স্কুল নয়, এটি শিক্ষার্থীদের ‘নির্যাতন কেন্দ্র’

প্রকাশিত: ৩০-০৯-২০১৯, সময়: ১৮:৩০ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নাইজেরিয়ার একটি ইসলামিক স্কুলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ শিশু, কিশোর ও পূর্ণবয়স্ক ৫০০ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে। কাদুনার এই স্কুলটিকে বলা হচ্ছে একটি ‘নির্যাতন কেন্দ্র’ এবং এখান থেকে উদ্ধার পাওয়াদের একজন বিবিসির কাছে তার বর্ণনা করেছেন তার ‘দোযখবাসের সমতূল্য’ অভিজ্ঞতা।

২৯ বছর বয়স্ক ইসা ইব্রাহিম বিবিসিকে বলেন, “আপনি যদি প্রার্থনা করেন তারা আপনাকে পেটাবে। আবার আপনি যদি পড়াশোনা করলেও পেটাবে”।

যে ভবনটিতে অভিযান চালিয়ে এদের উদ্ধার করেছে পুলিশ, সেটি একই সাথে ইসলামিক স্কুল ও সংশোধন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

পুলিশ বলছে, এখানে অনেককে পাওয়া যায় শিকল দিয়ে বাঁধা অবস্থায়।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ভিকটিমদের অনেকে নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

উত্তর নাইজেরিয়ায় এই ভবনটি পরিদর্শন করেছেন বিবিসির ইসহাক খালিদ। তিনি বলছেন, এ ধরণের আরো প্রতিষ্ঠানেও এই ধরণের ঘটনা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলছেন, দেশটির মুসলিম অধ্যূষিত এই এলাকাটিতে বহু পরিবারই দারিদ্রের কারণে সন্তানকে স্কুলে দিতে পারেনা। অনেকেই বাধ্য হন সন্তানকে এই ধরণের স্কুলে ভর্তি করতে যেগুলোতে মূলত নজরদারির খুব ভালো ব্যবস্থা নেই।

স্কুল ভবনটির সামনে লেখা আছে, ‘আহমাদ বিন হামবাল সেন্টার ফর ইসলামিক টিচিং’। কিন্তু যেসব তরুন বা কিশোরদের আচরণগত সমস্যা রয়েছে তাদের সংশোধনকেন্দ্র হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হতো।

পুলিশ বলছে, এটি আসলে স্কুল বা সংশোধন কেন্দ্র- কোন হিসেবেই নিবন্ধিত নয়। প্রতিষ্ঠানটির সাতজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। সরকার বলছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে।

Leave a comment

উপরে