গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা ॥ অজানা ইতিহাসের খোঁজে…

প্রকাশিত: ১৯-০৯-২০১৭, সময়: ১৪:৫৯ |
খবর > মতামত
Share This

মামুন-অর-রশিদ : মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পদ্ধতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে এবার রাজশাহীতে। এ প্রশিক্ষণ থেকে ক্লিয়ার হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের কনসেপ্ট। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যতটুকু জানা- তা কেবল বই থেকে পড়া। এখন গবেষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে সেটা আরো বেশী অনুভব করতে পারছি।

রাজশাহীতে শুরু হওয়া ‘গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ’ বিষয়ক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ গ্রহণের পর এমনটিই জানালেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ¯্নাতকোত্তর করা হৈমন্তী শুক্লা কবির। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এখন যে বোধ, আগে তা হতো না। শুধু শুক্লা হৈমন্তি নয়, তারমত আরো ৫০ প্রশিক্ষনার্থীর মধ্যে এখন জাগ্রত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলাদা বোধ।
রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারী ও বেসরকারী কলেজের শিক্ষক, গবেষক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনকারীরা। তারা এ প্রশিক্ষণ রপ্ত করার পর গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে মাঠপর্যায় থেকে তুলে আনবেন মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও শরণার্থীদের ইতিহাস।

রাজশাহীতে সম্প্রতি খুলনার গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্ট সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ’ বিষয়ক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস বিষয়ে দক্ষ দেশবরেণ্য অধ্যাপক, মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক ও শিল্পীরা।

স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা-নির্যাতনের ইতিহাস বিকৃত করার ষড়যন্ত্র থেমে নেই। পাকিস্তানী হানাদারদের দোসর জামায়াত এবং তাদের নির্বাচনী মিত্র বিএনপি বারবার আঘাত হেনেছে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে। শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাঙালির সবচেয়ে গর্বের অর্জনে কলঙ্ক লেপনের অপচেষ্টা করেছে তারা। তবে জামায়াত-বিএনপিসহ স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির সেই অপচেষ্টাকে রুখে দিতে সর্বদা সচেষ্ট থেকেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা বিষয়ের জ্ঞান জনমানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

যে স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন ত্রিশ লাখ শহীদ, তাদের রক্তদানের ইতিহাস তুলে ধরতে তেমনই এক উদ্যোগ নিয়েছে খুলনার গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্ট। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ট্রাস্টের অধীনে স্থাপিত গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র রাজশাহীতে চালু করেছে ‘গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ’ বিষয়ক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের প্রশিক্ষণ।

তিন মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কোর্সে দেশবরেণ্য অধ্যাপক, মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক ও শিল্পীরা হাতে-কলমে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের শেখাচ্ছেন গবেষণা পদ্ধতি। সেই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অর্ধশত গবেষক গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে মাঠপর্যায় থেকে তুলে আনবেন মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও শরণার্থীদের ইতিহাস।

গত ৬ আগস্ট বিকেলে কোর্সের দ্বিতীয় ব্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক ড. মুনতাসির মামুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যক হাসান আজিজুল হক। ৭ আগস্ট সকালে নগরীর কাজলা এলাকার হেরিটেজ আরকাইভসের সেমিনার কক্ষে শুরু হয় প্রশিক্ষণ কোর্স। এতে অংশ নিচ্ছেন ৫০ প্রশিক্ষণার্থী। তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ অধ্যাপক, বেসরকারী কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং গবেষকেরা।

প্রশিক্ষণ শেষে তারা রাজশাহী, নাটোর, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত গণহত্যা, অন্য দেশে আশ্রয় নেয়া শরণার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের নিয়ে গবেষণাপত্র রচনা করবেন। তাদের এই গবেষণাপত্রগুলো মূল্যায়ন করে মুদ্রন করা হবে বই ও রচনা সংকলন। এর মাধ্যমে জানা যাবে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞের অনেক অজানা ইতিহাস। সেগুলো ডকুমেন্ট আকারে সংগ্রহ করা হবে যাতে কোন অপশক্তি আর কোন দিন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে না পারে।

‘গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রটি’ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প হিসেবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই প্রকল্পের অধীনেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই প্রশিক্ষণ কোর্স। প্রকল্পের পরিচালক (গবেষণা) অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক আলোচনা হয় কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের যে আরেকটা বৈশিষ্ট্য গণহত্যা, নির্যাতন, শরণার্থী- এসব বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু এসব বিষয় উপলব্ধি করতে না পারলে মানুষ মুক্তিযুদ্ধকেও ভুলে যাবে। এসব বিষয়ের ডকুমেন্ট সংগ্রহ করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ২০১৪ সালে খুলনায় একটি জাদুঘর ও আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই জাদুঘরে গণহত্যার বিভিন্ন ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই জাদুঘরের একটা শাখা হচ্ছে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র। এর কার্যক্রম হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণার জন্য জুনিয়র ও সিনিয়র ফেলোশীপ প্রদান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জীবনী গ্রন্থমালা প্রণয়ন, গণহত্যা-নির্যাতন নির্ঘন্ট গ্রন্থমালা প্রণয়ন, জেলাভিত্তিক গণহত্যা-নির্যাতন ও বধ্যভূমি সমীক্ষা এবং গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স চালু।

তিনি বলেন, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের দ্বিতীয় ব্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজশাহীতে। প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা ৪৫ পর্যন্ত প্রতিদিন চারটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস বিষয়ে দক্ষ দেশবরেণ্য অধ্যাপক, মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক ও শিল্পীরা এই কোর্সের বিভিন্ন সেশনে আলোচনা করছেন। যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারী ও বেসরকারী কলেজের শিক্ষক, গবেষক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনকারীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের এই অধ্যাপক আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা পদ্ধতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে। এক মাসে ৩২টি ক্লাসের পর প্রশিক্ষণার্থীরা মাঠ সমীক্ষা করে প্রত্যেকে একটি করে গবেষণাপত্র রচনা করবেন। সেই গবেষণা হতে পারে গণহত্যা নিয়ে, শরণার্থী নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে, শহীদ নিয়ে। মাঠসমীক্ষা করে এই গবেষণাপত্র যারা সম্পন্ন করবে তারাই কেবলমাত্র পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এই কোর্সের সনদ পাবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সে শেখানো হবে গণহত্যা-নির্যাতন গবেষণা পদ্ধতি লেখা ও পাণ্ডুলিপি প্রণয়ন, গণহত্যা-নির্যাতন নির্ঘণ্ট গ্রন্থমালা রচনার পদ্ধতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনা ও গবেষণার পদ্ধতি, মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় ইতিহাস চর্চা, গণহত্যা, ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়ে। আলোচনা করা হবে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, মুক্তিফৌজ, যুদ্ধ ও প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, যুদ্ধের শুরু ও প্রাথমিক প্রতিরোধ, মুক্তিযুদ্ধের নারীর অবদান, মুক্তিযুদ্ধ, অবরুদ্ধ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অবদান, প্রবাসী বাঙালি ও বিশ্ব সিভিল সমাজ, মুক্তিযুদ্ধে ভারত, সুপার পাওয়ার ও জাতিসংঘের ভূমিকা, মুক্তিযুদ্ধের চিত্রকলা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু বিষয়ে। এছাড়া প্রশিক্ষণার্থীরা জানতে পারবেন- মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা-নির্যাতনে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির ভূমিকা, গণহত্যা-নির্যাতন-বধ্যভূমি ও গণকবর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের গঠনের ইতিহাস, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায় ও তার তাৎপর্য, আলোচনা করা হবে মানবতা বিরোধী অপরাধ- ন্যুরেমবার্গ থেকে বাংলাদেশ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে।

মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কোর্সের ৩২টি ক্লাসে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকছেন- মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ’৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শহরিয়ার কবির, মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক কাজী সাজ্জাদ আলী বীর প্রতীক, শিল্পী হাশেম খান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড, মেসবাহ কামাল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র, লেখক-গবেষক মামুন সিদ্দিকী, সাবেক সচিব কবি আসাদ খান, নোয়াখালি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দিব্যদ্যুতি সরকার, আইন কমিশনের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ফউজুল আজিম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তপন পালিত।
গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে জানিয়ে অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রথম ব্যাচ খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ৪২ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৩১ জন গবেষণাপত্র জমা দিয়েছেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান নূর তাদের সনদ প্রদান করেছেন। দ্বিতীয় ব্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজশাহীতে। এরপর আমরা অন্য কোন জায়গায় প্রশিক্ষণ কোর্সটির আয়োজন করবো। এভাবে যতোদিন পারা যায় এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি চালু রাখা হবে।

প্রশিক্ষণ কোর্সটি নিয়ে কথা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ¯্নাতকোত্তর করা হৈমন্তী শুক্লা কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, আগে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বই থেকে পড়েছি। এখানে বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে সেটা অনুভব করতে পারছি। এছাড়া দেশবরেণ্য মানুষদের কাছ থেকে শিখতে পারছি অনেক। মুক্তিযুদ্ধের কনসেপ্ট ক্লিয়ার হচ্ছে। এই ক্লাস করার পরে পতাকার লাল-সবুজ দেখলেই মনে হয় এতোগুলো মানুষের রক্ত! এই বোধ আগে হতো না। একই অভিমত ব্যক্ত করেন এ কোর্সে অংশ নেয়া রাজশাহী নগরীর বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যাক্ষ মো. কামরুজ্জামান। সূত্র- জনকণ্ঠ

 

আরও খবর

  • পাবলিকের টাকাতেই চলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
  • সু চির বক্তব্য : হতাশার মাঝেও আশার আলো আছে কী?
  • গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা ॥ অজানা ইতিহাসের খোঁজে…
  • রোহিঙ্গা সংকট নিরসন কোন পথে
  • দেশে সব নির্বাচনই হয়, শুধু ছাত্ররাই বঞ্চিত
  • প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর ও আমাদের প্রত্যাশা
  • গান গেয়ে ত্রাণ সংগ্রহ করছেন রাবির ‘জর্জ হ্যারিসন’রা
  • ৭৫ এর ১৫ আগস্টের নাটোর
  • শেখ ফজিলাতুন নেছা- আমার মা
  • যুব সম্প্রদায় : বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্মাতা
  • চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে
  • হলি আর্টিজান হামলার নেপথ্য কথা ও ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশ
  • মানুষের ভাল অভ্যাসগুলো অটুট থাকুক
  • পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণে আরও সচেতনতা প্রয়োজন
  • প্রসঙ্গ : শিশু গ্রেফতার
  • উপরে