পবার ভাইস চেয়ারম্যান হলেন ওয়াজেদ ও আরজিয়া

পবার ভাইস চেয়ারম্যান হলেন ওয়াজেদ ও আরজিয়া

প্রকাশিত: ১৮-০৬-২০১৯, সময়: ২৩:৫১ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের দুই নেতা-নেত্রী। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ওয়াজেদ আলী খান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেত্রী আরজিয়া বেগম বিজয়ী হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সহকারি রিটানিং অফিসার ও পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ নেওয়াজ বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

জাহিদ নেওয়াজ জানান, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন পাঁচজন। এদের মধ্যে পবা উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি ওয়াজেদ আলী খান তালা প্রতীকে ১৬ হাজার ১৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুর রাজ্জাক বই প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪৯৯ ভোট। এছাড়াও রবিউল জামাল বাবলু উড়োজাহাজ প্রতীকে দুই হাজার ১৫৬, এএফএম আহাসান উদ্দিন মামুন মাইক প্রতীকে ছয় হাজার ২৮৮ ও আলমগীর হোসেন টিউবওয়েল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন তিন হাজার ২৬৬ ভোট।

তিনি জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন তিনজন। কলস প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী আরজিয়া বেগম। ফুটবল প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রীতা বিবি। এছাড়াও বেগম সুফিয়া হাসান হাঁস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫ হাজার ২১১ ভোট।

এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মুনসুর রহমান নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী এসএম আশরাফুল হক তোতা। হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছেন ছয় হাজার ৬১১ ভোট। এছাড়াও আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন সুমন ভোট পেয়েছেন ৮৪২।

জাহিদ নেওয়াজ বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ৭৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন করা হয়। এ উপজেলায় ২ লাখ ২৮ হাজার ১৩৭ জন ভোটার রয়েছে। ৭৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৮টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা দিতে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে চার প্লাটুন বিজিবি, দুই প্লাটুন র‌্যাব এবং প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে চারজন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন।

উপরে