দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার

প্রকাশিত: ১৩-১১-২০১৮, সময়: ০০:৩০ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ‘এখানেই থেমো না বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে মূল উপজীব্য করেই এবার নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে গত এক দশকে যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’, তা সমাপ্ত করতে আরেকবার ‘নৌকা’ প্রতীকে ভোট চাইবে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, তাদের নির্বাচনী ইশতেহার চূড়ান্ত। মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম এইচ. টি. ইমাম বলেছেন, ‘গত এক দশকে’ আমাদের অর্জনগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি সামনের দিনগুলোতে আমরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থির করেছি আমাদের ইশতেহারে।’ আওয়ামী লীগের খসড়া ইশতেহারে ১২ টি মূল বৈশিষ্ট্য থাকছে। এগুলো হলো-

১. ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশকে আধুনিক, উন্নত এবং মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সময় নির্দিষ্ট (টাইম বাউন্ড) কর্মসূচি থাকবে ইশতেহারে।

২. বিগত এক দশকে অর্জনগুলো তুলে ধরা হবে। যেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ইত্যাদি।

৩. ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে – তাঁর একটি রূপকল্প থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

৪. আমার গ্রাম, আমার শহর, প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুযোগ সুবিধায় সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

৫. ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা থাকবে ইশতেহারে।

৬. দারিদ্রের হার শূন্যে নামিয়ে আনা এবং বৈষম্য হ্রাসের সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে, নির্বাচনী ইশতেহারে।

৭. নির্বাচনী ইশতেহারে থাকবে তরুণদের জন্য একগুচ্ছ উপহার। এর মধ্যে চাকরির বয়সসীমা ৩২ বছর করার প্রস্তাব থাকবে।

৮. মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার থাকবে।

৯. দুর্নীতিকে না। দুর্নীতির ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কথা থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

১০. সকল ধর্মের সমানাধিকার এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার অঙ্গীকার করা হবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

১১. নারীর ক্ষমতায়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে। নারীর জন্য আরও উন্মুক্ত হবে কর্মক্ষেত্র।

১২. জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের রজত জয়ন্তী উৎসবমুখর করার রূপরেখা থাকবে ইশতেহারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে যে অঙ্গীকার করেছিল তার সবগুলোই পূরণ করেছে। তাই জনগণ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে আস্থা রাখবেন বলেই তাদের বিশ্বাস।

আরও খবর

  • অকার্যকর বিএনপির স্থায়ী কমিটি
  • আত্মহত্যাচেষ্টার আগে শোভন-রাব্বানীর উদ্দেশে ফেসবুকে যা লিখলেন দিয়া
  • বহিষ্কৃত হওয়ায় ছাত্রলীগ নেত্রী দিয়ার আত্মহত্যার চেষ্টা
  • ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার
  • কাজের গতি বাড়াতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন : কাদের
  • কেন্দ্রীয় কমিটিতে বরাবরই ‘পদ বঞ্চিত’ রাবি ছাত্রলীগ
  • রূপপুর আণবিক প্রকল্পে মহাদুর্নীতির খবরেও দুদকের তৎপরতা নেই : রিজভী
  • মধ্যরাতে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের আন্দোলন স্থগিত
  • বগুড়া-৬ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন নিকেতা
  • ছাত্রলীগে সমস্যার জন্য যাদের দুষছেন রাব্বানী
  • ‘এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তির’
  • আড়াই মাস পর সচিবালয়ে ওবায়দুল কাদের
  • ফখরুলের আসনে মান্নাকে উপ-নির্বাচন করার প্রস্তাব
  • রাজশাহীতে ইউপি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে শিবির কর্মী
  • জেল-জুলুম যাই হোক খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব: গয়েশ্বর



  • উপরে