বাঘায় ভোটের মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

বাঘায় ভোটের মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

প্রকাশিত: 11-10-2019, সময়: 19:30 |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পোষ্টার ছেঁড়া, প্রচারনায় বাধা প্রদানসহ ভোট কেন্দ্রে গেলে হাত, পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ করেছেন পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী ফকরুল হাসান বাবলু (আনারস)। ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজের সমর্থকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।

এছাড়াও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনে বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা ও লিখিত অভিযোগ গ্রহন না করার বিষয়েও অভিযোগ করেছেন ফকরুল হাসান বাবলু। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন ও রিটারিং কর্মকর্তা ও ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মেরাজুল ইসলাম মেরাজ (নৌকা)এর সমর্থকরা ফকরুল হাসান বাবলুর লোকজনকে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করে হাত, পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। এছাড়া প্রিজাইডিং অফিসার প্রভাষক সেলিম, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার রুহুল ইসলাম নৌকার পক্ষে এলাকায় ভোট চাচ্ছেন বলেও অভিযোগে করে এ দুই প্রিজাইডিং অফিসারকে পরিবর্তনের দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া অতিঝুঁকি পূর্ণ ৩, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত পরিমানে অতিরিক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নিয়োগ দেয়ার জন্য দাবিও করেছেন ফকরুল হাসান বাবলু।

তিনি জানান সরকার দলীয় লোকদের হুমকিতে ঠিকমত প্রচারনা করতে পারছিনা। এইসব বিষয়ে শুক্রবার লিখিত অভিযোগ করেছেন। যার অনুলিপি কপি নির্বাচন কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, উপজেলা নির্বাচন ও রিটানিং অফিসার, বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর প্রেরণ করেছেন।

তিনি বলেন,অবাধ, সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে লিখিত অভিযোগ করেও ভালো কোন ফলাফল পাচ্ছেননা। যার কারণে ভোটারা ভোট কেন্দ্র আসতে ভয় পাচ্ছে। নিজেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

মেরাজুল ইসলাম বলেন, আমার সমর্থকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ সত্য নয়। ফকরুল হাসান বাবলু ১৭ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেননি। তিনি ভোট পাবেননা বলে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুজিবুল আলম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেটা ভিত্তিহীন। তবে যে প্রার্থীরা অভিযোগ দিতে আসছেন, তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তদন্ত করে প্রার্থীদের তাৎক্ষনিকভাবে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে।

উপরে