বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক বন্ধন ও আজকের বাঙালির জন্য পথনির্দেশ

বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক বন্ধন ও আজকের বাঙালির জন্য পথনির্দেশ

প্রকাশিত: ২৮-০৮-২০১৮, সময়: ১১:৫৩ |
খবর > মতামত
Share This

আবদুল কুদ্দুস : পরিবার একজন মানুষের সর্বশেষ শান্তির আবাসস্থল। সুখি পরিবার মানুষকে সুখি করে বাঁচতে সাহায্য করে। পারিবারিক অশান্তি মানুষের সকল অর্থ-বিত্ত, পদ-পদবিকে নরর্থক করে তোলে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের বাঙালি জাতির পিতা। তিনি পারিবারিক জীবনে তিন ছেলে এবং দুই মেয়েসহ পাঁচ সন্তানের জনক। তিনি একজন আদর্শবান পিতা। একজন সুখি পরিবারের জনক। বিশ্বনন্দিত এই নেতা ও পিতা তাঁর অসাধারণ কালজয়ী রচনা ‘কারাগারের রোজনামচা’-তে অতি সুক্ষèভাবে পারিবারিক বন্ধনের ইতিবৃত্ত তুলে ধরেছেন। ১৯৬৬-১৯৬৭ এই দুই বছরের দূর কারাবাস জীবনে তিনি তাঁর পারিবারিক বন্ধনের এক অকৃত্রিম চিত্র তুলে ধরেছেন লিখনির মাধ্যমে। এই প্রবন্ধে তাঁর কারাবাস জীবনের দুঃসহ অবস্থায়ও তাঁর স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি, পিতা-মাতা ও ভাগ্নের সাথে পারিবারিক বন্ধনের যে দৃঢ়তা প্রকাশ পেয়েছে তা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

২২শে জুন ১৯৬৭ তারিখে ‘কারাগারের রোজনামচা’ নামক ডায়েরিতে তিনি লিখেছেন-‘৮ ফেব্রুয়ারি ২ বৎসরের ছেলেটা এসে বলে, “আব্বা বালি চলো”। কি উত্তর ওকে আমি দিব। ওকে ভোলাতে চেষ্টা করলাম। ও তো বোঝেনা আমি কারাবন্দি। ওকে বললাম, “তোমার মার বাড়ি তুমি যাও। আমি আমার বাড়ি থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো।”ও কি বুঝতে চায়! কি করে নিয়ে যাবে এই ছোট্ট ছেলেটা, ওর দুর্বল হাত দিয়ে মুক্ত করে এই পাষাণ প্রাচীর থেকে! দুঃখ আমার লেগেছে। শত হলেও আমি তো মানুষ আর ওর জন্মদাতা। অন্য ছেলেমেয়েরা বুঝতে শেখেছে। কিন্তু রাসেল এখনও বুঝতে শিখে নাই। তাই মাঝে মাঝে আমাকে নিয়ে যেতে চায় বাড়িতে (পৃ. ২৪৯)।’

২৭-২৮ মে ১৯৬৭ বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘আড়াইটার সময় ফিরে এলাম। গোসল করে খাবার খেয়ে কাগজ নিয়ে বসলাম। পাঁচটায় আবার গেটে যেতে হলো। রেণু এসেছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে। হাচিনা পরীক্ষা ভালই দিতেছে। রেণুর শরীর ভাল না। পায়ে বেদনা, হাঁটতে কষ্ট হয়। ডাক্তার দেখাতে বললাম। রাসেল আমাকে পড়ে শোনাল, আড়াই বৎসরের ছেলে আমাকে বলছে, ‘৬ দফা মানতে হবে-সংগ্রাম, সংগ্রাম চলবে চলবে-পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ ভাঙা ভাঙা করে বলে, কি মিষ্টি শোনায়! জিজ্ঞাসা করলাম, “ও শিখলো কোথা থেকে?” রেণু বলল, “বাসায় সভা হয়েছে, তখন কর্মীরা বলেছিল তাই শিখেছে।” বললাম, “ আব্বা, আর তোমাদের দরকার নেই এ পথের। তোমার আব্বাই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করুক।” জামাল খুলনা থেকে ফিরে এসেছে। রেহেনা খুলনায় যাবার জন্য অনুমতি চায়। আব্বাকে দেখতে। বললাম ‘যেও।’ কোথা থেকে যে সময় কেটে যায় কি বলব? জেলে সময় কাটতে চায় না, কেবল দেখা করার সময় এক ঘণ্টা দেখতে দেখতে কেটে যায়। ছেলেমেয়েরা বিদায় নিয়ে চলে গেল, আমিও আমার চিরপরিচিত দেওয়ানী ওয়ার্ডের দিকে চললাম (পৃ.২৪৬)।’

১৭মে ১৯৬৭ তারিখে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, রেণু ছেলেমেয়ে নিয়ে দেখা করতে এসেছিল। হাচিনা আইএ পরীক্ষা দিতেছে। হাচিনা বলল, “আব্বা প্রথম বিভাগে বোধহয় পাশ করতে পারবো না তবে দ্বিতীয় বিভাগে যাবো।” বললাম, ‘দুইটা পরীক্ষা বাকি আছে মন দিয়ে ড়। দ্বিতীয় বিভাগে গেলে আমি দুঃখিত হব না, কারণ লেখাপড়া তো ঠিকমত করতে পার নাই (পৃ.২৪০)।”

৪-১৫ এপ্রিল ১৯৬৭ তিনি লিখেছেন-“১০ সেল থেকে মিজানুর রহমান চৌধুরী আমাকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাইয়া একটা টুকরা কাগজে নি¤্নলিখিত কবিতাটা লিখে পাঠায়,

“ আজিকে নূতন প্রভাতে নূতন বরষের আগমনে
মুজিব ভাইকে,
‘বন্ধু হও, শক্রু হও, যেখানে যে কেহ রও,
ক্ষমা করো আজিকার মতো,
পুরাতন বরষের সাথে,
পুরাতন অপরাধ যত।”
নববর্ষের শ্রদ্ধাসহ মিজান
১লা বৈশাখ ১৩৭৪ সাল (পৃ.২২৩)।

এদিন তিনি আরো লিখেছেন-‘জেল গেটে যখন উপস্থিত হলাম ছেলেটা আজ আর বাইরে এসে দাঁড়াই নাই দেখে একটু আশ্চর্য হলাম। আমি যখন রুমের ভিতর যেয়ে ওকে কোলে করলাম আমার গলা ধরে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে কয়েকবার ডাক দিয়ে ওর মার কোলে যেয়ে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে ডাকতে শুরু করলো। ওর মাকে ‘আব্বা’ বলে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ব্যাপার কি?’ ওর মা বলল, “বাড়িতে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে কাঁদে তাই ওকে বলেছি আমাকে ‘আব্বা’ বলে ডাকতে।” রাসেল ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ বলে ডাকতে লাগল। যেই আমি জবাব দেই সেই ওর মার গলা ধরে বলে, ‘তুমি আমার ‘আব্বা’।” আমার উপর অভিমান করেছে বলে মনে হয়। এখন আর বিদায়ের সময় আমাকে নিয়ে যেতে চায় না (পৃ.২২১)।’

১৭ মার্চ ১৯৬৭ তারিখে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন- ‘আজ আমার ৪৭তম জন্মবার্ষিকী। এই দিনে ১৯২০ সালে পূর্ব বাংলার এক ছোট্ট পল্লীতে জন্মগ্রহণ করি। আমার জন্মবার্ষিকী আমি কোনদিন নিজে পালন করি নাই-বেশী হলে আমার স্ত্রী এই দিনটাতে আমাকে ছোট্ট একটি উপহার দিয়ে থাকত। এই দিনটিতে আমি চেষ্টা করতাম বাড়ি থাকতে। খবরের কাগজে দেখলাম ঢাকা সিটি আওয়ামী লীগ আমার জন্মবার্ষিকী পালন করছে। বোধহয়, আমি জেলে বন্দি আছি বলেই। “আমি একজন মানুষ, আর আমার আবার জন্মদিবস! দেখে হাসলাম। মাত্র ১৪ তারিখে রেণু ছেলেমেয়েদের নিয়ে দেখেতে এসেছিল। আবার এত তাড়াতাড়ি দেখা করতে অনুমতি কি দিবে? মন বলছিলো, যদি আমার ছেলে মেয়েরা ও রেণু আসত ভালই হত। […] তখন সাড়ে চারটা বেজে গিয়েছে, বুঝলাম আজ বোধ হয় রেণু ও ছেলেমেয়েরা দেখা করার অনুমতি পায় নাই। পাঁচটা বেজে গেছে। ঠিক সেই মহূর্তে জমাদার সাহেব বললেন, চলুন আপনার বেগম সাহেবা এবং ছেলেমেয়েরা এসেছে। তাড়াতাড়ি কাপড় পরে রওনা করলাম জেলগেটের দিকে। ছোট মেয়েটা আর আড়াই বৎসরের ছেলে রাসেল ফুলের মালা হাতে করে দাঁড়াইয়া অছে। মালা নিয়ে রাসেলকে পরাইয়া দিলাম। সে কিছুতেই পরবে না, আমার গলায় দিয়ে দিল। ওকে নিয়ে আমি ঢুকলাম রুমে। ছেলেমেয়েদের চুমু দিলাম। দেখি সিটি আওয়ামী লীগ একটা বিরাট কেক পাঠাইয়া দিয়াছে। রাসেলকে দিয়েই কাটালাম, আমিও হাত দিলাম। জেল গেটের সকলকে কিছু কিছু দেওয়া হলো। কিছুটা আমার ভাগ্নে মণিকে পাঠাতে বলে দিলাম জেলগেট থেকে। ওর সাথে তো আমার দেখা হবে না এক জেলে থেকেও।…ছয়টা বেজে গিয়েছে, তাড়াতাড়ি রেণুকে ও ছেলেমেয়েদের বিদায় দিতে হলো। রাসেলও বুঝতে আরম্ভ করেছে, এখন আর আমাকে নিয়ে যেতে চায় না। আমার ছোট মেয়টা খুব ব্যাথা পায় আমাকে ছেড়ে যেতে,ওর মুখ দেখে বুঝতে পারি। ব্যাথা আমিও পাই, কিন্তু উপায় নাই। রেণুও বড় চাপা, মুখে কিছুই প্রকাশ করেনা (পৃ.২০৯-২১১)।

১-২০ জানুয়ারি ১৯৬৭ তারিখে তিনি লিখেছেন-‘১১ তারিখে রেণু এসেছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে দেখা করতে। আগামী ১৩ জানুয়ারি ঈদের নামাজ। ছেলেমেয়েরা ঈদের কাপড় নিবে না। ঈদ করবে না, কারণ আমি জেলে। ওদের বললাম, তোমরা ঈদ উদ্যাপন কর। এই ঈদটা আমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে আমার আব্বা ও মায়ের কাছে বাড়িতেই করে থাকি। ছোট ভাই খুলনা থেকে এসেছিল আমাকে নিয়ে বাড়ি যাবে। কারণ কারও কাছে শুনেছিলো ঈদের পূর্বেই আমাকে ছেড়ে দিবে। ছেলেমেয়েদের মুখে হাসি নাই। ওরা বুঝতে শিখেছে। রাসেল ছোট্ট তাই এখনও বুঝতে শিখে নাই। শরীর ভাল না, কিছুদিন ভুগেছে। দেখা করতে এলে রাসেল আমাকে মাঝে মাঝে ছাড়তে চায় না। ওর কাছ থেকে বিদায় নিতে কষ্ট হয়। আমিও বেশ আলাপ করতে পারলাম না শুধু বললাম, ‘ চিন্তা করিও না। জীবনে বহু ঈদ এই কারাগারে আমাকে কাটাতে হয়েছে, আরও কত কাটাতে হয় ঠিক কি! তবে কোনো আঘাতেই আমাকে বাঁকাতে পারবে না। খোদা সহায় আছে।” ওদের কাছ থেে ক বিদায় নেবার সময় রেণুকে বললাম, বাচ্চাদের সবকিছু কিনে দিও। ভাল করে ঈদ করিও, না হলে ওদের মন ছোট হয়ে যাবে (পৃ.২০১)।’

৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬, ‘রেণু দেখা করতে এসেছিলো। রেহেনার জ্বর, সে আসে নাই। রাসেল জ্বর নিয়ে এসেছিল। হাচিনার বিবাহের প্রস্তাব এসেছে। রেণু ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছেলেটাকে পছন্দও করেছে। ছেলেটা সিএসপি। আমি রাজবন্দী হিসেবে বন্দি আছি জেনেও সরকারী কর্মচারী হয়েও আমার মেয়েকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তাব দিয়াছে। নিশ্চয় তাহার চরিত্রবল আছে। মেয়েটা এখন বিবাহ করতে রাজি নয়। কারণ আমি জেলে, আর বিএ পাশ করতে চায়। আমি হাচিনাকে বললাম, ‘মা আমি জেলে আছি, কতদিন থাকতে হবে কিছ্ইু ঠিক নাই। তবে মনে হয় সহজে আমাকে ছাড়বে না, কতুগুলি মামলাও দিয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে চলেছে। তোমাদের আবারও কষ্ট হবে। তোমার মা যাহা বলে শুনিও।’ রেণুকে বললাম, ‘আর কি বলতে পারি?’ (পৃ.১৯৪)।

বঙ্গবন্ধুর বাবা একবার ছেলেকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তারিখটি ১৪ জুলাই ১৯৬৬ সাল। চিঠিটি এরকম ছিলো-

বাবা খোকা,
‘তোমার গত ১৯/৬/৬৬ এবং ১/৭/৬৬ তারিখের চিঠি দুইখানা গতকাল পাইয়া তোমার কুশল জানিতে পারলাম। তবে আমাদের জন্য যে সবসময় চিন্তিত থাকো তাহাও বেশ বুঝিলাম। তবে আমাদের জন্য চিন্তা করিবা না, খোদার মর্জিতে আমাদের মতন সুখী লোক বোধহয় নাই; থাকিলেও খুব কম। আমার সহ্য শক্তি আছে, বিপদে আপদে কখনও বিচলিত হই না, তাহা তোমার ভালভাবে জানা আছে (পৃ.১৭৮-১৭৯)।’

৯ জুন ১৯৬৬ লিখেছেন-‘মনে পড়লো মা’র কথা। কিছুদিন আগে আমার মা খুলনা থেকে আমাকে ফোন করে বলেছিলো, “তুই আমাকে দেখতে আয়, আমি আর বেশীদিন বাঁচব না। আমি বাড়ি যাইতেছি।” বললাম, “মা, আমি শীঘ্রই বাড়ি যাব তোমাকে দেখতে।” এরপর শুরু হলো আমার উপর যুলুম, যশোরে গ্রেপ্তার। আমি যখন খুলনা গেলাম, মা তখন বাড়ি চলে গিয়েছেন। যশোর থেকে ঢাকা এলাম। ঢাকায় গ্রেপ্তার করে নিয়ে চলল শীহট্ট। সেখানে জামিন হলো। আবার জেলগেটে গ্রেপ্তার করে নিয়ে চলল ময়মনসিংহ। […] আব্বাকে খবর দিলাম ১৩ তারিখে বাড়িতে পৌঁছাব। আব্বা মা নিশ্চয় খুব খুশি হয়েছিলেন। আমার উপর আমার মা বাবার টান যে কত বেশী সে কথা কাহাকেও বোঝাতে পারব না। তাঁরা আমাকে ‘খোকা’ বলো ডাকেন। পারলে আমাকে কোলে করেই শুয়ে থাকে। হঠাৎ ৮ই মে দিনগত রাতে ঢাকায় আমাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা জেলে আটক করল। মায়ের সেই কথা আমার বারবার মনে পড়তে লাগলো।“আমি বাঁচব না, আমাকে দেখতে আয়”… (পৃ.৭৭-৭৮)।’

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর এক জরিপ থেকে জানতে পারলাম দেশে প্রতি ঘন্টায় একটি করে পরিবার ভেঙ্গে যাচ্ছে। স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা না হওয়ায় নাকি এমন বিবাহ বিচ্ছেদ ও তালাকের পরিমান বেড়ে গেছে। পিতার প্রতি সন্তানের ভক্তি নেই। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ¯্নহে ভালোবাসা কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে তাহলে অনিবার্যভবে আমাদেরকে জাতির পিতার পারিবারিক আদর্শের প্রতি আবারো ফিরে যেতে হবে। কেননা, বঙ্গবন্ধুর শত বিপদে, সহ¯্র যন্ত্রণার মাঝেও কিভাবে তাঁর স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রেণু স্বামীর পাশে থেকে পারিবারিকে বন্ধন অটুট রেখেছিলেন তা আমারা জানলাম। এরকম একটি আদর্শ পরিবারের শিক্ষাই আমাদের বর্তমান বাঙালি সমাজে হয়ে উঠুক দীপ্তিামান পথ নির্দেশক। বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে নেমে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এই প্রত্যাশাই রইলাম।

লেখক: শিক্ষক, বিজনেস স্টাডিজ বিভাগ
নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী।

আরও খবর

  • সংসদ নির্বাচনে পরিবর্তন চাই
  • বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা আইন ও আমাদের ভাবনা
  • কলঙ্কের কালোরাত: ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
  • জীবন বাঁচাবার জন্য ডাক্তার হবার প্রয়োজন নেই
  • ‘শেখ হাসিনা’ উন্নয়নশীল বিশ্বের রোল মডেল হওয়ার রহস্য
  • চেইঞ্জ মেকার মেয়রকে নগর ভবনে স্বাগতম
  • দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের সত্যায়ন
  • সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
  • বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক বন্ধন ও আজকের বাঙালির জন্য পথনির্দেশ
  • ‘মেসে থাকি তো একটু সাশ্রয়ী হতেই হয়’
  • হৃদয়বিদারক শোকের দিন আজ
  • প্রিয় দেশবাসী…
  • বামরা শ্রমিক স্বার্থের কথা বলছে না কেন?
  • বন্ধুত্ব স্বার্থহীন ভালোবাসার এক সুদৃঢ় বন্ধন
  • অভিনন্দন নবনির্বাচিত নগর পিতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন


  • উপরে