পাহাড়ে যাওয়ার আগে নেবেন যে প্রস্তুতি

পাহাড়ে যাওয়ার আগে নেবেন যে প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ০১-০৮-২০১৯, সময়: ১৬:১৮ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বর্ষায় অনেকেই সবুজে ঘেরা পাহাড়ি এলাকায় চলে যান। আবার কারো উদ্দেশ্য থাকে ট্রেকিং অথচ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেই। এমন হলে কিন্তু যখন–তখন বিপদে পড়তে পারেন। এমন কি অসুস্থ হয়ে পড়াও ভিন্ন কিছু নয়। কাজেই ট্রেকিংয়ে যেতে চাইলে নিন ভাল প্রস্তুতি। কয়েকটি বিষয় একটু ভেবেই তবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিন। শুধু ট্রেকিংয়ে যাওয়ার আগেই নয়, সেখানে পৌঁছেও মেনে চলতে হবে কিছু বিষয়। যাওয়ার আগে ঠিক কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে জানেন?

যেখানে যাচ্ছেন সেখানের ঠাণ্ডা ও পরিবেশ–পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা আগে থেকেই রাখতে হবে। সেই অনুযায়ী ঠিক করতে হবে কীরকম পোশাক নেবেন। কয়দিন ধরে হাঁটতে হবে, রাস্তার পরিস্থিতি, স্থানীয় কোনো সমস্যা থাকলে সেসবও জেনে নিতে হবে। রান্নার সরঞ্জাম নিতে হবে কি না এসবও জানতে হবে। এছাড়া সঙ্গী হিসেবে কাদের বেছে নিচ্ছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ কারণ এমন স্থানে খুব মন খারাপ বা মেজাজও খারাপ হয়। তখন বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ না থাকলে সমস্যা।

শারীরিক প্রস্তুতি

অস্থিবিশেষজ্ঞ ও ট্রেকাররা বলেন, বয়স ৩০–৩৫–এর বেশি হলে বা কোনো অসুখ থাকলে চেক আপ করে নিন। ঠাণ্ডায় বা উচ্চতায় সমস্যা হবে কি না, হলে কী করতে হবে, সে সব জেনে নিন।

অ্যানিমিয়া থাকলে বা ওজন খুব বেশি হলে সে সব ঠিক করে নিন। না হলে শ্বাসের কষ্ট তো হবেই, হাঁটু–কোমরেরও ক্ষতি হবে। চিকিৎসক অনুমতি দিলে ৪–৬ মাস আগে থেকে ভাল জুতা পরে নিয়মিত ৩০–৪০ মিনিট হাঁটুন। শরীরের অবস্থা বুঝে গতি বাড়ান এতে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়বে।

ঘাসের উপর হাঁটুন। সিঁড়ি ওঠা–নামা বেশি করবেন না এতে হাঁটুর ক্ষতি হবে। অ্যাঙ্কল লেংথ ভাল গ্রিপ আছে এমন হাইকিং শু কিনুন। এক মাস আগে থেকে বড় মোজার সঙ্গে পড়ে এক ঘণ্টা হাঁটুন।

মদ্যপান কমান। কারণ অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় বেশি মদ খেলে শরীর গরম হওয়ার অনুভূতি হলেও আসলে ভিতরের তাপ আরো বেশি করে বাইরে বেড়িয়ে গিয়ে বিপদ বাড়ায়। সিগারেট খেলে শ্বাসে কষ্ট হয়। তাই এটা দ্রুত ছেড়ে দিন।হালকা খাবার খাওয়া শুরু করুন। কারণ ট্রেকিংয়ে ও রকমই খেতে হবে। আবার কম খেলে হাঁটার এনার্জি পাবেন না। আবার যদি এমন ওষুধপত্র খান যার সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক আছে, চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে, কোন পরিস্থিতিতে কী করবেন তা জেনে নিন।

উপরে