কিডনি ডায়ালাইসিস হবে সব জেলায়

কিডনি ডায়ালাইসিস হবে সব জেলায়

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০; সময়: ১০:৫৬ অপরাহ্ণ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগের নিয়েছে সরকার। এজন্য ২৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকার একটি প্রকল্প মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক অনুমোদন দিয়েছে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সভার পর পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. নূরুল আমিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জেলা হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে কিডনি রোগের চিকিৎসা হলেও রোগীর সংখ্যায় তা খুবই অপ্রতুল। অথচ কিডনি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

“এমন পরিস্থিতিতে গ্রামের কিডনি রোগীদের জেলা শহরেই উন্নত চিকিৎসা দিতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।” প্রকল্পটিসহ মঙ্গলবারের একনেক বৈঠকে মোট ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন খাতের মোট নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। পুরো ব্যয়ের যোগান হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে, যার মধ্যে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা সরকারের তহবিল থেকে আসবে। বাকি ৩১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে।

পরিকল্পনা সচিব বলেন, এছাড়া গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ফাইভ-জি সেবা দিতে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের জন্য ৩ হাজার ২৭৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৃতীয় পক্ষকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ ফেরত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। টেলিটকের কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদনের নির্দেশও দেন তিনি।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক বিভাগের দুটি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের তিনটি, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি রয়েছে। এগুলো হলো-সড়ক বিভাগের ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে বানেশ্বর (রাজশাহী)-সারদা-চারঘাট-বাঘা-লালপুর (নাটোর)-ঈশ্বরদী (পাবনা), (আর ৬০৬) জেলা মহাসড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কের মানে উন্নীতকরণ ও ২১৭ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক (আর ৫৭০) প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ; ৫৭৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জের বিবিয়ানা বিদ্যুৎকেন্দ্রসমুহের সম্মুখে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা। শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৩০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে তেজগাঁওয়ে বিসিকের বহুতল ভবন নির্মাণ; ২৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বিসিক প্লাস্টিক নগরী নির্মাণ; ও ৭৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বিসিকের আটটি শিল্প নগরী মেরামত ও পুনঃনির্মাণ।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুসঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়নে ১৪৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মোট ৩৩৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সংশোধিত প্রকল্প।

উপরে