মান্দায় পুলিশকে মারপিট করে আসামি ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

মান্দায় পুলিশকে মারপিট করে আসামি ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশিত: ১৮-০৯-২০১৯, সময়: ১৫:৩৮ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, মান্দা : নওগাঁর মান্দায় পুলিশকে মারপিট করে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি আসিফ হোসেন সজলকে (৩০) ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের পীরপালি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাতভর অভিযান চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এরা হলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোঁচড়া গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে ইমদাদুল হক (২৮), মানিকের ছেলে বাচ্চু (৩০) ও আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির হোসেন (২০) এবং নলঘৈর গ্রামের মিঠানু প্রামানিকের ছেলে মোস্তফা প্রামানিক (৪০)।

পুলিশ সুত্র জানায়, পলাতক সজল নওগাঁর সদর থানায় দায়েরকৃত হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামি। গ্রেপ্তার এড়াতে বেশ কিছুদিন ধরে সে মান্দা সদর ইউনিয়নের কোঁচড়া গ্রামে আত্মগোপনে ছিল। তার বাবা মোজাম্মেল হক নওগাঁ মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। নওগাঁ সদর থানার চকমুক্তার মহল্লায় তারা সপরিবারে বসবাস করেন। একই মহল্লার মোনায়েম হোসেন খান নামে একব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ৩০ জুলাই নওগাঁ সদর মডেল থানায় সজলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সে পলাতক ছিল।

স্থানীয়রা জানান, মান্দা থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হোসেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পীরপালি বাজারের লেবু নামে একব্যক্তির চায়ের দোকানে থেকে সজলকে (৩০) গ্রেপ্তারের হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় সজলের সহযোগীরা উপপরিদর্শক নাজমুল হোসেনের পথরোধ করে তাকে লাঞ্ছিতসহ সজলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, নওগাঁ সদর থানার প্রেরিত বার্তায় সজলকে গ্রেপ্তারের জন্য মান্দা থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সজলকে প্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পীরপালি বাজারে অভিযান দেন নাজমুল হোসেন। আসামিকে হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে আসার সময় পুলিশকে লাঞ্ছিত করে সজলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সহযোগীরা।

ওসি আরও জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে লাঞ্ছিত ও আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় এসআই নাজমুল হক বাদি হয়ে সজলসহ ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৯-১০ জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

Leave a comment

উপরে