দুর্গাপুর থানার এসআইকে আদালতে তলব

দুর্গাপুর থানার এসআইকে আদালতে তলব

প্রকাশিত: ০৮-০২-২০১৯, সময়: ১৫:২০ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর দুর্গাপুরের এক ব্যক্তিকে আটক করে তার ভাইয়ের কাছে থেকে উৎকোচ নিয়ে পরে আবার ইয়াবা দিয়ে আটক ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগে আদালত দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজশাহীর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এই আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম মো. সুজন (৩৫)। তার বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বাজুখলসী গ্রামে। পুলিশ তাকে গত মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) তার বাড়ি থেকে আটক করে।

সুজনের ভাই সুমন শাহ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বলেছেন, তার ভাইকে মারধর না করা এবং মামলা না দেওয়ার শর্তে এসআই মাসুদ রানা তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন এবং পরে ১৩টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার দেখিয়ে সুজনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। আজ আদালতে এই এফিডেভিট দাখিল করে সুজনের আইনজীবী তাকে (সুজনকে)নির্দোষ দাবি করে তার জামিন প্রার্থনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি জানার জন্য এবং আসামির নিকট থেকে ইয়াবা না পাওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে কেন মামলা করা হয়েছে তা জানার জন্য দুর্গাপুর থানার এসআই মাসুদ রানাকে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে কেন তার বিরুদ্ধে আসামির ভাই সমুন শাহর নিকট থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি আসামির জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

তবে এসআই মাসুদ রানা তার বিরুদ্ধে আনা এফিডেভিটের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সুজন একজন প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও সে পুলিশের অভিযানের সময় পালিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, অনেক মানুষের সামনেই তাকে ধরা হয়েছে। পুলিশ দেখে সে পালিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করেই ইয়াবা পাওয়া যায় বলে তিনি দাবি করেন।

উপরে