তাড়াশে কৃষি শুমারিতে লোক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

তাড়াশে কৃষি শুমারিতে লোক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: 12-06-2019, সময়: 16:00 |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষি শুমারিতে লোক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চুড়ান্ত তালিকাকে আড়াল করে স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষি শুমারি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালায় থেকে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে শিক্ষিত ও যোগ্য লোক নিয়োগে জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়। সেই মোতাবেক আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করে। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি চুড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন স্বজনপ্রীতি করেন এবং অর্থের বিনিময়ে চুড়ান্ত তালিকাকে আড়াল করে ভূঁয়া তালিকা তৈরি করে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিটি গ্রামে ২জন করে গণনাকারী নেওয়া বিধান থাকলেও ওই কর্মকর্তা দেশীগ্রাম ইউনিয়ন থেকে ৮জন, মাকরশোন ও কামারশোন গ্রাম থেকে ৩২ জনসহ ২১০ জন গণনাকারী নিয়োগ দেয়। চুড়ান্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থী অভিযোগকারীরা পরিসংখ্যান কার্যালয়ে জানতে গেলে তাদের অশ্লিল ভাষায় গালি-গালাজ দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেয়।

পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত আসন্ন ন্যাশনাল হাউজহোন্ড ডাটাবেইজ শুমারি ২০১৯ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১০ জুন থেকে তাড়াশ উপজেলার খানা তথ্যভান্ডার শুমারির জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে খানা ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করার জন্য সুপারভাইজার পদে ২১ জন, গণনাকারী পদে ২১০ জন, জোনাল পদে ৩ জন অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অশ্লিল ভাষায় গালাগালি ও অর্থ লেনদেন বিষয় অস্বীকার করে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, এমপিমহদ্বয়ের সুপারিশে তার নিজ গ্রাম ও অন্যান্য এলাকা থেকে কিছু লোক নিয়োগ করা হয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি অতি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমপিমহদ্বয় সুপারিশ করেছেন কিনা বিষয়টি জানার জন্য সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আব্দুল আজিজ এমপিকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপরে