বিবাগী

ভুলকরে কখনও খোলাই রেখে দাও, অনর্থক ভাবনার দ্বার। দেখে ফেলে জগৎ সংসার, দেখে ফেলে বিরুদ্ধজন। দেখে ফেলে হয়তো তোমারই মতো..

পঁচিশ বছর পর

এ কোন কাল্পনিক কথা নয় পঁচিশ বছর আগে এক কিশোরীর সাথে ছিল প্রণয়। মনে হতো তখন সে ছাড়া বুঝি মিথ্যে জীবন। কিন্তু আজ কেটে গেল পঁচিশটি বছর তবু কেউ কারো নেইনি কোন খবর। তবে প্রেমের ঝাপসা স্মৃতি গুলো আজও চলেছি বয়ে হারান প্রেমের..

চেনা অচেনা

কতো চেনা মানুষ অচেনা হয়ে যায় অচেনারা চেনা হয়ে সামনে দাঁড়ায়। রফিকুল, শফিকুল আরো কতো বন্ধু সব ছাত্র জীবনে করেছি হইচই, আনন্দ-উৎসব। কালের আবর্তনে আমরা আজ দুর দুরান্তে চেনা মুখ গুলো হারিয়ে গেল মনের অজান্তে। জীবন চলার..

পরশ পাথর আল কোরআন

এক সময় আরব সমাজ ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত ওরা ছিল পাপ-পঙ্কিলতার অতল গহ্বরে অধঃপতিত। ওরা ছিল চোর-ডাকাত খোলা ছিল লুটতরাজের দার কোরআনের পরশে ওরাই হলো প্রকৃত আমানতদার। যারা ছিল নারীর সতীত্ব হরণকারী তারাই হয়ে গেল নারীর সতীত্বের..

অতিক্রম

ক্যাঁচচ্… শব্দে ট্রেনটা থেমে গেলো। অবশেষে পৌঁছালো! ব্যাগটা কাঁধে ঝুলিয়ে দরজায় এসে মুখ বাড়িয়ে ডানে বাঁয়ে দেখে নিলেন জনাব রায়হান। শীতের বিকেল, এরমধ্যেই কুয়াশার আভাস। পকেট থেকে মোবাইল বের করে সময় দেখলেন। পাঁচটা..

ময়ূরপঙ্খী নাও

খুলে যায় একে একে বিরহী জানালাগুলো। একসময় কেঁদেছিলো প্রিয় প্রজাপতিটি ওখানে মাথা খুটে। তারপর তোমাদের হতাশার কথাগুলো গ্রন্থাকারে লিখবে বলে হাতে নিয়েছিলো ময়ূরপুচ্ছ। ঘরময় মায়াবী মৃদু আলো, জানালায় উঁকি দেয়া চাঁদ, কালির..

সুরুজ আলী

অনেকদিন আগের কথা, তখন এমনটা ছিলো না। ছিলো না এভাবে গণধোলাই খেয়ে, পথের ধুলোয় মাখামাখি হয়ে পড়ে থাকা। সুরুজ আলী ভালো ছেলে ছিলো। ওর মায়ের আদরমাখা বকুনি ছিলো। বই খাতা বগলদাবা করে স্কুলে যাওয়া ছিলো। হাটের দিনে বাবার নিয়ে..

আমি একটি কবিতা লিখব

আমি একটি কবিতা লিখব যে কবিতা পড়ে কেউ খুশি হবে আবার কারো হবে ক্রোধে অগ্নিবর্ণ মুখ। আমি একটি কবিতা লিখব যে কবিতা পড়ে সকল শাসকের শোষণে পড়ে যাবে ভাটা ঘৃণা করবে নিজেকে নিজে অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসবে সেবার পথে। আমি একটি কবিতা..

সামনে সিঁড়িপথ

কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, আঁচলটা টেনে মুখটা মুছে নিলো জয়া। মাথা উঁচু করে দেখে নিলো, আর কতটা উপরে উঠতে হবে ওকে। অদ্ভুতভাবে প্যাঁচানো কাঠের সিঁড়িটা ঠিক কত উপরে উঠেছে কে জানে! মরচে পড়া লোহার রেলিং, ভেজা স্যাঁতসেঁতে..

উপরে