ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে নারীকে হত্যায় তিনজন রিমান্ডে

ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে নারীকে হত্যায় তিনজন রিমান্ডে

প্রকাশিত: ২২-০৭-২০১৯, সময়: ১৬:৪৭ |
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : রাজধানীর বাড্ডায় গণপিটুনিতে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তিন যুবকের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আসামিরা হলেন- জাফর, শাহীন, বাপ্পী। সোমবার আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন আসামিদের আইনজীবীরা।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রোববার রাতে মোবাইল ফোনের ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। বাড্ডা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুলাই) সকালে উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে ওই নারীকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রেবাবার সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতালে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ভাগনে ও বোন রেহানা। তারা জানান, নিহতের নাম তাসলিমা বেগম রেনু। তার ১১ বছরের এক ছেলে ও চার বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। আড়াই বছর আগে স্বামী তসলিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছেলেমেয়েকে নিয়ে মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকায় একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি।

নিহতের ভাগনে নাসির উদ্দিন বলেন, রেনু মানসিক রোগে ভুগছিলেন। চার বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তিনি এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে ঘুরছিলেন। এ কারণেই হয়তো তিনি বাড্ডার ওই স্কুলটিতে যান।

এ ঘটনায় শনিবার বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নাসির উদ্দিন। মামলায় বলা হয়েছে, অতর্কিতভাবে ওই নারীকে স্কুলের অভিভাবক, উৎসুক জনতাসহ অনেকে গণপিটুনি দেয়। এতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৪০০-৫০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়িত।

একবার ভাবুন আজ তার ছোট বাচ্চাটাকে কে দেখবে ?😭 #এই_মহিলাতার_বাচ্চার_জন্য_স্কুলে গেছিলেন, #তার_কি_অন্যায়_ছিল? রাজধানির বাড্ডায় ছেলেধরা সন্ধেহে নিরপরাধ এই মহিলাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে,এরা কি মানুষ?বিচারের দাবি করছি,ভিডিও ফুটেজ দেখে অন্যায় কারিদের সনাক্ত করে কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কল্লা কাটা বলে যারা গুজব ছড়ায় তারাই এ জন্য দায়ী,তাদেরো শাস্তি হওয়া দরকার, কল্লা কাটা বলতে আসলে কিছু নাই,এগুলা গুজব,কিছু পাসন্ড মানুষ গলাকেটে মানুষ হত্যা করেছে তাই বলে সবাইকে এরকম ভাবা ঠিক না,যে লোকটা নেত্রকোনায় শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করছিলো আসলে সে কল্লাকাটা নয়,সে একজন মানুষিক রুগি ছিল নেসাগ্রস্থ,গুজব সুনে সুনে সে হত্যা করেছে,সে একই এলাকার বাসিন্দা ছিল। যাচাই করুন

Posted by অবুস ভালোবাসা on Sunday, July 21, 2019

উপরে