পল্লীর সড়ক উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

পল্লীর সড়ক উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

প্রকাশিত: ০৮-১১-২০১৮, সময়: ১৬:৫১ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বাংলাদেশের পল্লী এলাকার সড়ক উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। এডিবির বোর্ড সভায় ঋণের এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংস্থার সদর দফতর ফিলিপাইনের ম্যানিলা থেকে বুধবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পল্লী সংযোগ উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্পে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এতে ব্যয় হবে ২৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এতে এডিবি নমনীয় ঋণ দিচ্ছে ১০ কোটি ডলার। নিয়মিত ঋণ হিসেবে আরও ১০ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। আর সরকারের তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে আট কোটি ৫৩ লাখ ডলার।

প্রকল্পের আওতায় ৩৪ জেলার এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে কাজ করা হবে। ফলে উন্নত হবে পল্লীর আরও ৪০ শতাংশ সড়ক। প্রায় পাঁচ কোটি ১৫ লাখ কৃষিনির্ভর মানুষ এর সুফল পাবে বলে ধারণা দিয়েছে এডিবি।

প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এডিবির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সিনিয়র বিশেষজ্ঞ লি মিং তাই বলেন, কৃষিখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশে পল্লী সড়ক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিখাতের হাত ধরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ আসলেও এ খাতে মোট শ্রমশক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এডিবির অর্থায়নে নেয়া প্রকল্পটি সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নেয়া পল্লী সড়ক উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। এর ফলে পল্লী অঞ্চলের মানুষের আয় বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নতিতে কৃষির অবদান বাড়াতে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ এখনো পল্লীতে বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই কৃষিতে নির্ভরশীল। পল্লীর নাজুক পরিবহন ব্যবস্থা, বাজারে অংশ নেয়ার পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় আর জলবায়ু পরিবর্তনের মতো কয়েকটি দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের কৃষিখাত পিছিয়ে আছে।

এডিবি আরও জানায়, সারা বছর সড়ক ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ। পল্লীর মাত্র ২৮ শতাংশ সড়ক বর্ষায় ব্যবহারের উপযুক্ত থাকে। ইউনিয়ন পর্যায়ের ৮৪ শতাংশ সড়ক এখনো কাঁচা। আর উপজেলা পর্যায়ে কাঁচা সড়কের হার ৩৩ শতাংশ। যাতায়াত অবকাঠামোর ত্রুটিতে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত গ্রামের মানুষ।

এ অবস্থায় ২০২৩ সালের মধ্যে গ্রামের ৮০ শতাংশ সড়ক সারা বছর ব্যবহারের যোগ্য করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে নেয়া প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সালের বন্য়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে প্রাধান্য দিয়ে জনসংখ্যার পরিমাণ, কৃষির সম্ভাবনা, কৃষি ফার্মের সংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় এলাকার সড়কগুলো সংস্কার করা হবে।

এডিবি জানায়, প্রকল্পের আওতায় কাজ করা সড়কে বিভিন্ন ট্রাফিক চিহ্ন, পাহারা চৌকি, স্পিড ব্রেকারের মতো নিরাপত্তামূলক উদ্যোগও থাকবে। কাজ শেষে পাঁচ বছর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের শর্তে এসব সড়ক নির্মাণ করা হবে।

আরও খবর

  • দেশে আরও ৫ ব্র্যান্ডের মোবাইল কারখানা
  • ফেলে দেয়া চুলে কোটি টাকার ব্যবসা
  • দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ ডলার
  • ৫০ কোটি টাকা নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা উধাও!
  • সোনামসজিদ বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
  • ব্যাংক কর্মকর্তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি অর্থমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে আরসিবিসির মামলা
  • ঢাকা-কলকাতা লঞ্চ সার্ভিস চালু ২৯ মার্চ
  • বিশ্ববাজার দখল করছে বাংলাদেশের সিরামিক
  • চেয়ারম্যান-এমডিদের ওপরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি
  • রাজশাহীতে রুপালী ব্যাংকের ভবন নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর
  • রাজশাহীর সাঁকোয়াটেক্সে নতুন মেশিনের উদ্বোধন
  • জয়পুরহাটের হাতে তৈরি আলুর চিপস্ যাচ্ছে দেশে-বিদেশে
  • নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য নিয়ে ১০০ টাকার নতুন নোট বাজারে
  • নদীর বালু রফতানির পরিকল্পনা



  • উপরে