শহরের ‘অল্প’ কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট : সিইসি

শহরের ‘অল্প’ কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট : সিইসি

প্রকাশিত: ০৯-১১-২০১৮, সময়: ০০:২২ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক থাকলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে শহরাঞ্চলের কিছু কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার ভাষণে তিনি বলেছেন, শহরগুলোর সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে দ্বৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় বেছে নেওয়া অল্প কয়েকটিতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনে সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্র ৪০ হাজার ১৯৯টি। এর মধ্যে কতটিতে ইভিএম ব্যবহার হবে, তা স্পষ্ট হয়নি সিইসির ভাষণে।

এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে ইসি এগিয়ে চলার পথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকলেও ঘোর বিরোধিতা ছিল বিএনপিসহ তার মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর। তাদের দাবি, এতে ‘ডিজিটাল কারচুপি’ হবে। এই অবস্থায় এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার আহ্বান ছিল আওয়ামী লীগের মিত্র দল জাতীয় পার্টিরও।

ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে সিইসি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ইভিএম ব্যবহার করা গেলে নির্বাচনের গুণগত মান উন্নত হবে এবং সময়, অর্থ ও শ্রমের সাশ্রয় হবে।

জেলা এবং অঞ্চল পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইভিএমের উপকারিতা সম্পর্কে ভোটারগণকে অবহিত করা হয়েছে। ইভিএম ব্যবহারে তাদের মধ্যে উৎসাহব্যঞ্জক আগ্রহ দেখা গিয়েছে। এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ ভোট গ্রহণে ইভিএম ব্যবহার ‘সফল হয়েছে’ বলে ভাষণে উল্লেখ করেন নূরুল হুদা।

আট বছর ধরে স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট পেপারের পাশাপাশি যন্ত্রে ভোটগ্রহণ চালু হলেও সংসদ নির্বাচনে এবারই তা প্রথম ব্যবহার হতে যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য নির্বাচনী আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। নানা বিতর্কের মধ্যে সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে সেই আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কিন্তু ততদিনে সংসদ অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন কার্যকর করা হয়। এতে খোলে সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পথ। এবার সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমার সুযোগও রাখা রয়েছে।

ইভিএম ও অনলাইনের বিষয়টি যুক্ত করে সংশোধিত নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও ইভিএম বিধিমালাও ইতোপূর্বে জারি করে ইসি। ইভিএম ব্যবহার শুরু হয়েছিল ২০১০ সালের জুন মাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে; সেবার স্বল্প পরিসরে যন্ত্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল।

ওই নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম ২০১৫ সালের এসে বন্ধ হয়ে যায়।পরবর্তীতে ডিজিটাইজড সুবিধা সম্বলিত নতুন ইভিএম তৈরি করে ইসি, যা ২০১৬ সালে রংপুর সিটি নির্বাচনে ব্যবহার হয়। তার দুই বছরের মাথায় সংসদে নতুন প্রযুক্তিটি চালু হচ্ছে।

সংশোধিত নির্বাচনী আইনে ইভিএমের ‘অপব্যবহার’ করলে সর্বনিম্ন তিন বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ইভিএম হ্যাকিং নিয়ে যে সন্দেহ উঠেছে, তা নিরসনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়। ইভিএমের পক্ষে বড় যুক্তি দেখানো হচ্ছে, এতে কাগজের ব্যালট ছাপানোর খরচ কমে, ভোট দেওয়া যায় সহজে এবং ফলাফল পাওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে।

Leave a comment

আরও খবর

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে আন্তর্জাতিক তিন পুরস্কার হস্তান্তর
  • রাজশাহীতে ভোটে লড়তে চান এক ডজন নারী
  • তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে ‘লেটস টক’ এ আসছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ভোট পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর
  • স্বতন্ত্র লড়বে জামায়াত, টার্গেট ৩০ আসন
  • মান্দায় দশ বছরে ৬৮ কি.মি. কাচা রাস্তা পাকা
  • আর্থিক সংকটে বিএনপি নেতারা
  • নৌকার টিকিট চান রাবির ৫০ সাবেক ছাত্রনেতা
  • ‘আ.লীগ জোটে আসছে যুক্তফ্রন্ট’
  • ‘নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে’
  • প্রার্থী তালিকা ফাঁস নিয়ে বিএনপিতে তোলপাড় (তালিকাসহ)
  • রাজশাহী বিভাগে আ.লীগ-বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন যারা
  • ৩০০ আসনে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন যারা (তালিকাসহ)
  • নওগাঁ-৪ আসনে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
  • রাজশাহীর ছয়টি আসনের মনোনয়ন তোলার হিড়িক


  • উপরে