সংরক্ষিত আসন, ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দিতে হবে তথ্য

সংরক্ষিত আসন, ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দিতে হবে তথ্য

প্রকাশিত: ০৫-০১-২০১৯, সময়: ১২:১২ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তাদের তথ্য দিতে হবে। নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দলগুলোর তথ্য দেওয়ার বিধান এবং ঐ গেজেটের পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। এসব আসনের নির্বাচনে আইন বলছে- নবনির্বাচিতদের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে দল বা জোটগুলো বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের জোটের অবস্থান নির্বাচন কমিশনকে জানাবে। সে মোতাবেক ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তাদের এ সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। নির্বাচন কমিশন সেই তথ্যের ভিত্তিতে দল বা জোটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে সংরক্ষিত আসন বন্টন করবে ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে। অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশন এ তালিকা প্রস্তুত করবে। তালিকা প্রস্তুতের পরের কার্যদিবসে অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য কোনো স্থানে টাঙিয়ে দেবে। একইসঙ্গে সংসদ সচিবালয়কে সেই তালিকার প্রত্যায়িত কপি টাঙানোর জন্য বলবে ইসি। নির্বাচনের আগে সেই তালিকার আর কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোনো করণিক ভুল হলে নির্বাচন কমিশন তা সংশোধন করতে পারবে।

আইন অনুযায়ী, কোনো জোট বা দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কে কত আসন পাবে তার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন হবে আনুপাতিক। এক্ষেত্রে মোট সংরক্ষিত আসনকে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে, সেই ভাগফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার গুণফলই হবে ওই দল বা জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। তবে জাতীয় পার্টি (২২ আসন) বিরোধী দলে থাকার ঘোষণা দেওয়ায় সংসদে মহাজোটের প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ২৬৬টি। এক্ষেত্রে মহাজোট (আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫৭ আসনে জয়লাভ করায়, দলটি পাবে ৪২টি আসন) পাবে ৪৪টি সংরক্ষিত আসন। জাতীয় পার্টি পাবে ৩টি আসন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বাতিল করে পুনঃভোটের দাবি করায় জোটটির ৭ প্রার্থী ৩ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করেননি। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকায় (তিনি মৃত্যুবরণ করেন) শপথ গ্রহণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। সে হিসেবে ৮ জানুয়ারির মধ্যে ২৯০ জনের তালিকা সংসদ সচিবালয় নির্বাচন কমিশনকে পাঠাবে।

আইন অনুযায়ী, ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে ১ এপ্রিলের মধ্যে এ নির্বাচন করতে হবে।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন আইন-২০০৪ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন জোটের তালিকা প্রকাশ্যে টাঙানোর পর এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ করবে। একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও ভোটের দিন ঘোষণা করবে। এছাড়া ভোটগ্রহণের স্থান নির্ধারণ করবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭টি প্রার্থী অধিবেশন শুরু নব্বই দিন পর্যন্ত শপথ নেওয়া সুযোগ পাবেন। তারপরও শপথ না নিলে সে আসনগুলোতে পুনরায় নির্বাচন হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের জন্য ২টি আসন থাকবে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কোনো জোটে যোগ না দিলে তাদের জন্য থাকবে একটি আসন।

আরও খবর

  • ১০০ পদে জনবল নিয়োগ দেবে রাবি কর্তৃপক্ষ
  • মাকে গুলি করে মারলো ৭ বছরের শিশু
  • শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল
  • নাচোলে আব্দুল কাদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত
  • শিবগঞ্জে নৌকার প্রার্থীর জয়
  • চট্টগ্রামে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত
  • ইসরায়েলকে ‘ডাকাতের রাষ্ট্র’ বললেন মাহাথির
  • রাকসু নির্বাচনে নয় দফা ছাত্রলীগের
  • রাজশাহীতে ঘুষ নেয়ায় ব্যাংক কর্মচারিকে পুলিশে
  • রাজশাহীর চারজনসহ পুরস্কার পাচ্ছেন র‌্যাবের ৫৯ সদস্য
  • ভোলাহাটে বিজয়ী চেয়ারম্যানের ভোট ১৯ হাজার
  • সংবর্ধনায় নারীর সঙ্গে অশালিন আচরণ চেয়ারম্যানের
  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল
  • শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে শিক্ষক আন্দোলন স্থগিত
  • সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী



  • উপরে