মির্জা ফখরুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মির্জা ফখরুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮-১১-২০১৮, সময়: ১২:০৪ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : গণভবনে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসেছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ঐক্যফ্রন্টের ১১ নেতার মধ্যে শরিক বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন। বেলা সোয়া ১১ টা থেকে দুপুর সোয়া দুইটা পর্যন্ত দীর্ঘ তিনঘণ্টা সংলাপ চলে। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে কিছুটা অসুস্থ মনে হলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেন।

সংলাপ চলাকালেই বিএনপি মহাসচিবকে প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনাকে এমন লাগছে কেন?’ ফখরুল বলেন, ‘আমি অত্যন্ত অসুস্থ। হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছি।’ প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবেই জিজ্ঞেস করেন, কোথায় চিকিৎসা করাচ্ছেন? চিকিৎসা কেমন চলছে? উত্তর ফখরুল তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে কিছু তথ্য জানান। সব শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘না, আপনার চিকিৎসা তো ঠিকমতো হচ্ছে না। আপনার চিকিৎসা ঠিকমতো হওয়া দরকার। ঠিক আছে আপনি চিন্তা করবেন না, চিকিৎসার বিষয়টি আমি দেখবো।’

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটে। দুপুর সোয়া দুইটায় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ শেষ হয়। গতকালই আবার ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক ছিল। আর দাপ্তরিক কাজের তো শেষ নেই। এরপরও প্রধানমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের স্বাস্থ্যের বিষয়টি ভুলে যাননি। গতকাল রাতেই একান্ত ব্যক্তিগত একজন কর্মকর্তাকে ডাকেন প্রধানমন্ত্রী। মির্জা ফখরুলের স্বাস্থ্যগত সমস্যার বিষয়ে সব কাগজপত্র যোগাড় করতে বলেন তাঁকে।

যে বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত বলে প্রমাণিত, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে হত্যা ও প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন দণ্ড হয়েছে, সেই বিএনপি মহাসচিবের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন উদগ্রীব হলেন!

বিএনপি মহাসচিবের স্বাস্থ্যগত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদগ্রীব দেখে অনেকেরই বিস্মিত হন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে যাঁরা চেনেন তাঁরা মোটেই বিস্মিত হননি। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমনই। চরম শত্রুকেও তিনি আতিথেয়তা করতে ভোলেন না। চরম শত্রুরও স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেওয়া, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর মানবতাবোধ, ঔদার্যতা, দরদি হৃদয়ে চরম শত্রুরও স্থান হয়। চরম শত্রুকেও মানবিক সহায়তায় কুণ্ঠিত নন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এই অকুণ্ঠ ভালোবাসার জন্যই তো আজ তিনি পুরো বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতার আসনে আসীন।

আরও খবর

  • সব কোচিং সেন্টার এক মাস বন্ধ
  • ‘দুর্নীতির ‘কালো ব্যাধি’ থেকে সমাজকে মুক্ত করবো’
  • লন্ডন বার্তার অপেক্ষায় বিএনপির নীতিনির্ধারকরা
  • মোহনপুরের বিলে অবৈধভাবে পুকুর খননের মহোৎসব
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • বিজয় উৎসব: হতাশ শরিকরা
  • এরশাদের আশা ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা
  • দুর্নীতিকে ‘লাল কার্ড’ দেখাতে চান রাজশাহীর এমপিরা
  • উপজেলায় ‘স্বতন্ত্রভাবে’ অংশ নেবে বিএনপি
  • বিএনপির পদ ছাড়ার ইঙ্গিত তিন শীর্ষ নেতার
  • উত্তরবঙ্গের মাটির নিচে সোনা-রুপা
  • রেনীর পক্ষে সাংসদরাও
  • শরীর সুস্থ রাখতে নতুন ডায়েট
  • উপজেলায় সরব আ.লীগ, নীরব বিএনপি
  • দল পুর্নগঠনের দাবি জোরালো হচ্ছে বিএনপিতে


  • উপরে