বাংলাদেশে এসকর্ট সার্ভিস!

বাংলাদেশে এসকর্ট সার্ভিস!

প্রকাশিত: ০৬-০৭-২০১৯, সময়: ১৭:২১ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব- কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এসকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত।

ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা। শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।

লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা, কিংবা কোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের কলগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা, তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)।

এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়, একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথে বিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে।

এসকর্ট এজেন্সির পরিচালকরা জানান, এরকম অনেক নারী রয়েছে যারা বিভিন্ন চাকরি করেন। কেউ গৃহিণী। তাদের ছবি রয়েছে এজেন্সির কাছে। অনেকের ছবি ওয়েবে দেয়া হয় না। সরাসরি দেখানো হয়।

আবার কোনো খদ্দের যদি ওয়েবসাইটে ছবি দেখে ফোনে, ই-মেইলে এজেন্সিতে যোগাযোগ করে এসকর্ট গার্লকে বাসায় নিতে চান। এরকম চুক্তি করেন। তখন এজেন্সি থেকে নির্ধারিত এসকর্ট গার্লকে ফোনে চুক্তির কথা জানানো হয়।

পরে সেই চুক্তি অনুযায়ী এজেন্সির দেয়া ঠিকানা মতো পৌঁছে যাবে এসকর্ট গার্ল। এজন্য আগেই তাকে অর্ধেক পেমেন্ট করতে হয়। বাকি অর্ধেক পাবে কাজ হওয়ার পর। আর এজেন্সিকে দিতে হবে নির্ধারিত একটি কমিশন। কমিশনের পরিমাণ ২৫ থেকে ৪০ পার্সেন্ট। এভাবেই অবাধে অনলাইনে চলছে যৌন ব্যবসা।

উপরে