রাবির ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক ও শ্রেণীকক্ষ সংকট

রাবির ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক ও শ্রেণীকক্ষ সংকট

প্রকাশিত: ০৮-০৯-২০১৯, সময়: ১৭:০১ |
Share This

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান (পিইএসএসসি) বিভাগ চালু হয়েছে ২০১৫ সালে। প্রতিষ্ঠার প্রায় চার বছরেও বিভাগে কোনো শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ধার করা শিক্ষক নিয়েই বছরের পর বছর চলছে বিভাগটির শ্রেণী কার্যক্রম। শিক্ষক ছাড়াও বিভাগে নেই পর্যাপ্ত শ্রেণীকক্ষ, গ্রন্থাগার ও কম্পিউটার ল্যাব। একে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইউজিসির অনুমোদন নিয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগটি খোলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামের দুইটি কক্ষ শ্রেণীকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করে যাত্রা শুরু করে বিভাগটি। বিভাগের চারটি ব্যাচের বর্তমান শিক্ষার্থী প্রায় ১২০জন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় সঠিক নির্দেশনাও অনেক সময় পান না তারা। খেলার মাঠের পাশে শ্রেণী কক্ষের কারণে সবসময় একটি কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ থাকে। এতে করে আমাদের পড়ালেখায় মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ ও শ্রেণিকক্ষসহ অন্য সুবিধা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনেট সদস্য ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষক বলেন, ধার করা শিক্ষক নিয়ে বিভাগ চলতে পারে না। উদ্যোগ নিয়েও এখন পর্যন্ত শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সংকট কাটিয়ে উঠতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এসব বিষয়ে রাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষক, অবকাঠামো, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে বিভাগ খোলা দরকার। পরিকল্পনা না করে বিভাগ খুললে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। তাই অবশ্যই এসব বিভাগে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ ও শ্রেণীকক্ষ সংকট দূর করতে হবে।

জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান বলেন, বিভাগ সংক্রান্ত কিছু জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকে আছে। এ কারণে অন্য বিভাগের শিক্ষক দিয়েই শ্রেণী কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ খুব শীঘ্রই সম্ভাব্য শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। এছাড়াও ভবনগুলোর চলমান বর্ধিতকরণের কাজ শেষ হলেই বিভাগের শ্রেণীকক্ষ সংকট থাকবে না।

Leave a comment

উপরে