--->

‘মায়ের ঋণ’

প্রকাশিত: ১৩-০৫-২০১৮, সময়: ২০:৩০ |
Share This

মা, তুমি আমার জন্য কতোটা কষ্ট করেছ
তাতো আমি আজ বেখেয়াল;
ছোট্ট ছিলাম, তাইতো কিছুই মনে করতে পারছি না।
আজ আমি পিতা,
আমার স্ত্রীর কোলে আমার ছোট্ট খুকুমণি,
কোন কষ্ট পেতে দেয় না ওর মা –
আমার ছোট্ট খুকুমণিকে;
মা যে কতোটা ত্যাগ স্বীকার করে তা আগে বুঝিনি।
আমার মণি কাঁদলে ওর মা দ্রুত ছুটে আসে
যেন নাড়িতে লেগে যায় টান।
আজ বুঝেছি মাগো,
আমার জন্য কতোটা কষ্ট করেছ।
ভাত খেতে খেতে আমার খুকুমণি
কতো যে প্রসাব-পায়খানা করে দেয় কোলে
ওর মা তখন খানাপিনা ফেলে
আগে আমার খুকুমণিকে করে পরিষ্কার,
ততোক্ষণে হয়তো বিস্বাদ হয়ে যায় থালার খাবার।
মাগো, এমনি করে আমার জন্য
তুমিও কষ্ট করেছ নিশ্চয়
বল-মাগো, তোমার ঋণ কি শুধু মা ডেকে শোধ হয়!
এই যে কনকনে শীত
রাতে বার বার আমার খুকুমণি প্রসাব করে বিছানায়
লেপের উষ্ণতা ছেড়ে বার বার উঠে ওর মা,
উচ্চারণ করেনা কভু বিরক্তিকর শব্দ।
মাগো, এমনি করে আমার জন্য
তুমিও কষ্ট করেছ নিশ্চয়
বল-মাগো, তোমার ঋণ কি শুধু মা ডেকে শোধ হয়!
আমার খুকুমণি শরীরে ধুলিবালি ভরায়
ধুলিবালি ঝেড়ে ওকে কেলে তুলে নেয়
আদর করে কপালে চুমু খায়।
মাগো, এমনি করে তুমিও আমায়
চুমু খেয়েছ নিশ্চয়
বল-মাগো, তোমার ঋণ কি শুধু মা ডেকে শোধ হয়!
আমার খুকুমণিকে ওর মা চাঁদ মামার গান শোনায়
ভালোবেসে কপালে দেয় কাজলের টিপ;
তুমিও ঠিক
এমনি করে আমায়
আদর করেছ নিশ্চয়
বল-মাগো, তোমার ঋণ কি শুধু মা ডেকে শোধ হয়!

লেখক : মো: আমিনুল ইসলাম, নওগাঁ।

Leave a comment

উপরে