বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালবেসেছেন: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালবেসেছেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১০-০১-২০১৯, সময়: ১৮:০২ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশ ও দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালবেসেছেন। এ ভালবাসার প্রতিদান তিনি দিয়েও গেছে। এনে দিয়েছেন, দেশ ও জাতির জন্য চিরকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সস্টিটিউশনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। আর এটাই ছিল তার তার মূল অপরাধ। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চলেছে, তার নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। এর পর থেকে দেশে একের পর এক শুরু হয় হত্যার রাজনীতি। এরপরও স্বাধীনতাবিরোধীরা মনগড়া ইতিহাস তৈরি করা হয়েছে। সত্যকে বিকৃত হয়তো সাময়িকভাবে কিছু অর্জন করা যায়, তবে চূড়ান্ত বিচারে তা সফল হয় না বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আগামী ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করবো আমরা। আর ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালে আমরা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হব। এ প্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে দেশের জনগণসহ সর্বস্তরের মানুষকে স্বাধীনতাবিরোধীদের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, এবারের নির্বাচনে জনগণ আমাদের উপর যে আস্থা-বিশ্বাস রেখেছে, আমি বিশ্বাস করি সে বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়েই আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ গেল দশ বছরে দুই ধাপ এগিয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রথমবারের মতো ৭ শতাংশের বেশি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মধ্যেও স্বাধীনতা বিরোধীরা চক্রান্তে মেতেছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা দশ বছরে যেটা পেরেছি, স্বাধীনতাবিরোধীরা কেন তা পারেনি- প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের অপরাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এর আগে নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা হয়েছিল ২০১৩-১৫ মেয়াদে। তারা এদেশের ৫শ’র কাছাকাছি মানুষকে পুড়ে মেরেছে। কিন্তু এত কিছু করেও তারা সফল হয়নি। কারণ জনগণ তাদের সঙ্গে ছিল না, সব প্রতিরোধ করেছিল। ফলে সন্ত্রাসের নামে তাদের সব আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে তারা (বিএনপি-জামায়াত) অগণিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হত্যা করেছে। ২০০১ সালের পর অসংখ্য নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরও পুড়িয়ে দেয়া হয়। সংখ্যালঘুদের উপরও চলে সীমাহীন নির্যাতন। সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, হত্যা, চোরাচালান- এসব বিভিন্ন অপকর্ম এবং তাদের দুঃশাসনের ফলে দেশে আসে ইর্মাজেন্সি।

এদিকে এবারের নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনা এবং দেশের সেবা করার সুযোগ দেয়ায় সর্বস্তরের মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা আবার দেশের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এজন্য সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

এতে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের মধ্যে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে দেশের ৮৬ ভাগ মানুষ ভোট দিয়েছিল। ফলে ২০০৮ সালের তুলনায় এবার বেশি ভোট পড়েছে।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে দলটি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। আর যারা অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে, তারা কিভাবে আশা করে জনগণ তাদের ভোট দেবে। এমনকি তারা গাছ পুড়িয়েছে। এতিমদের টাকা মেরে খেয়েছে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে, মানি লন্ডারিং করেছে।

আরও খবর

  • ওয়াশিংটনে ২৬ মার্চকে ‘বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা
  • ‘মাদক ও ইভটিজিং মুক্ত প্রতিষ্ঠান হবে মোহনগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ’
  • ‘বিএনপি-জামায়াতের জন্যই গণহত্যার স্বীকৃতি মেলেনি’
  • ‘স্বাধীনতার সুফল পেতে শুরু করেছে দেশবাসী’
  • স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা, ২০ শিক্ষার্থী আহত
  • ফুল দিয়ে ফেরার পথে বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা
  • গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি রাজশাহীতেও
  • স্বাধীনতা দিবসে বিএসএফের জন্য বিজিবির মিষ্টি
  • শিশুরাই উন্নত সোনার বাংলা গড়বে : প্রধানমন্ত্রী
  • পিছিয়ে যাচ্ছে ৪০তম বিসিএস প্রিলির তারিখ
  • স্বাধীনতা দিবসে মেয়র লিটনের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য মিছিল
  • ফতুল্লায় ডাইং কারখানায় ভয়াবহ কেমিক্যাল বিস্ফোরণ
  • রাজশাহীতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • স্বাধীনতা দিবসে সড়কে প্রাণ গেল ২ স্কুলছাত্রীর



  • উপরে