দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের সত্যায়ন

দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের সত্যায়ন

প্রকাশিত: ২৭-০৯-২০১৮, সময়: ১০:২৩ |
খবর > মতামত
Share This

আবদুল কুদ্দুস : শেখ হাসিনা একজন অসাধাারণ প্রতিভাবান প্রধানমন্ত্রীর নাম। উন্নয়নশীল বিশ্বের বিষ্ময়কর উন্নয়নের রোল মডেল। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি বাঙালি জাতির পিতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘরে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের দায়িত্ব নিয়ে জন্ম গ্রহন করেন। ওয়াশিংটন ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপিাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) কর্তৃক ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ২১ মে পর্যন্ত পরিচালিত এক জরিপ মতে দেশের ৬৬ শতাংশ জনগণ তাঁর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রতি সমর্থন করে। আর ৬২ ভাগ জনগণ মনে করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় দেশ সঠিক পথে রয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ৬৯ শতাংশ মানুষ। তিনি এমন দূরদর্শী নেত্রী যে, আসছে আগামী ২১০০ সালে আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই তার একটি নকশা অর্থাৎ ‘ডেলটা প্ল্যান” শীর্ষক একটি পরিকল্পনা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জনগণের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই মহীয়সী নেত্রী শুধু পরিকল্পনাই করেন না তা বাস্তবায়নে তিনি নিজেই সদলবল নিয়ে সকাল সন্ধ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের জানা আছে পৃথিবীতে অনেক বড় বড় নেতা আছেন বা ছিলেন যাঁরা দেশের মানুষের জন্য শাষণতন্ত্র তৈরী করেন অথচ সেই শাষণতন্ত্রের যাঁতাকলে পড়ে তাঁর দেশের মানুষকে না খেয়ে মরতে হয়/হয়েছে। দুনিয়াতে অনেক দার্শনিক মানুষের কল্যাণের জন্য নানা ধরণের শাষণতান্ত্রিক নির্দেশনা তৈরী করেছেন অথচ দেখা গেছে তাঁদের সন্তান-স্ত্রী না খেয়ে অপুষ্টিতে ভোগে মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছেন। শাষণতন্ত্রের কারণে মানুষ মরে, সন্তান মরে এমন শাষণতন্ত্রের ধার ধারেন না আমাদের সকলের প্রাণ প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের নীতিমালা তৈরীতে সফল। তিনি কর্মেও সফল। কর্ম বাস্তবায়নেও সফল। তাঁর কর্মে মুগ্ধ হয়েই তো দেশের তরুন সমাজ আজ তাঁকে ‘মাদার অব এডুকেশন’, ‘বিশ্বমানবতার মা’, ‘দেশরত্ন’ ইত্যাদি উপাধিতে ভূষিত করেছেন। মহান এই নেতার ৭২ তম জন্মমদিন উপলক্ষে তাঁর উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হলো:

ডেল্টা প্ল্যান
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আগামী ২১০০ সালে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারের সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ কেমন হবে তার একটি সুচিন্তিত পরিকল্পনা তৈরী করা হয়েছে। এই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সংকট মোকাবেলায় একশ বছরের জন্য ‘ডেলটা প্ল্যান’ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনার অনুমোদনও দিয়েছে সরকার। তিন ধাপে অর্থাৎ ২০২০-২০৩০ প্রথম দশ বছরের জন্য ২ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্প শেষ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এরপর ২০৩০-২০৫০ এবং ২০৫০ থেকে ২১০০ সাল নাগাদ এসব পরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ‘ডেল্টা প্ল্যানে’র সারসংক্ষেপ হলো হটস্পট ৬টি। মোট প্রকল্প ৮০ টি। সেগুলো হলো- উপকূলীয় অঞ্চল, প্রকল্প সংখ্যা ২৩, প্রাক্কলিত খরচ ৮৮৪.৩৬১ বিলিয়ন টাকা। বরেন্দ্র এবং খরাপ্রবণ অঞ্চল, প্রকল্প সংখ্যা ৯, প্রাক্কলিত খরচ ৯৬৩.১৪৫ বিলিয়ন টাকা । হাওর এবং আকষ্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, প্রকল্প সংখ্যা ৬, প্রাক্কলিত খরচ ২৭.৯৮২ বিলিয়ন টাকা । পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, প্রকল্প সংখ্যা ৮, প্রাক্কলিত খরচ ৫৯৯.৮৬৫ বিলিয়ন টাকা । নদী অঞ্চল ও মোহনা, প্রকল্প সংখ্যা ৭, প্রাক্কলিত খরচ ৪৮২.৬১০ বিলিয়ন টাকা। নগরায়ন, প্রকল্প সংখ্যা ১২, প্রাক্কলিত খরচ ৬৭১.৫২৪ বিলিয়ন টাকা । পরস্পর সম্পর্কযুক্ত অঞ্চল, প্রকল্প সংখ্যা ১৫, প্রাক্কলিত খরচ ৬৮৮.৭৭৮৮৭ বিলিয়ন টাকা । প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন হলে আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত নির্মল সুখি সমৃদ্ধ বাসপোযোগী সোনার বাংলাদেশ।

উন্নয়নশীল বাংলাদেশ
দীর্ঘ ৪২ বছর স্বল্পেন্নত দেশের তালিকায় থাকা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ ১৬ই মাচর্, ২০১৮ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের মর্যদা লাভ করেছে। স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেতে জাতিসংঘ কর্তৃক যে তিনটি সূচকে উন্নয়ন করতে হয় তার বর্তমান হলো- মাথাপিছু আয় (GNI), উত্তরণের মান, ১২৩০ ডলার। জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশ ১২৭২ ডলার, বিবিএসের হিসেবে বাংলাদেশ ১২৭১ ডলার। মানব সম্পদ (HAI), উত্তরণের মান, ৬৬, জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশ ৭২.৮, বিবিএসের হিসেবে বাংলাদেশ, ৭২.৯। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা (EVI), উত্তরণের মান, ৩২ বা কম, জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশ ২৫, বিবিএসের হিসেবে বাংলাদেশ ২৪.৮। তবে সাম্প্রতিক বিবিএসের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৭৫১ মার্কিন ডলার এবং প্রবৃদ্ধির হার ৭.৮৬ শতাংশ।

মেগা প্রজেক্টের অগ্রগতি: পদ্মা সেতু নির্মাণ
ইতোমধ্যে ৩৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কর্ণফুলী আন্ডারওয়াটার টানেল
ভূমি অধিগ্রহণ ও নকশার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ডিসেম্বরর ২০১৮ তে পর্ণাঙ্গ কাজ শুরু হবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
২০১৫ সালের আগস্ট মাসে রাজধানীর বিমান বন্দর এলাকা থেকে কতুবখালি পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালের মাধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট
রাজধানীতে বাস চলাচলের জন্য অত্যাধুনিক লেন ব্যবস্থা, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট জুন ২০১৬-তে উদ্বোধন করা হয়েছে।

মেট্রোরেল প্রকল্প
জুন ২০১৬-তে উদ্বোধনের পর থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ দ্রতুগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মেট্রোরেল লাইন-৬ ২০১৯ সালে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

পায়রা সমুদ্রবন্দর
আগস্ট ২০১৬ থেকে সীমিত আকারে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দরে মালামাল ওঠানামা কাজ শুরু করেছে।

বি-টার্মিনাল
চট্রগ্রাম বন্দরের কাছে হালিশহরের সমুদ্রতীরে বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা
১৯৭২-২০০৮ সাল পর্যন্ত মাত্র ৭৩.৮ কিমি জাতীয় মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। আর বিগত সাত বছরে ৩৬৮.৬২ কিমি. জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। একই সাথে যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ৮ লাখ ১২ হাজার ৬৬১টি যানবাহনে রেট্রোরিফ্লেকটিভ নম্বর প্লেট সংযোজন করেছে। একই সাথে পুরো রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করার লক্ষে বর্তমান সরকার একটি ২০ বছর মেয়াদি রেলওয়ে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে, যার অধীনে ২৩৫টি প্রকল্প গৃহীত হয়েছে, বরাদ্দ হয়েছে ২,৩৩,৯৪৪ কোটি টাকা। নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার যাত্রী পরিবহনরে জন্য ৪৫টি নৌযান নির্মাণ ও চালু করেছে। দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ ও ৪টি সি-ট্রাক জাতীয় নৌ পরিবহনে সংযুক্ত হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার সুযোগ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের দিক নির্দেশনায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ। এক নজরে বিগত সাত বছরে বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির চিত্র- ৮ হাজার পোস্ট অফিসকেও ডিজিটাল সেন্টার বানানোর প্রক্রিয়া চলমান।তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক হাই-টেক পার্ক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি। ২০১৫ সালে ৬০ হাজার বর্গফুট জায়গায় তৈরী টেকনোলজি পার্ক উদ্বোধন করা হয় রাজধানী ঢাকায়। এই পার্কে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, কাজ চলছে আরও ৩৪টির। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহ দিতে ২০১৬ সালে গড়ে তোলা হয়েছে দেশের প্রথম ‘আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার’ যা আগামী কয়েক বছরে এই খাতে ১ লাখেরও বেশী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়ক হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে ৭৫ হাজার পেশাজীবিকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার। শিক্ষাকে প্রযুক্তি নির্ভর করতে পর্যায়ক্রমে দেশের ১ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানে মাল্টিমিডিয়া ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তির যন্ত্রপাতি বিষয়ে ২৪ হাজার ১২২ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ৭ হাজার ১৫৪ কিমি অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন কাজের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ হাজার ২৮০ কিমি ও ৯৩০ টি ইউনিয়নে যন্ত্রপাতি স্থাপন কাজ সম্পাদন করা হয়েছে।‘ উপজেলা পর্যায়ে অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে ২৯০ উপজেলার মধ্যে ২০৯ টি উপজেলাকে অপটিক্যার ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ জুন ২০১৬ এর মধ্যে শেষ হবে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ কে মহাকাশে উৎক্ষেপণের কাজ। 3G মোবাইল প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। 4G মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে সরকার। মোবাইল প্রযুক্তিকে আরও সুরক্ষিত করতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ১০ কোটিরও বেশী সিম নিবন্ধিত হয়েছে।

স্বাস্থ্য
প্রধানমন্ত্রীর তনয়া সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ঐকান্তিক আগ্রহ এবং নিরলস প্রচেষ্টায় অটিজমের মতো মানবিক স্বাস্থ্য সমস্যাটি বিশ্বসমাজের দৃষ্টিতে আনা হয়েছে। অটিজম সম্পর্কে সরকারের কনো পরিকল্পনা ছিলোনা। অটিস্টিক শিশুদের সুরক্ষায় ২২টি সরকারী ও বে-সরকারী হাসপাতালে শিশু বিকাশ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারাদেশে ১৬ হাজার ৪৩৮টি কমিউনিটি ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ প্রকার ঔষধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে দেশব্যাপী ৪৩টি হাসপাতালে চাল করা হয়েছে টেলি-মেডিসিন সুবিধা। জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক ক্লাইমেট চেঞ্জ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে উন্নতমানের ঔষধ অনেক সহজলভ্য। এখন দেশীয় চাহিদা ৯৭ শতাংশ ঔষধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর ১২৫টি দেশে বাংলাদেশের ঔষধ রপ্তানি হয়।

ই-হেলথ
সরকারী হাসপাতালে সেবা গ্রহীতা জনগণের মতামত ও অভিযোগ জানা এবং প্রতিকারের জন্য এসএমএস-ভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। জাতীয় আধুনিক কল স্টোর ‘ স্বাস্থ্য বাতায়ন’ চালু করা হয়েছে। এই কল সেন্টারে ১৬২৬৩ নম্বর ফোনে কল করে যে কেউই দিন রাত ২৪ ঘন্টা তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে, অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে, স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে এবং যেকোন ধরণের স্বাস্থ্য তথ্য জানতে পারেন। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বতন্ত্রকর্মীরাও মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এমনকি স্কাইপে টেলি-কনফান্সের মাধমে রোগীকে উপজেলার চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ৫৯াট হাসপাতালে আধুনিক টেলি-মেডিসিন সেবা চালু, যা আরও ২০টি হাসপাতালে শিগগিরই সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন
জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ ঘোষণা। বাবার নামের পাশাপাশি পাসপোর্টে মায়ের নাম অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ পাস। নারী ও শিশুপাচার রোধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ কার্যকর। মাতৃসূত্রে নাগরিক হওয়ার বিধানসহ নাগরিক আইন সংশোধন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ পাঁচজন নারী মন্ত্রী। জাতীয় সংসদে নারী স্পিকার. বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ উপনেতা, একজন মহিলা হুইপ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দুজন সভাপতি মহিলা।প্রতি উপজেলায় সরাসরি ভোটে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত। জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি। বর্তমানে ৭০ জন মহিলা সংসদ সদস্য, যা মোট সংসদ সদস্যদের ২০ শতাংশ। পুলিশ, সেনা নৌ ও বিমান বাহিনীতে নারীদের নিয়োগ প্রদান ও বৃদ্ধি। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ফোর্সে মহিলা পুলিশ ইউনিটের অংশগ্রহণ। নারীদের জন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের নারী বিচারপতি নিয়োগ। সচিব. জেলা প্রশাসক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদে নারীদের পদায়ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য একজন নারী। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে নারী সদস্য নিয়োগ। তথ্য কমিশনে নারী দস্য নিয়োগ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদ ৬০ শতাংশ নারীদের জন্য সংরক্ষণ করা। নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধনে জুলাই ২০১০ থেকে জুন ২০১৫ সাল মেয়াদে ১,৩৩৬.৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ হাজার ১৭৮ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হযেছে। জুলাই ২০০৩ থেকে জুন ২০০৮ মেয়াদে ৮৯১.৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হযেছে।

তথ্য আপা
জুলাই ২০১১ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৬ টি উপজেলায় ১,৩১২.৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্রামীণ ও উপ-শহরাঞ্চলের মহিলাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা, বাল্যবিয়ে, ফতোয়া, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, চাকুির সংক্রান্ত তথ্য, আইনগত সমস্যা এবং ডিজিটাল সেবাসমূহের নানা দিক সম্পর্কে ২ লাখ ৬৩ হজার ৩২৯ মহিলাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

শিক্ষা
১ হাজার কোটি টাকার সীড মানি দিয়ে গঠিত ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’-এর আওতায় ২০১০ হতে প্রাথমিক থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত অধ্যায়নরত দরিদ্র ও মেধাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ৪৫২ কোটি টাকা ব্যায়ে ‘মৌলিক সাক্ষরতা’ প্রকল্প ৬৪ জেলা নামে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিদ্যালয় যাওয়ার সুযোগ না পাওয়া ৮-১৪ বছরে শিশুদের জন্য নির্মাণকৃত ‘আনন্দ স্কুল’-এ বিনামূল্যে বই দেওয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে পোশাক ও উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্যে ৬১টি বিশেষ বিদ্যালয় স্থ্াপনের কাজ চলছে। এছাড়াও আদিবাসী শিশুদের জন্যে ৫টি ভাষায় পাঠ্যপুস্ত প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যা ২০১৭ থেকে বাস্তবায়িত হবে।

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা
ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’ গত ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ থেকে ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কৃষিভিত্তিক তথ্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সারাদেশে ২৪৫টি কৃষিতথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য কৃষক পরিবারকে ২ কোটি ৫ লাখ ৮২ হগাজার ৮২৪টি কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষাণিদেরকে ১২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪৭টি এবং কৃষকদের ১ কোটি ৯৩ লাখ ২৪ হাজার ১৭৭টি কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করা হয়। সেপ্টেম্বর ২০১৬ থেকে চালু হওয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরে পাঁচ মাস (মার্চ-এপ্রিল-নভেম্বর) প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসিক ৩০ কেজি চাল বিতরণ করা হবে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে সাত বছর স্বল্পমূল্যে খোলাবাজারে (ওএমএস) খাতে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৫০২ মেট্রিকটন চাল ও ১০ লাখ ৭০ হাজার ৫৫৪ মেট্রিকটন গম। অর্থাৎ সর্বমোট ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৬ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য বিক্রয় করা হয়েছে। ২০০৯ সালে দেশে খাদ্যশস্য মজুদের ধারণক্ষমতা ছিলো প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিকটন, যা বর্তমানে ২০.৪০ লাখ মেট্রিকটনে উন্নীত হয়েছে। ২০১৪ সালে প্রথমবার সরকার শ্রীলংকায় ২৫ হাজার মেট্রিকটন চাল রপ্তানী করেছে। মৌসুমি ফসল চাষ ও কর্তনে শ্রমিকের স্বল্পতা মিটানো ও উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে খামার যান্ত্রীকরণে ৩০ শতাংশ ভর্তুকীতে যন্ত্রাংশ সরবরাহের জন্য ১৭২.১৯ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবানসহ হাওড় অঞ্চলের জেলা সমুহে কৃষিযন্ত্র সরবরাহেরর জন্য ১০.০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। কৃষকদের ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সামাজিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের ২৩টি মন্ত্রনালয়/ বিভাগের অধীনে মোট ১৪৩টি সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প/ কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন ছিলো। এ সমস্ত কর্মসূচি/প্রকল্পে ৩৫ হাজার কোটি টাকারও অধিক বাজেট বরাদ্দ প্রদান করা হয়, যা দেশের মোট বাজেটের প্রায় ৯.৫০ শতাংশ এবং জিডিপির ১.৪৬ শতাংশ। হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১২-১৩ অর্থবছরে ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি’ শুরু হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৩০০ জনকে ৩০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে ‘দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ কর্মসূচি শুরু হয়। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ৯ কোটি ২২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৫ পর্যন্ত ২ হাজার ১০০ দলিত, হরিজন ও বেদেকে প্রশিক্ষণ এবং ১০ হাজার ৫৩৯ জনকে ৪০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। ১০ টাকা কেজি দরে দেশের ৫০ লাখ দরিদ্র মানুষকে বছরে ৫ মাস ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করার যুগান্তকারী কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়
বিগত ৭ বছরে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম- পবিত্র আল কোরআন শরিফ ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর করা হয়েছে ও ডিজিটাল আর্কাইভ স্থাপন করা হয়েছে। ২০০৯ সার থেকে প্রতি রমজান মাসে সারাদেশে প্রায় ১০ লাখ লোককে পবিত্র কোরআন শিক্ষা প্রদান করা হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণ ও সম্প্রসারণ করা হয়েছ্ েমহিলাদের নামাজ কক্ষ সাম্প্রসারণ ও মসজিদের জন্য সুউচ্চ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। পূর্ব সাহানের ছাদ নির্মাণ ও দক্ষিণ সাহান সম্প্রসারণ করা হয়েছে। মসজিদের নামাজখানা অজুখানা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বায়তুল মোকারমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরী নির্মাণ করা হয়েছে। ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ১০৩ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে সুদমুক্ত ঋণ ও আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৮ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৩ লাখ মসজিদের ইমামগণকে দীনি শিক্ষার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক এমন নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলাম’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় বই, মতবিনিময় সভা, সেমিনারে মাধ্যমে বিতরণ ও ফিল্ম ডকুমেন্টারি তৈরী করা হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ ধর্মীয় ও নৈতিকতা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মসজিদ ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয় শিক্ষা নীতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৯,৯৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। একই সংস্থার আওতায় ১৪৯৯.৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ধর্মীয় এবং আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ৭টি বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে পুরহিত ও সেবাইতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের ৫ টি প্রতিটি জেলায় ৩০৩ লাখ টাকা ব্যায়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। ২০১৬ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামন্ডপে দূর্গপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছ্ েসারাদেশে ২৯ হাজার ৩২০টি পূজামন্ডপে শান্তিপূর্ণ পূজা সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় হিফজ. কিরাত ও তাফসির প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাফেজ ও কারীগণকে বিদেশে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।

বিশিষ্ট উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ রাবার্ট চেম্বার্স উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সেগুলো হলো- অঙ্গিকার, ধারাবাহিতকা ও অপরিবর্তনীয়তা। একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ তিনটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার পরিবর্তনের অঙ্গিকার ও ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গিকার করেছে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নিরুঙ্কুস সমর্থন দিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে এটিই আমাদের প্রত্যাশা। কারণ ‘নাসরুম মিনাল্লাহে ওয়া ফাতেহুন কারীব’- বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত আল্লাহ আমাদের সহায় (সূরা-আস সাফ আয়াত ১৩)। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

তথ্যসূত্র: (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র নামক প্রচার ও প্রকাশনা-২০১৭ থেকে অনুলিখন ও সংযোজন।)

লেখক: শিক্ষক, বিজনেস স্টাডিজ বিভাগ
নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী।

Leave a comment

আরও খবর

  • দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের সত্যায়ন
  • সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
  • বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক বন্ধন ও আজকের বাঙালির জন্য পথনির্দেশ
  • ‘মেসে থাকি তো একটু সাশ্রয়ী হতেই হয়’
  • হৃদয়বিদারক শোকের দিন আজ
  • প্রিয় দেশবাসী…
  • বামরা শ্রমিক স্বার্থের কথা বলছে না কেন?
  • বন্ধুত্ব স্বার্থহীন ভালোবাসার এক সুদৃঢ় বন্ধন
  • অভিনন্দন নবনির্বাচিত নগর পিতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন
  • সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় আবু রায়হান এক তরুণ কিংবদন্তী
  • ‘জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রুপান্তরিত করলে দেশ উন্নত হবে’
  • একজন নিজ জনপদ প্রেমিক ও উন্নয়নবিদ
  • প্রসঙ্গ কোটা সংস্কার আন্দোলন
  • খায়রুজ্জামান লিটন শুধু নেতা নয়, একজন চেইঞ্জ মেকার
  • প্রেরণা ও আস্থার ধ্রুবলোক তুমি


  • উপরে