নারীর স্তন কেটে বিক্রি করত এই যুবক

নারীর স্তন কেটে বিক্রি করত এই যুবক

প্রকাশিত: ১২-০৬-২০১৯, সময়: ১৮:৩৭ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নারীর প্রতি কি নির্মম নিষ্ঠুরতা! বিভিন্ন বয়সের নারীদের স্তন কেটে নিয়ে তা বিক্রি করে দিতেন কেনিয়ার নাইরোবিতে বোনিফেস কিমনিয়ানো নামে এই যুবক। দুই বছর ধরে এই ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। স্তনগুলোর আকার অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হতো। যতবড় স্তন তত বেশি দাম হাকাঁতো! তবে তিনি এখন এ ধরনের অপকর্ম থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এ ঘটনা কেনিয়ার পুরো জাতিকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল।

সংবাদমাধ্যম কেটিএন-কে দেওয়া একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে বোনিফেস কিমনিয়ানো এসব কথা জানান। তিনি যেসব নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তাদের বেশিরভাগই ছিলেন যৌনকর্মী। সম্পর্ক তৈরী করার পর ওই নারীদের স্তন কেটে ফেলতেন তিনি।

কিমনিয়ানো বলেন, আমরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে নারীদের তুলে আনতাম এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের স্তন কেটে নিতাম। কিমানিয়ানো জানান, তারা বেশিরভাগ অভিযান চালাতেন কোয়েনাঞ্জ স্ট্রিট এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে, যেখানে যৌন কর্মীরা অবাধে চলাফেরা করতেন।

তিনি বলেন, নারীদেরকে স্তন কেটে বিক্রি করার আগে আমরা তাদেরকে ফাঁদে ফেলতাম। তিনি বলেন, আমরা ‘ফ্লেক্সর’ নামের রাসায়নিক ব্যবহার করে নারীদের ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। এরপর তাদের স্তন কেটে ফেলতাম।

পেশী ব্যথা চিকিৎসার ক্ষেত্রে ‘ফ্লেক্সর’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এর অপব্যবহার করা হয় তবে মাথা ঘোরা এবং সংজ্ঞানাশ হতে পারে। তিনি বলেন, কিছু লোক ছিল আমাদের নির্দেশদাতা। তাদের মতে, এটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। আমাদের কাজ ছিল কেবল স্তন সংগ্রহ করা এবং ‘বডি ব্রোকার’দের কাছে সেগুলো পৌঁছে দেওয়া।

কিমানিয়ানো জানান, স্তনগুলো আকার অনুযায়ী স্থানীয় মুদ্রায় ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজারে বিক্রি করা হতো। তিনি বলেন, যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো হতো আমাদের জন্য। আকারের উপর নির্ভর করে আমাদেরকে ম্ল্যূ প্রদান করা হতো।

কিমানিয়ানো স্বীকার করেন যে, ওই কাজ করে তাদের উপার্জন ভালই ছিল।কিন্তু তিনি নিজের হাতে নারীদের ওই কষ্টভোগ দেখে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তিনি ওই কাজ করেছিলেন ড্রাগের খপ্পরে পড়ে।

তিনি বলেন, ‘ব্লু মার্সিডিজ ড্রাগস’ বা ‘রেড ডেভিলস পিলস’ গ্রহণ করার পরে আপনি যেকোনো কিছু করতে পারেন (এই ড্রাগস বোধশক্তি নষ্ট করে ফেলে)। তবে কয়েক মাস পরে ওই গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। মানবদেহের গোপনাঙ্গসহ বিভিন্ন অংশ প্রধান হাসপাতগুলোতে বিক্রির অপরাধে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এরপর থেকে ওই বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি জানান, আমার সঙ্গীদের বেশিরভাগই ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হয়েছে। নগরের একটি হাসপাতালে মানবদেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিক্রি হচ্ছে-এমন একটি খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

Leave a comment

আরও খবর

  • শ্রীলংকায় গণহারে মুসলিম গ্রেপ্তার
  • ইরানকে মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যে আরো সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন জিনপিং
  • চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভূমিকম্পে নিহত ১২
  • তোপের মুখে বদ্ধ হলো সৌদির ‘হালাল নাইটক্লাব’
  • ২০৫০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৯৭০ কোটি
  • মিয়ানমারে ত্রাণ বন্ধ করার হুমকি দিল জাতিসংঘ
  • ফিলিস্তিনের সমস্যা সমাধানে এশিয়ার নেতাদের এগিয়ে আসতে বললেন এরদোগান
  • পাক মন্ত্রিসভায় হুলো বিড়াল
  • তৃণমূলের যে দাবিতে মমতাকে দিল্লি ডাকলেন মোদি
  • ভারতে বাজেট অধিবেশন শুরু আজ
  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-আবে ফোনালাপ
  • ভারতে তীব্র দাবদাহে ৪০ জনের মৃত্যু
  • অবশেষে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেতে যাচ্ছে সেই সৌদি কিশোর!
  • কেনিয়ায় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ৮ পুলিশ নিহত



  • উপরে