কোটি টাকায় ঐক্যফ্রন্ট কিনলো তারেক

কোটি টাকায় ঐক্যফ্রন্ট কিনলো তারেক

প্রকাশিত: ১৪-১০-২০১৮, সময়: ২১:৪১ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং মাহি বি. চৌধুরীর উপর আরেক দফা প্রতিশোধ নিলেন তারেক জিয়া। ঐক্য নিয়ে যখন টানাপোড়েন, তখন তারেক জিয়া বিএনপি মহাসচিবকে বলেছিলেন, ‘ওদের (বি. চৌধুরী এবং মাহি) বোঝান ওরা যদি ঐক্যের ব্যাপারে এতো শর্ত দেয় তাহলে ওদের জোট থেকে বের করতে এক সেকেন্ড লাগবে না।’ ঠিক এভাবে না হলেও ইনিয়ে বিনিয়ে বিএনপি মহাসচিব বার্তাটা দিয়েছিলেন মাহি বি. চৌধুরীকে। এ কথা শুনে ঠাট্টাচ্ছলে মাহিও বলেছেন, ‘ফখরুল চাচা আর কত, তারেককে ছাড়ুন। এই বোঝা আর কত বইবেন।‘ মাহি এবং তারেক জিয়ার এই দ্বৈরথে আপাততঃ তারেক জিয়া জয়ী হলেন। বিকল্প ধারাকে বাদ দিয়েই গড়ে উঠলো জোট।

বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা গেছে, কোটি টাকা খরচ করে জোট থেকে বিকল্প ধারাকে হটিয়েছেন তারেক জিয়া একাই। সূত্রমতে ৬ মাস আগে যখন অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়, তখন শরীকরা শপথ নিয়েছিলেন। শপথের মূল কথা ছিল, কোনো প্রলোভনে পা দেবেন না। বড় দলের কাছে নিজেদের বিকিয়ে দেবেন না। বড়দলের স্বেচ্ছাচারিতার অবসান ঘটাবেন। যুক্তফ্রন্ট গঠিত হবার পর ড. কামাল হোসেন ছুটে যান অধ্যাপক বি. চৌধুরীর বারিধারার বাসায়।

সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে বলেছিলেন, ‘আপনি যেভাবে চালাবেন সেভাবে চলবে।’ এরপর ড. কামাল গড়েন গণফোরাম। ঐক্যের একপর্যায়ে অধ্যাপক বি. চৌধুরীর পুরোনো স্মৃতি জেগে ওঠে। বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের ব্যাপারে তিনি শর্ত দেন। এরপর বিএনপির তিন নেতা অধ্যাপক চৌধুরীর বাসায় গিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন। এতেই ক্ষেপে যান তারেক। এরপর তারেক ঢাকায় জানিয়ে দেন, বি. চৌধুরীরা যদি তাদের শর্তে অটল থাকে, তাহলে তাদের বাদ দিয়েই ঐক্য হবে। কিন্তু বিএনপি সহাসচিবকে বোঝান যুক্তফ্রন্ট বাদ দিয়ে ঐক্য সম্ভব নয়। তারেক জিয়া ফখরুলকে নিশ্চয়তা দেন, বিকল্পধারা বাদে পুরো যুক্তফ্রন্টই থাকবে জোটে। প্রথমে তিনি টোপ দেন নাগরিক ঐক্যের মান্নাকে। মোটা অংকের বিনিময়ে কিনে ফেলেন মান্নাকে। এরপর আ.স.ম. আব্দুর রবও বিক্রি হন। এরপরই পাল্টে যায় যুক্তফ্রন্টের অবস্থান।

যুক্তফ্রন্ট মুলতঃ তিন শর্তে বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে রাজী হয়েছিল, এগুলো ছিলো- স্বাধীনতা বিরোধীদের বাদ দেওয়া, সমতার ভিত্তিতে আসন ভাগাভাগি এবং নির্বাচনের পর প্রথম দু’বছর বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখা। কিন্তু তারেকের নজরানা পেয়েই ঘুরে যান যুক্তফ্রন্টের দুই নেতা। এদিকে, ড. কামাল হোসেনকে আগেই ম্যানেজ করে রেখেছিলেন তারেক। মাহি বি. চৌধুরী ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি তারেকের যুক্তফ্রন্টের নেতাদেরই তারেক কিনে ফেলেছে। এরপর, যখন আবার ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে ১১ অক্টোবর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলো, তখন তারেক সরাসরি কথা বলেন ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে। এর পরপরই বি. চৌধুরীকে এড়িয়ে যাওয়া শুরু করেন। বি. চৌধুরী আশা করেছিলেন, মান্না এবং রব তার দিকেই থাকবে। কিন্তু প্রেস কনফারেন্সে তাদের দেখে অধ্যাপক বি. চৌধুরী একটু অবাকই হন। এ নিয়ে তারেকের কাছে দ্বিতীয় দফায় ধরাশায়ী হলেন বাপ-বেটা। এর আগে তারেক চ্যালেঞ্জ দিয়ে তাদের বঙ্গভবন থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও তারেক চ্যালেঞ্জ দিয়েই তাদের ঐক্য ফ্রন্ট থেকে ছুড়ে দিলেন। কোটি টাকায় তারেক কিনলেন ঐক্য ফ্রন্ট।

আরও খবর

  • গোদাগাড়ীতে ১৫০০ ফেনসিডিলসহ দুই যুবক আটক
  • রাণীনগরে এক বছরেও শেষ হয়নি পল্লী বিদ্যুতের সাব-ষ্টেশন নির্মাণ কাজ
  • পাঁচবিবিতে পুলিশের গুলিতে ডাকাত সর্দার আহত, অস্ত্র উদ্ধার
  • ২৫০ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি আরব
  • বহিরাগতের ছুরিকাঘাতে রাবি ছাত্রলীগ নেতা আহত, আটক ১
  • আরও ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগের নির্দেশ
  • শাহজাদপুরে সংঘর্ষে পিতা-পুত্রসহ আহত ১০
  • ‘আ.লীগ ক্ষমতায় থাকলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়’
  • নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৬ এজেন্ডা
  • মান্দায় ইউপি সদস্যের ঘরে স্ত্রীর লাশ, সতীন আটক
  • নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত
  • নাটোরে শিক্ষিকার মাদক ব্যবসায়ে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী
  • ভোট সুষ্ঠু না হলে ফখরুল সাহেব পাশ করলেন কীভাবে : কাদের
  • চার সন্তানের মাকে বিয়ে করায় যুবককে পেটালেন ইউপি সদস্য
  • রাজশাহীতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১


  • উপরে