অবশেষে পবার তফসিল ঘোষণা, ভোট ১৮ জুন

অবশেষে পবার তফসিল ঘোষণা, ভোট ১৮ জুন

প্রকাশিত: ১২-০৫-২০১৯, সময়: ২২:৪৪ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে পবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করা হয়েছে। রোববার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী পঞ্চম ধাপে ১৬টি উপজেলার সাথে পবা উপজেলা পরিষদের ভোট গ্রহন করা হবে আগামী ১৮ জুন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারীদের জন্য সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান পদে পনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ২১ মে। মনোনয়ন পত্র বাছাই হবে ২৩ মে এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩০ মে। ভোট গ্রহন করা হবে ১৮ জুন। পবা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিরদাহ মোসাম্মদ শাহনাজ বেগম তফসিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি সীমানা জটিলতার অভিযোগ এনে রিট করে রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিলম্ব করায় রিটকারীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই রিটের ওপর জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এ ছাড়া, ওই নির্বাচনের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশও তুলে নিয়েছেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো.খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাফর সাদিক। অন্যপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ।

মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০১৪ সালের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরের বছর উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু হলে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা ফজলুল বারীসহ নয়জন উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের মুরশইল ও কেচুয়াতৈল গ্রামের সীমানা নিয়ে জটিলতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করলে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে একই সীমানা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনো প্রকার আইনের আশ্রয় নেয়নি। কেবল তারা উপজেলা নির্বাচনে রিট করে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন আটকে রেখেছেন। চলতি বছরের শুরুতে ওই উপজেলার নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করলে হাইকোর্টের এক আদেশে নির্বাচন কমিশন তা স্থগিত করেন।

পরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনসুর রহমান রিটে পক্ষভুক্ত হয়ে নির্বাচনের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত স্থগিতাদেশ তুলে রুল খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে রিট করে নির্বাচনে বিলম্ব করায় আবেদনকারীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। আরো বলা হয় ওই উপজেলার নির্বাচন হতে কোনো বাধা নেই। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল এই উপজেলার তফসিল ঘোষনা করা হয়।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পবায় দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জামায়াতের নেতা মোকবুল হোসাইন। ওই নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান হন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আশরাফুল হক তোতা এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হন জামায়াতের খায়রুন নেছা।

২০১৫ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচিত চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা অধ্যাপক মোকবুল হোসাইন মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর কয়েকমাস পরে নির্বাচন কমিশন উপ-নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করেন। সীমানা জটিলতার ভূয়া তথ্য দিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্টে রিট করেন ফজলুল বারী। হাইকোর্টে রিট করায় ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার দুই দিন আগে উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।

২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গত ১০ মার্চ এখানে ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু আবারো পবার পারিলা ইউনিয়নের ডাংগীরপাড়া গ্রামের মৃত ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে ফজলুল বারী একটি রিট আবেদন করেন উচ্চ আদালতে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এক বছরের জন্য পবা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিতাদেশ দেন। চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি হলে নির্বাচন এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। আবারো আটকে যায় পবা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। বর্তমানে পবায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুন নেসা।

Leave a comment

আরও খবর

  • ‘এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তির’
  • পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু
  • পাবনায় লাইব্রেরিয়ানের বুকে ছুরিকাঘাত
  • ‘ধানের দাম নিয়ে খুবই চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী’
  • রাজশাহীতে ইউপি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে শিবির কর্মী
  • ভেজালের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সোচ্চার হওয়ার আহবান লিটনের
  • ‘মাদকের চেয়েও সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি মারাত্মক’
  • রাজশাহীতে জেএসসিতে বৃত্তি পেয়েছে ৭৪৩২ শিক্ষার্থী
  • ধানের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই : কৃষিমন্ত্রী
  • বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, নিহত ৬
  • ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি আটক
  • ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বাংলাদেশের
  • যে কারণে আত্মহত্যা করে মোহনপুরের স্কুলছাত্রী বর্ষা
  • রাজশাহী, চাঁপাই ও নওগাঁয় ঝড়-বৃষ্টিতে নিহত ৫
  • শেল বিস্ফোরণে ২ সেনা সদস্য নিহত



  • উপরে