রাবির সোহরাওয়ার্দী হলের পুকুরপারে ফাটল

রাবির সোহরাওয়ার্দী হলের পুকুরপারে ফাটল

প্রকাশিত: ১০-১২-২০১৯, সময়: ১৭:৩২ |
Share This

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের পুকুর পারে ফাটল ধরে ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। গত ৪ দিন আগে এ ধরনের ফাটল দেখা যায় বলে জানিয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এতে হল সংলগ্ন পুকুরের পারটি স্থায়ীভাবে ধ্বসে যাবার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ভবন সূত্রে জানা যায়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের পুকুরটি ‘সাত পুকুর গবেষণা প্রকল্পের’ আওতায় ছিল। এই প্রকল্পের বাজেট ধরা হয়েছিল ৮০ লক্ষ টাকা। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সোহরাওয়ার্দী হলের পুকুরেরর স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য সেরকম কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এই পুকুরটির পাড়গুলো অনেক আগেই আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট এ বিষয়ে অবগত থাকার পরও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

হলের আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, ৮০ লক্ষ টাকা (প্রায়) বাজেট কিন্তু পাঁচ হাজার টাকার কাজও হয়নি। বরং সাত পুকুর গবেষণার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পুকুরে মাছ করছে, সেই সুবিধা শুধুমাত্র প্রশাসন নিচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাছ যদি কখনো ধরে তাহলে তার ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, পুকুরের পারগুলো অনেক আগেই আক্রান্ত হয়েছিল। পুকুরে আশপাশের ৪/৫টি হলের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করেন। পুকুরের পাড় রক্ষায় প্রাধ্যক্ষ স্যার আশ্বাস দিলেও এখনও কোন ব্যবস্থা নেননি। পুকুরটি বিশ^বিদ্যালয়ের ‘সাত পুকুর গবেষণা প্রকল্পের’ আওতায় ছিল। এই প্রকল্পের আওতায় থেকেও পুকুরের সেরকম উন্নয়নমূলক কোন কাজ হয়নি।

জানতে চাইলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম বলেন, পুকুরের পাড়ে ফাটল ধরার ব্যাপারে আমি অবগত আছি। সেজন্য ইতিমধ্যে পুকুরের লিজ বাতিল করা হয়েছে এবং কার্প জাতীয় মাছ চাষ বন্ধ করা হয়েছে। আমরা প্রায় এক বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়কে এ বিষয়ে অবগত করেছি। আশা করি তারা শিগগিরি ব্যবস্থা নেবেন।

সার্বিক বিষয়ে ‘সাত পুকুর গবেষনা’ প্রকল্পের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো.জাকারিয়া সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে একাধিকবার ফোন ও বার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

উপরে