সাত পুকুর গবেষণা প্রকল্পে বাড়ছে রাবির সৌন্দর্য্য

সাত পুকুর গবেষণা প্রকল্পে বাড়ছে রাবির সৌন্দর্য্য

প্রকাশিত: ১৭-০৯-২০১৯, সময়: ১৫:১১ |
Share This

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘সাত পুকুর গবেষণা প্রকল্পের‘ মাধ্যমে নতুন মাত্রা পাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য্য। প্রায় ৮০ লাখ টাকা আগামী তিন বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য্যে এসেছে পরিবর্তন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্পের সার্বিক তত্বাবধনে ও ফিশারিজ বিভাগের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা হল পুকুর, হবিবুর রহমান হল পুকুর, মন্নুজান হল সংলগ্ন পুকুর, সায়েন্স ওয়ার্কসপ পুকুর, মেডিকেল সেন্টারের সামনের পুকুর, শহীদ হবিবুর রহমান হলের পশ্চিমের পুকুর, রোকেয়া হলের উত্তর-পূর্বের কচিয়া পুকুর ও পদ্ম পুকুর সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এই পুকুর সমূহের সংস্কারের মধ্যে রয়েছে পুকুরের পাড় ও ঘাট নির্মাণ, সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ফুল গাছসহ অন্যান্য মানানসই গাছ লাগানো, বসার জায়গা নির্মাণ, ঘাস লাগানো, পুকুরের পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন র্নিমাণ ও বিভিন্ন আলোক সজ্জ্বার বাতি লাগানো। পাশাপাশি রাস্তাগুলোর দুপাশ পরিষ্কার করে ঘাস ও বাহারী গাছ লাগানো হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আগে পুকুরগুলোতে গোসল করা তো দূরে থাক, পাড়ে বসাই যেত না। সংস্কারের পর জায়গাগুলো পরিচ্ছন্ন ও ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সন্ধ্যের পর রঙ্গীন বাতির আলোয় সৌন্দর্য্যে নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি প্রকল্পের নিজস্ব অর্থানয়নে পুকুরগুলো সংস্কার, সৌন্দর্য বর্ধন, পোনা ছাড়া ও সংরক্ষণের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪২ টাকা। প্রকৌশল দফতর এই কাজে সকল কারিগরী সহযোগিতা দেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ওই সব পুকুরে মাছ ধরা, গবাধিপশু গোসল করানো, কাপড় ধোয়া বা সামগ্রিক পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

গবেষণা প্রকল্পের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া বলেন, বিশ^বিদ্যালয় শুধু উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণারই আগার নয়, সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমিও বটে। সেই তাগিদ থেকে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও পুকুর সংরক্ষণ করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উপরে