ঐক্যফ্রন্টের ৩ প্রার্থীর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, ক্লিন ইমেজে মহাজোট প্রার্থী

ঐক্যফ্রন্টের ৩ প্রার্থীর দ্বিধাদ্বন্দ্ব, ক্লিন ইমেজে মহাজোট প্রার্থী

প্রকাশিত: ০৬-১২-২০১৮, সময়: ১৭:২৬ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাঁথিয়া : একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৬৮ পাবনা-১ সাাঁথিয়া-বেড়া (আংশিক) আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নে টিকে আছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সংবিধান প্রণেতা ড. অধ্যাপক আবু সাইয়্যিদ গণফোরাম, জামায়াতের সাবেক মন্ত্রী ও জামায়েতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিষ্টার নাজিবুর রহমান মোমেন স্বতন্ত্র, বেড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ডা. বাছেদ স্বতন্ত্র। তিন প্রার্থী নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে নেতাকর্মীরা।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী দুই বারের নির্বাচিত এমপি সাবেক স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. শামসুল হক টুকু। দলীয় একক প্রার্থী হওয়ায় তিনি রয়েছেন ফুরফুরে মেজাজে।

এপর্যন্ত ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষনা না হওয়ায় ভোটের মাঠে ঐক্যফ্রন্টের হয়ে কাউকে দেখা যাচ্ছে না। স্বতন্ত্র প্রাথী সাবেক জামায়াতের আমীর ও যুদ্ধাপরাধী মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে বারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও মোমেন দীর্ঘ দিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছিল। সর্বশেষ তিনি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে আসছেন বলে সংবাদ পাওয়া গেলেও নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মাঝে তাকে এখনও দেখা যায়নি ভোটের মাঠে। অপর জামায়েতের স্বতন্ত্র প্রার্থী বেড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ডা: আব্দুল বাছেদ মনোয়নপত্র জমা দিলেও ভোটের মাঠে তার কোন প্রকার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তবে তিনি তার ফেসবুক পেজে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমানের পক্ষে সমর্থন দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ডাঃ বাছেদ মনোনয়ন জমা দিলে সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের নেতা কর্মীরা দলীয় অফিসে তালা দিয়ে প্রতিবাদ করে। এ আসনটিকে তারা ব্যারিষ্টার মোমেনকে চায়।

ঐক্যফ্রন্টের হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও সংবিধান প্রণেতা ড. অধ্যাপক আবু সাইয়্যিদ গণফোরামের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন উপলক্ষে তিনি নির্বাচনী এলাকায় আসলেও নির্বাচনের মাঠে এখনও দেখা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাকায় পাবনার বিএনপির নেতারা গিয়ে অধ্যাপক আবু সাইয়্যিদকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবি দেখা গেলেও তার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি ও জামায়েতের নেতা কর্মীদের তার সাথে দেখা যায়নি।

সব মিলিয়ে এদের মধ্যে কে হবেন মুল নায়ক, কাকে নিয়ে নেতাকর্মীরা মাঠে খেলবে তা নিয়ে এখনো দ্বিধা কাটেনি। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুখছেন নেতাকর্মীরা।

সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কে,এম,মাহবুব মোর্শেদ জ্যোতি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়াকে মুক্ত করতে ড. কামাল ঐক্য করেছেন। তার দলের প্রার্থী অধ্যপক আবু সাইয়্যিদ ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করলে আমরা তার কাজ করব। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, জন্মলগ্ন থেকে বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী ছিলাম, জেল-জুলুম খেটেছি। বিএনপির প্রার্থী সালাউদ্দিনকে দেয়ায় দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সাঁথিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মওলানা মোখলেছুর রহমান বলেন, কেন্দীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কিছু করব না। কেন্দ থেকে যে আদেশ আসে আমরা তাই করব।

অপর দিকে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়েই সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তার নির্বানী এলাকা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতা কর্মীদের সাথে দেখা ও মত বিনিময় করছেন প্রতিনিয়ত। তিনি শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের কথা বলে জনগণের নিকট ভোট প্রার্থনা করতে নেতা কর্মীদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

জাতীয় পাটি, ওয়ার্কার্স পাটি, ন্যাশনাল পিপল্স, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই), গন সংহতি’র প্রার্থী থাকলেও তাদের মাঠে পদচারনা দেখা যাচ্ছে না।

আরও খবর

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন রুমিন
  • পঞ্চমধাপের উপজেলা ভোটে নৌকার প্রার্থী যারা
  • পবায় ভোটের হাওয়া
  • অবশেষে পবার তফসিল ঘোষণা, ভোট ১৮ জুন
  • শেষ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৬টিতে ইভিএমে ভোট
  • ১৮ জুন উপজেলায় শেষ ধাপের ভোট
  • ১৮ জুন ১৬ উপজেলায় ভোট
  • পবা উপজেলা নির্বাচনের বাধা কাটলো
  • মির্জা ফখরুলের আসনে উপ-নির্বাচন ঈদের পর
  • ময়মনসিংহ সিটিতে ভোট গ্রহণ চলছে
  • ময়মনসিংহে নামাজঘরে ভোটকেন্দ্র!
  • পুঠিয়ায় নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ
  • তানোর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসলেন ময়না
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলাল
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের তোড়জোড়



  • উপরে