রাবিতে 'শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক আলোচনা সভা

রাবিতে ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভা

প্রকাশিত: ১৮-০৯-২০১৯, সময়: ১৬:২৮ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাবি : ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ শীর্ষক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মেহজাবিন কথার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র আহবায়ক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন অসাম্প্রদায়িক মানব ছিলেন। যার ফলেই তার ডাকে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে দেশের সকল পর্যায়ের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। তিনি জাতির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন বলেই তাকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলা হয়। অতীতে ও বর্তমানে আর কোনো ব্যক্তি তার এই শ্রেষ্ঠত্বকে ভাঙতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবেনা।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশকে সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে চেয়েছেন কিন্তু দেশের কিছু কুলাঙ্গার বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে দেয় নি। আর বাংলাদেশে সম্প্রীতি না থাকলে দেশে ধর্ম রাজনীতি, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি বিরাজমান থাকবে। তাই সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা লালন করে তাদের নিয়েই আমরা সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এছাড়াও যারা মাটির কাছাকাছি রয়েছে তাদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করলে এ দেশে সম্প্রীতি ফিরে আসবেই। যারা সত্যের আলো পান করে না, কিন্তু ধর্মের নামে অ্যালকোহল পান করে তাদের চিনতে হবে। ধর্ম নিরপেক্ষতা কোনো বিরোধের জায়গা নই। সবাই সবার ধর্মানুযায়ী চলবে কিন্তু দেশ গড়তে ও দেশে সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে এবং দেশের জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, খুন, রাহাজানি ও ধর্ষণ রোধে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সংস্কৃতি ও তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া।

উপরে