যেভাবে মানুষের মন জয় করবেন!

যেভাবে মানুষের মন জয় করবেন!

প্রকাশিত: ১৭-০৭-২০১৯, সময়: ১৯:৩১ |
Share This

পদ্মাটাইমস  ডেস্ক : মানুষের মন জয় করতে তো সবাই চায়। কিন্তু সে কাজ কি অতটাই সহজ? একেবারেই নয়। মানুষের মন জয় করা খুবই কঠিন কাজ। বিশেষ করে মেয়েদের মন জয় তো একেবারে দুঃসাধ্য। আপনি যদি মনে করেন আপনি খুব হ্যান্ডসাম, স্মার্ট, খুব ভাল কথা বলতে পারেন, আর তাতেই আপনি সমস্ত মানুষের মন জয় করায় একেবারে দক্ষ শিল্পী, তবে আপনি ভুল ভাবছেন। মানুষের মন জিতে নিতে গেলে আপনাকে রীতিমতো জানতে হবে কয়েকটি কলা-কৌশল।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এরকই কয়েকটি কৌশলের কথা:

১. চোখে চোখ: কারোর সঙ্গে কথা বলার কথা বলার সময়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। এতে বক্তার কথার গুরুত্ব বাড়ে। শ্রোতার মনোযোগও বাড়ে। কোনও সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে দর্শকদের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।

২. মনোযোগী শ্রোতা: কোনও মানুষের মনে জায়গা করে নিতে গেলে তার সমস্ত কথা মন দিয়ে শোনাটা খুবই প্রয়োজন। পারলে প্রশ্ন করুন, ভাল লাগলে কথার প্রশংসা করুন। এতে আপনার সামনের ব্যক্তি মনে করবেন, আপনি কথাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাতে তার মনে আপনার সম্পর্কে ভাল ধারণা হবে।

৩. একাগ্র চিত্ত: যখন কেউ আপনার সঙ্গে কথা বলছে তখন কোনও কাজ করবেন না। এতে সামনের মানুষের অবচেতন মনে আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হয়। এক মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কথা শোনার সময়ে অন্তত ৬৫ শতাংশ মানুষই মোবাইল ব্যবহার করেন।

৪. তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা: কথা বলার সময়ে আপনার বলার ঢঙে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ছোট-খাটো পরিবর্তন আনুন। আপনার সামনের মানুষটি যখন আপনার জানা কোনও কথাই আবার বলছেন তখন ‘আমি জানি’ না বলে, বলতে পারেন ‘তুমি একদম ঠিক বলেছো।’ তার কথায় সায় দিন এবং প্রশংসা করুন।

৫. সর্বদা সায় না: অনেকে মনে করেন সামনের মানুষটির সব কথায় সায় দিলেই হয়তো তার কাছে আপনি প্রিয় মানুষ হয়ে যাবেন। তা একেবারেই নয়। মানুষ প্রশংসা পেতে ভালবাসে ঠিকই, কিন্তু মাঝে মাঝে সে চায় কেউ তার কথার ভুলও ধরে দিক। সব সময়ে হ্যাঁ’তে হ্যাঁ, না’তে না, এইভাবে কথা বললে সেই কথোপকথন বেশিদূর এগোয় না।

৬. ভাবনার দৃষ্টিকোণ: কারোর সাথে কথা বলার সময়ে তার মতো করে ভাবার চেষ্টা করুন। সামনের মানুষটার পরিপ্রেক্ষিতে কী কথা বললে কথাবার্তা ঠিক দিকে এগোয় তা বোঝার চেষ্টা করুন। কখনই এমন কথা বলবেন না, যা অপর ব্যক্তি বুঝতে পারবেন না। কথোপকথন হল একটা দাঁড়িপাল্লার মতো। সব সময়ে সেই দাঁড়িপাল্লায় ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করুন।

৭. শরীরী ভাষা: যেকোনও কথোপকথনের সময়ে শারীরিক ভাষা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই কথা বলার সময়ে আপনার হাত-পায়ের দিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন কথা বলার সময়ে হাত-পা নেড়ে কথা বললে তাতে আপনার মনের পজিটিভনেস ফুটে ওঠে। আবার অনেক সময়ে আপনার চোখ অনেক কথা বলে দেয়। সেদিকেও কিন্তু লক্ষ রাখবেন।

উপরে