। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যে আরও ১০০-১৫০ জন এসে আমাকেসহ আমার ওয়ার্কারদের বের করে দেয়। ১০-১২ মিনিটের মধ্যে পুরো জায়গায় ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে চলে যায়। হামলায় তাদের ২০-২৫ লাখ টাকার মালামালের ক্ষতি হয় বলে জানান মোজোর এই কর্মকর্তা।

হামলার পরে রাতেই হাজার খানেক নেতা-কর্মী নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসাইন। তারা আবারও কনসার্ট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে বলেন মোজো কর্তৃপক্ষকে।

এই হামলার জন্য ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারীদের দায়ী করেন রাব্বানী। তিনি বলেন, তিনি (শোভন) ডাকসু নির্বাচনে পরাজয়ের কারণে ডাকসু ও ছাত্রলীগের আয়োজনে এত বড় প্রোগ্রামকে বানচাল করার জন্য তার (শোভন) অনুসারীদের দ্বারা এসব কাজ ঘটিয়েছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলে শোভনের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়।

রাব্বানীর অভিযোগের বিষয়ে শোভনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা বলেন, সংগঠনের এত বড় আয়োজন নিয়ে সভাপতি শোভনকে কিছু জানানো হয়নি। আয়োজনকে ঘিরে কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্য করেছেন ছাত্রলীগের অন্য তিন শীর্ষ নেতা। এই কারণে শোভনের অনুসারীরা এই অগ্নিকাণ্ড ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটায় বলেন তাদের একজন।

নিরাপত্তাজনিত কারণে অনুষ্ঠানের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে কি না প্রশ্ন করলে প্রক্টর গোলাম রাব্বানী বলেন, একদম না। ছাত্রদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক দিক বিবেচনা করেই এই অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। সূত্র- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

আরও খবর

  • একসাথে হাঁটবে না বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট
  • ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নিয়ে ধর্ষণ
  • ছেলেধরা সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন ২ নারীকে নির্যাতন
  • সুমনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন
  • গুজবে গণপিটুনি ঠেকাতে পুলিশকে কঠোর নির্দেশ
  • সিংড়ায় ছেলেধরা সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ
  • মিন্নির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নয়ন বন্ডের মোটা অংকের টাকা
  • রাজশাহীতে ছেলেধরা সন্দেহে ৫ এনজিও কর্মীকে গণধোলাই
  • জিনের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ ও বলাৎকার করায় ইমাম আটক
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত
  • আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
  • স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
  • ডেঙ্গুজ্বরে সিভিল সার্জনের মৃত্যু
  • ভারতে বজ্রপাতে ৩২ জন নিহত
  • ১১ ঘণ্টা পরও তুরাগে পড়া ট্যাক্সিক্যাবটির হদিস মেলেনি



  • উপরে