যেসব কারণে শহরের মেয়েরা বেশি মোটা হয়!

যেসব কারণে শহরের মেয়েরা বেশি মোটা হয়!

প্রকাশিত: ১১-০৪-২০১৯, সময়: ১৬:৩৬ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে স্থূলতার (মোটা) হার ক্রমেই বাড়ছে। আর এক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের ওবেসিটির হার বেশি। আরও অবাক করার বিষয় হচ্ছে শহরের মেয়েরাই এই স্থূলতার সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। আর বাড়তি ওজনের কারণে বাড়ছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের অসুখ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের মতো বড় বড় ব্যাধিও। অকালে মৃত্যুবরণ করছেন অনেকে। সম্প্রতি কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শহরের মেয়েরা গ্রামের মেয়েদের তুলনায় বেশি মোটা হয়। মুটিয়ে যাওয়ার সঙ্গে শহরের জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশদূষণ ও জিনগত কারণ দায়ী।

শহরের মেয়েরা মোটা হয় কেন? শহরের মেয়েরা সকালের ব্রেকফাস্ট নিয়মিত করে না। সকালের ব্রেকফাস্ট না খেলে মোটা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খায়। আর এটি মোটা হওয়ার এটি সবচেয়ে বড় কারণ। জার্নাল অব নার্সিং অ্যান্ড হেলথের তথ্যমতে, তারা কায়িক পরিশ্রম কম করে। এতে অতিরিক্ত ক্যালরি জমে ওজন বাড়ে। শহর এলাকার মেয়েরা টিভি, ল্যাপটপ, ফোনে সময় বেশি দেয়। শহরের মেয়েরা গাড়ির ব্যবহার বেশি করে, কম হাঁটে। এটি তাদের স্থূল করে তোলে। তারা মাছ কম, মাংস জাতীয় খাবার ও সফট ড্রিঙ্ক জাতীয় পানীয় বেশি খায়।

এতে ওজন বেড়ে যায়। শহরের মেয়েরা রাতের খাবার দেরি করে খায়। সাইকোলজি টুডের গবেষণায় দেখা যায়, রাতের খাবার দেরি করে খেলে মোটা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ছাড়া শহরের মেয়েরা রাত জাগে, ঘুমায় কম। এটিও তাদের মোটা হওয়ার জন্য দায়ী। চকলেট, চিপস, আইসক্রিম বেশি খায়। এই অভ্যাস তাদের মোটা করে দেয়। এছাড়া হরমোনের সমস্যাও মোটা হওয়ার একটি বড় কারণ। শহরের দূষিত পরিবেশ ও জিনগত কারণ অনেকাংশে মেয়েদের মোটা হওয়ার জন্য দায়ীএমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়।

এ বার ভাতের অন্তত ৫০ শতাংশ ক্যালোরি কমানোর পদ্ধতিটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকৃ ভাত আর বাঙালির দীর্ঘদিনের একটা অন্তরিক সম্পর্ক রয়েছে যা চিকিৎসকের হাজার বারন করা সত্ত্বেও ছিন্ন হয় না। মেদ, ভুঁড়ি যতই বাড়ুক, এক বেলা ভাত না খেলে সারা দিনটাই যেন ‘মাটি’। তবে আর চিন্তা নেই! গবেষণায় এমন একটি পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে, যার মাধ্যমে ভাতের ক্যালোরি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে নেওয়া সম্ভব। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনটাই দাবি শ্রীলঙ্কার একদল গবেষকের।

শ্রীলঙ্কার ওই গবেষকরা জানাচ্ছেন, সব স্টার্চ এক রকম নয়। সরল স্টার্চ হজম হতে সময় কম লাগে আর জটিল স্টার্চ হজম হতে বেশি সময় লাগে। শরীরে যদি বেশি পরিমাণ গ্লাইকোজেন জমা হয় তা হলে মেদ কমানোর জন্য বেশি এনার্জির প্রয়োজন হয়। তাই চাল ফোটানোর আগে জলে নারকেল তেল দিলে স্টার্চ সহজে হজম করতে সাহায্য করে। এ বার ভাতের অন্তত ৫০ শতাংশ ক্যালোরি কমানোর পদ্ধতিটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকৃ

প্রথমে জল ফুটতে দিন। জল ফুটে উঠলে চাল দেওয়ার আগে জলের মধ্যে নারকেল তেল দিন। আধ কাপ চালের ভাত করার জন্য ১ চামচ নারকেল তেল মেশাতে হবে। চালের পরিমাণ বাড়লে, সেই অনুপাতে নারকেল তেলের পরিমাণও বাড়িয়ে নিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে তা ঠান্ডা করে নিন। খাওয়ার আগে অন্তত ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। খাওয়ার আগে পরিমাণ মতো ভাত গরম করে নিন। ব্যাস, ওই ভাত খেলেও মেদ বাড়বে না। মোটা হওয়ার কোনও ভয় থাকবে না।

আরও খবর




উপরে