৮০ কোটি টাকা প্রণোদনা পাবেন ৭ লাখ কৃষক

৮০ কোটি টাকা প্রণোদনা পাবেন ৭ লাখ কৃষক

প্রকাশিত: ০৭-১০-২০১৮, সময়: ১৮:৪০ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সারাদেশের ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা প্রণোদনা দেবে সরকার। ১১টি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে। রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

ফসলগুলো হচ্ছে গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ এবং পরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসিরুজ্জামান ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ঘোষিত এই প্রণোদনা কার্যক্রমের অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ থেকে সংকুলান করা হবে। এ জন্য সরকারের কোনও অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না। রবি মৌসুমে খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, শীতকালীন মুগ এবং পরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৬৪টি জেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ১ বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হবে।’
তিনি জানান, চীনাবাদামের ক্ষেত্রে ১০ হাজার ১০০, গ্রীষ্মকালীন তিলের ক্ষেত্রে ১৮ হাজার, গমের ক্ষেত্রে উপকারভোগী কৃষকের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৭০০, ভুট্টার ক্ষেত্রে ২ লাখ ২১ হাজার ৫০০, সরিষার ক্ষেত্রে ২ লাখ ১০ হাজার ২০০, গ্রীষ্মকালীন খেসারির ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৬০০, ফেলনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৪০০, বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে ২ হাজার ৭০, মুগের ক্ষেত্রে ৪৮ হাজার ৪০০, শীতকালীন মুগের ক্ষেত্রে ২৪ হাজার ৩০০ এবং বোরোতে উপকারভোগী কৃষকের সংখ্যা ৭১ হাজার ৭০০ জন।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, ধান, গম, ভুট্টা, গ্রীষ্মকালীন তিল, সরিষা ও বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। চীনাবাদাম, গ্রীষ্মকালীন মুগ, শীতকালীন মুগ, খেসারি, মাসকলাই ও ফেলনে প্রত্যেক কৃষক ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রণোদনা হিসেবে পাবেন বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

মতিয়া চৌধুরী জানান, ১ বিঘা জমির জন্য গমের ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক ২০ কেজি বীজ, ৫ কেজি ধান বীজ, চীনাবাদামের ক্ষেত্রে ১০ কেজি বীজ, গ্রীষ্মকালীন তিলের ক্ষেত্রে ১ কেজি বীজ, গ্রীষ্মকালীন মুগের ক্ষেত্রে ৫ কেজি বীজ, খেসারির ক্ষেত্রে ৮ কেজি বীজ, ফেলনের ক্ষেত্রে ৭ কেজি বীজ, বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে ২০ গ্রাম বীজ, ভুট্টার ক্ষেত্রে ২ কেজি বীজ ও সরিষার ক্ষেত্রে ১ কেজি বীজ দেওয়া হবে।

আরও খবর

  • রিফাত হত্যায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, জানতে চান হাইকোর্ট
  • ফেসবুকে ঘৃণার ঝড়
  • ‘কৃষকরা ৪% সুদে ঋণ পাবে’
  • নাটোরে কেরোসিনের চুলা বিস্ফোরনে তিন কলেজ ছাত্রী দগ্ধ
  • রিফাত হত্যা: কে এই নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী?
  • স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহত ১৬
  • নতুন ‘প্লাটফর্মে’ মুক্তি চাওয়া হবে খালেদা জিয়ার
  • ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
  • পুঠিয়ার দুই ইউপিতে আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা
  • ‘জীবন সংকটে’ এরশাদ
  • প্রশ্নফাঁসে ৭৮ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
  • সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী (ভিডিওসহ)
  • রাজশাহীতে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ দুইজন নিহত
  • রাবির সেই শিক্ষককে অব্যহতি
  • শিবগঞ্জে আম কুড়ানোর সময় বজ্রপাতে শ্রমিক নিহত



  • উপরে