রাসিক নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জঙ্গি হামলার নীল নকশা

রাসিক নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জঙ্গি হামলার নীল নকশা

প্রকাশিত: ১৭-০৭-২০১৮, সময়: ১৪:৩৫ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি যখন জমজমাট তখন বিএনপি লিপ্ত নতুন ষড়যন্ত্রে। নির্বাচনের প্রস্তুতির আড়ালে বিএনপি তৈরী করছে সহিংসতার নীল নকশা। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত জোট শুরু করেছে জঙ্গি তৎপরতা।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বুলবুল বিএনপি-জামায়াতের তৃণমূলের কর্মীদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করছে রাজশাহীতে সহিংসতা সৃষ্টির লক্ষ্যে।

এই জঙ্গি তৎপতার মূলহোতা বাংলা ভাইয়ের স্রষ্টা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, যে কিনা বর্তমান বিএনপির কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। নাটোর তথা পুরো রাজশাহীকে বিএনপির জঙ্গি ঘাঁটিতে রূপ দেয়ার জন্য সে সৃষ্টি করেছিল জঙ্গি বাংলা ভাইসহ নাম না জানা আরো অনেক জঙ্গি।

বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ভূমি উপমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার প্রত্যক্ষ মদদে সৃষ্টি হয় বাংলা ভাই ও জেএমবি। এই সময়েই চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাতি সে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে উঠে।

তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে তার নানান রকমের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। যুবলীগ নেতা পলাশ কর্মকারের হত্যার সাথে সে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। হত্যা মামলা ছাড়াও তার উপর এলাকার মেয়েদের তুলে নেয়া ও ধর্ষণের অভিযোগের সংখ্যা অগণিত।

এক গোপন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানের বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও দুলুর মধ্যে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শহরের কিনারার একটি হোটেলে সোমবার দিবাগত রাতে এ বৈঠক হয়। যেখানে দুলু বুলবুলকে নির্বাচনে সহিংসতা সৃষ্টির জন্য বিপুল পরিমানে অর্থ সরবরাহ করেন। আর এই বৈঠকের পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত রাজশাহীর সাবেক মেয়র ও বর্তমানে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।

তাদের এই গোপন বৈঠকের পরপরই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ করেই নগরীর ২১ নং ওয়ার্ডে সাগরপাড়া এলাকায় জেলা ছাত্র দলের নামে বাহির থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীদের পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ করে জনমণে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের মাধ্যমে জানা যায়, তিনটি মোটর বাইকে করে ছয়জন যুবক এসে কিছু বুঝে উঠার আগেই তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়। তারা জানান ছয়জন যুবক সবাই নগরীর বিএনপি নেতা মিজনুর রহমান মিনু ও কুদ্দুস তালুকদার দুলুর অনুসারী। যাদের মধ্যে একজনের নাম আবেদ। তিনি বিএনপির কর্মী। এছাড়াও এ পথ সভার আগ মুহুর্তে বিএনপির আরেক নেতা ও চারঘাট উপজেলার চেয়ারম্যান একাধিক নাশকতা মামলার আসামী আবু সাঈদ চাঁদ সেখান থেকে চলে যান। তার এলাকা থেকে বেশ কিছু যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীকে আনা হয়েছিল ওই পথ সভায়।

মূলত, এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই পরিকল্পিত সহিংসতার নীল নকশার কলকাঠি নাড়ছে বুলবুল ও দুল। তাছাড়া বুলবুল রাজশাহীতে অতীতেও এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোয় জনমনে আতঙ্ক বিরাজমান। সূত্র- অদ্বিতীয় বাংলা

আরও খবর

  • রাজশাহী-৪ আসনে শক্ত অবস্থানে গুরু-শিষ্য
  • তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
  • চমকের অপেক্ষায় বাগমারা বিএনপি
  • রাজশাহী-৩: দুশ্চিন্তায় আয়েন, সমানে সমান আসাদ-বাবু
  • রাজশাহী-৩ আসনে মিলনের স্বপ্নের কাধে দুই হেভিওয়েট
  • সিলেটে ব্যবধান বাড়িয়ে ৬২০১ ভোটে জয় বিএনপির আরিফুলের
  • প্রার্থী তালিকা চূড়ান্তে শেখ হাসিনার গুডবুকে যারা
  • রাজশাহী-১ এ তৃণমূলে চৌধুরী, সাতে মতিউর
  • রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির দুশ্চিন্তা জামায়াত
  • রাজশাহী সদরে জোটে বাদশা, আ.লীগে ডাবলু
  • রাজশাহী সদর আসনে কে?
  • বাবার বিজয়ে মেয়ের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
  • এমন নির্বাচনই চেয়েছিলাম : বুলবুল
  • তিন সিটির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ছিল : জয়
  • যে কারণে ধরাশায়ী বুলবুল


  • উপরে