এবার মিনু

এবার মিনু

প্রকাশিত: ১৫-০৫-২০১৮, সময়: ১৫:৩৯ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচন আগামী জুলাইয়ে। ইতোমধ্যেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। নির্বাচনের পুরো প্রস্তুতিতে মাঠে নেমেছেন ক্ষমতাশীন দলের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ দলটির নেতাকর্মীরা।

কিন্তু এখনো চুপচাপ বিএনপি। রাসিক মেয়র ও নগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নির্বাচন করতে চান। তবে বিএনপির হাইকমান্ড কী সিদ্ধান্ত নেয় বা কাকে প্রার্থী করতে চায় তা এখনো নিশ্চিত নন বুলবুল ও তার সমর্থকরা। তবে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা গুনঞ্জন শুরু হয়েছে রাজশাহীর নেতাকর্মীদের মধ্যে। গাজীপুর ও খুলনার মতে রাজশাহীতেও প্রার্থী পরিবর্তনের গুনঞ্জন রয়েছে দলটির কেন্দ্রেও। ফলে এ নিয়ে চিন্তিত বুলবুল ও তার সমর্থকরা।

রাজশাহীতে মেয়র পদে প্রথম ভোট হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। সেবার জিতেছিলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু। ২০০২ সালের নির্বাচনেও জয় পান তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি মেয়রের দায়িত্ব পালন করে। ২০০৮ সালে মিনু কারাগারে থাকায় ভোটে দাঁড়াননি। বিএনপি প্রার্থী করে সে সময়ের যুবদল নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের ওই নির্বাচনে জিতেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তবে নানা সমীকরণে ২০১৩ সালে লিটনকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তবে দুইটি নির্বাচনে রাসিকে ছাড় দিলেও এবার তাতে রাজি নন মিজানুর রহমান মিনু। এবার সিটি নির্বাচনে মিনু প্রার্থী হতে চান বলে তার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র দাবি করেছেন।

এবার গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী পরিবর্তন করে। বর্তমান মেয়রদের বাদ দিয়ে সাবেক সাংসদদের মনোনয়ন দেয় বিএনপি। এছাড়াও বিএনপিতে প্রার্থী বদলের জোর দাবি উঠেছে বরিশালেও। ওই তিন সিটির প্রেক্ষাপটে নড়ে চড়ে উঠেছেন সাবেক মেয়র ও সাংসদ মিজানুর রহমান মিনু ও তার সমর্থকরা। রাজশাহীতে প্রার্থী পরিবর্তনের পক্ষে মাঠে নামছেন তারাও।

নগর বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, মিনুর সঙ্গে বুলবুলের বিরোধ এখনও সক্রিয়। ফলে মিনুর অনুসারীরা বুলবুলকে প্রার্থী হিসেবে মানতে পারছেন না। তারা চাইছেন, এবার মিনুই নির্বাচন করুক। এ ছাড়াও নানা কারণে বুলবুলের জনপ্রিয়তাও কমেছে। ফলে এ সিটি করপোরেশন নিজেদের দখলে রাতে মিনুর বিকল্প নেয় বলে মনে করছেন তারা।

সূত্রমতে, মিনুকে নিয়েই চিন্তিত বুলবুল ও তার সমর্থকরা। ফলে তারা ভোটের প্রস্তুতিতে এগুতে পারছেনা। সূত্রটির দাবি, এবার রাসিকে জামায়াত নির্বাচন করতে চায়। ইতোমধ্যেই তারা প্রার্থীর ঘোষণা দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। জামায়াতের প্রার্থী থাকলে বিএনপিকে এ সিটি করপোরেশন হারাতে হবে। কিন্তু বুলবুলকে দিয়ে জামায়াতকে ম্যানজ করা সম্ভাব নয়। একমাত্র মিনুই পারে জামায়াতের সমর্থন আদায় করে তাদের নির্বাচনের বাহিরে রাখতে। এ নিয়ে ইতোমধ্যেই জামায়াতের সঙ্গে মিনুর কথাও হয়েছে। তবে এর বিনিময়ে সদর ও রাজশাহী-৩ আসন ছেড়ে দেয়ার শর্ত জামায়াত দিয়েছে বলেও সূত্রটি দাবি করেছেন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের শেষ নির্বাচনে ভোট হয় ২০১৩ সালের ১৫ জুন। লিটনকে হারিয়ে মেয়র হন বুলবুল। শপথ নেন ওই বছরের ২১ জুলাই। দায়িত্ব পান ১৮ সেপ্টেম্বর। সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী করপোরেশনের প্রথম সভা থেকে আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোটের বাধ্যবাধকতা আছে। তবে জুলাইয়ে ভোট হবে, সম্প্রতি রাজশাহী সফরকালে জানিয়ে গিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।

Leave a comment

আরও খবর

  • বাগমারায় ইয়াবা চক্রে জনপ্রতিনিধি
  • ‘আমাদের লক্ষ্যই রাজশাহীর উন্নয়ন’
  • প্রধানমন্ত্রী ডি.লিট ডিগ্রি উৎসর্গ করলেন বাঙালিদের
  • রাজশাহীতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পক্সি, আটক ৫
  • সারাদেশে বন্দুকযুদ্ধে ১১ মাদক ব্যবসায়ী নিহত
  • রাজশাহীর ‘মাদকের ড্যান্ডি’র গডফাদাররা অধরা
  • ‘মাদকের পর দূর্নীতি’
  • রাজশাহী নগরে নারীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ছিনতাই
  • সিংড়ায় বিএ-বিএসএস পরিক্ষায় ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
  • দুই প্রতিবেশী দেশ একসাথে চলতে চাই: শেখ হাসিনা
  • মাদকবিরোধী অভিযানে আরও ১১ জন নিহত
  • রাজশাহীর দুইটিসহ ১০০ আসনে আ.লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত
  • সিটি নির্বাচনে প্রচারণা চালাতে পারবেন এমপিরা
  • গুলিতে আরও ৯ মাদক বিক্রেতা নিহত
  • ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ১ জুন থেকে


  • উপরে