রাজশাহীর উন্নয়নে ৩৮ প্রস্তাব

রাজশাহীর উন্নয়নে ৩৮ প্রস্তাব

প্রকাশিত: ২৬-০৪-২০১৭, সময়: ১৮:৪৪ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে পাক-বাজেট বিষয়ক মতবিনিময় করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান। বুধবার বিকেলে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন রাজশাহীর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ের কর্তকর্তারা।
মতবিনিময়কালে রাজশাহীর উন্নয়নে শিল্প বিকাশে ৫০ ভাগ ভ্যাট ও আয়কর কমানো ও রেশম শিল্প রক্ষার জন্য বিনা সুদের এক হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ দেয়াসহ ৩৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন  রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য পারভেজ ইকবাল, র‌্যারিষ্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম সচিব লুৎফর রহমান, রাজশাহীর কর কমিশনার দবির উদ্দিন ও রাজশাহীর কাস্টম কমিশনার মোয়াজ্জোম হোসেন।

২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট রাজশাহী বিভাগের উন্নয়নে প্রস্তাবগুলো হলো:
০১।    ১ জুলাই হতে ভ্যাট অনলাইন হচ্ছে, এক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উন্নয়নের লক্ষে ৫০,০০০০০ টাকা পর্যন্ত ভ্যাট শূণ্য করার প্রস্তাব করছি, সেই সঙ্গে সকল ব্যবসায়ীদের জন্য ভ্যাট ৭% নির্ধারনের প্রস্তাব করছি।
০২।    অনুন্নত রাজশাহীকে উন্নত করতে শিল্প বিকাশের বিকল্প নেই।  রাজশাহীর শিল্প বিকাশের লক্ষে ৫০% ভ্যাট ও আয়কর কমানোর প্রস্তাব করছি।
০৩।    ঠিকাদারগণ সরকারী দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাওয়ার পর চুক্তিপত্রে যে ভ্যাট-ট্যাক্স এর উল্লেখ থাকে পরবর্তী বছরে ভ্যাট ও আয়কর বৃদ্ধি পেলে তা তাৎক্ষনিকভাবে বৃদ্ধিকৃত ভ্যাট ও আয়কর আরোপ করা হয়। এতে করে ঠিকাদার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই চুক্তির পরে যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠাণ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট ও আয়কর আরোপ করা হয়েছে তা ফেরৎ প্রদান এবং পরবর্তী চুক্তির সময় কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ভ্যাট ও আয়কর একই রাখার জন্য বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আইনের মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব করছি।
০৪।    যে সকল ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠান “সুপার ট্যাক্স” এর আওতায় পড়ছে তাদের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা না চাপিয়ে, যেহেতু তারা অধিক পরিমানে ট্যাক্স দিচ্ছে সেহেতু তাদের প্রনোদনা প্রদানের সুপারিশ করছি।
০৫।    পিছিয়ে পড়া রাজশাহী বিভাগের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন এই বিভাগে শিল্পের উন্নয়ন ঘটানো। শিল্প উন্নয়নের জন্য বিভাগ ভিত্তিক আলাদা বাজেটসহ কর অবকাশ, স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ ও আলাদা উন্নয়ন পরিকল্পনার সুপারিশ করছি।
০৬।    বেসরকারী উদ্যোগে শিল্প পার্ক করার জন্য ভূমি ক্রয়ের লক্ষে ৫% সুদে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি এবং রাজশাহীর ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়নের লক্ষে পাঁচশ একরের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করার জন্য প্রস্তাব করছি।
০৭।    আভ্যন্তরিণ চাহিদা মেটাতে কৃষি ভিত্তিক বহু মুখি খাদ্য প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ৫% সুদে ১০০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
০৮।    রাজশাহীর শিল্প কারখানায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক অতিদ্রুত সহজ শর্তে ও সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করছি। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলায় শিল্পভিত্তিক গ্যাস সংযোগ দেওয়ার জন্য দাবী জানাচ্ছি। এছাড়া রেস্তারা/হোটেল গুলিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ এবং সেই সাথে রাজশাহীর পশ্চিমাঞ্চল অফিস থেকে শিল্প কারখানায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের জন্য সুপারিশ করছি।
০৯।    দেশে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষে শিল্প নগরী সমূহের জন্য বিদ্যুতের স্পেশাল ফিডার লাইন স্থাপন করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার জন্য সুপারিশ করছি।
১০।    রিয়েল এষ্টেট ব্যবসাকে শিল্প হিসেবে পরিগনিত করার জন্য সুপারিশ করছি।
১১।    রাজশাহীবাসীর প্রাণের দাবী রাজশাহীতে অবস্থিত টেক্সটাইল মিল ও রাজশাহী রেশম কারখানা বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক নারী ও পুরুষ শ্রমিক বেকার হয়ে গেছে। এই মিল দুটি অতিসত্বর সরকারী ব্যবস্থাপনায় চালু করার জন্য সুপারিশ করছি।
১২।    আমরা জানি মাননীয় প্রধামন্ত্রী রাজশাহী সিল্কের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। এবং সেই লক্ষে রাজশাহী “সিল্কি সিটি” ব্রান্ডেড হতে চলেছে সেহেতু এই শিল্পের পুনুরুদ্ধারের জন্য বিনা সুদে প্রান্তিক মহিলা ও কৃষককে তুত চাষে উৎসাহিত করা এবং শিল্প স্থাপন ত্বরান্বিত করার জন্য আগামী বাজেটে বিনা সুদে ১০০০ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ এবং ভ্যাট ও কর রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
১৩।    ইট ভাটায় আরোপিত ভ্যাটের প্রথম কিস্তি ৩১ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে কিন্তু ডিসেম্বর মাসে ইটের উৎপাদন শুরু হয়না বিধায় প্রথম কিস্তির টাকা ৩১ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩১ জানুয়ারী, দ্বিতীয় কিস্তি ১৫ ফেব্রুয়ারীর পরিবর্তে ১৫ মার্চ এবং তৃতীয় কিস্তি ১৫ মার্চ এর পরিবর্তে ১৫ এপ্রিল ধার্য করার প্রস্তাব করছি।
১৪।    উত্তরাঞ্চল বাংলাদেশের সিংহভাগ খাদ্যশস্য উৎপাদন ও বিপনন করে থাকে। সরকার কৃষি খাতে যে ভূর্তুকী প্রদান করছেন তা অপ্রতুল। এখাতে আরো ভূর্তুকী প্রদান করে কৃষিখাতকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রান্তিক চাষীদেরকে ডিজেলে ভূর্তুকী দেয়া হলেও সকল চাষী এই সুবিধা পাচ্ছে না। এখাতে সকল চাষিকে সম্পৃক্ত করার জন্য সুপারিশ করছি।
১৫।    বর্তমান প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য পূর্ন ডেইরী ফার্ম করার লক্ষে ৫% সুদে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
১৬।     দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির প্রোটিনের চাহিদা পূরণের লক্ষে পোল্ট্রি ফার্ম উদ্যোক্তাদের ৫% সুদে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
১৭।    রাজশাহীর আলু এই বিভাগের চাহিদা মিটিয়ে দেশের সিংহভাগ চাহিদা মেটাচ্ছে বিধায় আলু সংরক্ষণের লক্ষে কোল্ড ষ্টোরেজের বিদ্যুৎ বিলে ২০% প্রনোদনা বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
১৮।    কৃষি প্রধান অর্থনীতির শহর রাজশাহীর চাউল মিল গুলিকে সাবসিডি দিয়ে গতিশীল করে তোলার সুপারিশ করছি।
১৯।    মৎস খামারীদের জন্য মাছ উৎপাদনের ব্যবহৃত খাবার যাতে ভেজালমুক্ত, নিরাপদ ও জনস্বার্থের হুমকি না হয় সেজন্য রাজশাহীতে একটি মৎস খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য সুপারিশ করছি।
২০।    বর্তমানে প্রানি সম্পদ দেশের একটি গুরুত্বপূর্ন শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে আছে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগী। এ বিভাগে রয়েছে প্রায় ১.২৮ কোটি গবাদি পশু ও ৭.৫ কোটি হাঁস-মুরগী এবং প্রায় ৮০ ভাগ পরিবার গবাদি পশু প্রাণী ও হাঁস-মুরগী লালন পালনের সাথে জড়িত। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উন্নত জাতের পশু পাখির খামার এ অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এ বিভাগে গবাদি পশুর বাণিজ্যিক খামার প্রায় ২০ হাজার এবং হাঁস মুরগীর খামার প্রায় ১৫ হাজার-
ক)    খামারীদের উৎপাদিত দুধের মূল্য নিশ্চিতকরনে মিল্ক ভিটা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ ও চিলিং প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন।
খ)    দুধ বাজারজাত করনের জন্য সকল সিটি কর্পোরেশন/পৌর এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত তরল দুধের কাঁচা বাজার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন।
গ)    সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌর এলাকায় স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক স্লটার হাউস নির্মান এবং মাংস প্রক্রিয়াজাত করন কারখানা ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র নির্মানের উদ্যোগ গ্রহনের সুপারিশ করছি।
ঘ)    প্রতিটি জেলায় প্রানিজাত দুধ, ডিম, মাংস সংরক্ষন ও বিপননের লক্ষে পৃথক কোল্ড ষ্টোর নির্মান করার জন্য সুপারিশ করছি।
২১।    রাজশাহীতে বর্তমানে ৪টি জুট মিল বেসরকারী পর্যায়ে স্থাপিত হয়েছে। যেখানে প্রায় ২০,০০০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। সুতলী এবং জুট ব্যাগ রপ্তানির ক্ষেত্রে এর উপর আরোপিত সাবসিডির হার ১০% রাখার সুপারিশ করছি। এছাড়া রপ্তানীকারকদের রপ্তানী সংক্রান্ত বিল পরিশোধের উপর পি আর সি তাড়াতাড়ি ইস্যু করার ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করছি যেন রপ্তানীকারকরা সময় নষ্ট না করে তাদের প্রাপ্য সাবসিডি দাবী করতে পারে।
২২।    হাটিকুমরুল থেকে সোনামসজিদ স্থল বন্দর পর্যন্ত রাস্তাটি অতি সত্ত্বর চার লেনে উন্নতি করার জন্য সুপারিশ করছি।
২৩।    পণ্য পরিবহনে সবচেয়ে সস্তা নৌপথ উন্নয়নের লক্ষ্যে পদ্মা সহ সংশ্লিষ্ট নদীগুলোকে ড্রেজিং করার মাধ্যমে নৌপথ উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ সুপারিশ করছি।
২৪।    রাজশাহী থেকে আব্দুলপুর পর্যন্ত ট্রেনের লাইন ডুয়েল গেজ করার জন্য সুপারিশ করছি।
২৫।    রাজশাহী থেকে পার্বতীপুর যাওয়ার জন্য আব্দুলপুরে একটি বাইপাস রেললাইন (ডুয়েল গেজ) স্থাপন করার জন্য সুপারিশ করছি।
২৬।    বর্তমানে রেলযোগে ভারত থেকে যে সব পণ্য আসে তা রহনপুরে খালাস করা হয় কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকার কারনে একটি ট্রেন পণ্য খালাস করে ফেরত গেলে আরেকটি প্রবেশ করে। এখানে একটি ট্রেন এসে ফেরত গিয়ে আর একটি ট্রেন আসতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। আমনুরাতে পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকার কারনে সেখানে শুল্ক ষ্টেশন করলে দিনে ২/৩ টি ট্রেন আসা যাওয়া করতে পারবে এবং পণ্য খালাশ করা যাবে সেই সাথে রাজস্ব আদায়ও বেশি হবে।
২৭।    রাজশাহী বিমান বন্দর থেকে কৃষি পণ্য রপ্তানির সুবিধার্থে কার্গো বিমান চালু এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ করছি। সেই সাথে রাজশাহী বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন ও কাষ্টমস হাউস স্থাপন করে আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দরে উন্নিত করার প্রস্তাব করছি।
২৮।    বাংলাদেশ ব্যাংকের ইকুইটি এন্ড এন্টারপ্রেনারশীপ ফান্ড (ইই এফ ফান্ড) আই সি বি এর মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়। আই সি বি এর উক্ত ফান্ড বিতরনের কোন শাখা রাজশাহীতে নাই। রাজশাহীতে আই সি বি এর ফান্ড বিতরনের শাখা স্থাপনের জন্য সুপারিশ করছি।
২৯।    মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর স্বপ্নের “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ে তোলার লক্ষে আই সি টি খাতে বেসরকারী বিনিয়োগ উদ্ধুদ্ধ করতে ৫% সরল সুদে ১০০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
৩০।     দেশের জনগণকে প্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষে বেসরকারী খাতে বিনা সুদে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দর প্রস্তাব করছি সেই সাথে আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের প্রস্তাব করছি।
৩১।    আমদানীযোগ্য সকল কাঁচামালের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে দেশীয় শিল্পের উন্নয়নের লক্ষে যে সকল পণ্য দেশে উৎপাদন হয় সে সকল পণ্য আমদানী নিরুৎসাহীত করতে শুল্ক বৃদ্ধির সুপারিশ করছি।
৩২।    যে সকল ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রোনিক্স পণ্য অথবা পণ্যের যন্ত্রাংশ আমাদের দেশে উৎপন্ন হয় সে সকল পণ্য ও পণ্যের যন্ত্রাংশ আমদানীর ক্ষেত্রে আমাদানী শুল্ক সহ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার সুপারিশ করছি।
৩৩।    সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের বিজিবি চেকপোষ্টের দূরত্ব ১ কিমি. বৃদ্ধিসহ দুই দেশের যানবাহন আগমন ও প্রস্তানের পথ প্রসস্থ করার জন্য সুপারিশ করছি।
৩৪।    পিছিয়ে পড়া শিক্ষা নগরী রাজশাহীতে শিক্ষা ক্ষেত্রে সকল প্রকার বিনিয়োগ করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি।
৩৫।     কোম্পজিট টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, চামড়া, বহুমূখী পাটজাত পণ্য, এই শিল্প গুলির জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দর প্রস্তাব করছি যেন শ্রম বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। একই সঙ্গে আয়কর ট্যাক্স রেয়াতসহ ব্যাংক সুদের হার ৫% এ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।
৩৬।     যেহেতু স্বাস্থ্য সেবার জন্য উল্লেখযোগ্য সংক্ষক রোগী ভারত মুখী হয়, সেহেতু স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষে ৫% সুদে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং আয়কর ও ভ্যাট রেয়াতের সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।
৩৭।    রাজশাহীতে ক্রিকেট টেষ্ট ভেন্যু এবং ঐতিহ্যবাহী পুরানো বিভাগ হওয়া সত্বেও কোন রিসোর্ট ও পাঁচ তারকা হোটেল নেই  সে লক্ষ্যে বেসরকারী উদ্যোগে একটি রিসোর্ট ও পাঁচ তারকা হোটেলের জন্য ২০ বছর মেয়াদে ৫% সুদে ২০০ কোটি টাকার থোক বরাদ্দের জন্য প্রস্তাব করছি।
৩৮।    নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি করার লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক বিনা জামানতে ২৫,০০,০০০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলে ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তা দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে না। সেই লক্ষে ৫% সুদে ১০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দর প্রস্তাব করছি।

উপরে