অফিসে কাজ না থাকলেও সরকারী টাকা যাচ্ছে বেতনে

অফিসে কাজ না থাকলেও সরকারী টাকা যাচ্ছে বেতনে

প্রকাশিত: ০৪-০৫-২০১৯, সময়: ১৩:৪৮ |
Share This

ডি এম কপোত নবী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : প্রায় এক যুগের অধিককাল ধরে তালা বন্ধ থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিগ্রাম অফিসের প্রায় কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হতে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশাল ভবন ও তার মধ্যে থাকা নানান ধরনের আসবাব পত্র ও কাগজ পত্র রয়েছে। ভবনের মধ্যে লেগেগেছে উই পোকা। ফলে আসবাব পত্র নষ্ট হওয়া সহ কাগজ পত্রেও উই পোকার আক্রমন হয়েছে। অনেক আগেই টরে টক্কা মেশিনটি উঠিয়ে নিয়ে গেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি টেলিগ্রাম রিসিভ করার টেলিপ্রিস্টার যন্ত্রটিও একটি আলমারীর মধ্যে ভরে রাখার ফলে নষ্ট হয়ে গেছে। এই অফিসের প্রধান কর্মকর্তা অনেক আগেই রিটারমেন্টে চলে গেছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একজন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী। তাকে এখন ডেপুটেশানে টেলিফোন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে পুরো অফিস এখন রাতদিন তালাবব্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ডেপুটেশানে থাকা কর্মচারীর বেতন ভাতা বহন করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। একই অবস্থার মধ্যে রয়েছে উপজেলার ৫টি আরও অতিরিক্ত অফিস। প্রতিটি অফিসের কর্মকর্তা রিটারমেন্টে চলে যাবার ফলে দ্বিতীয় ব্যক্তি এটাচ হয়ে বা ডেপুটেশানে রয়েছে টেলিফোন অফিসে। এইসব উপঝেলার টেলিগ্রাম ভবনেও যুগের পর যুগ তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমলে পরিবর্তন আসায় ও টেলিগ্রাম অবস্থা উঠে যাবার কারনে এইসব অফিসের এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখব সব কিছু চলছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ৫ কাঠা জমির উপর টেলিফোন চত্বরে ভবনটির অবস্থান। কয়েকটি রুম রয়েছে এই ভবনে। আছে ফার্নিচার ও জনগনের জন্য নির্মান করা বড় ধরনের কাউন্টার। অনরুপভাবে ৫ উপজেলায় একই অবস্থা। শুধু বসে বসে কাজ ছাড়াই বেতন গুনছে কর্মচারীরা। এটা এক ধরনের সরকারী অপচয়। সরকার বাধ্য হয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন এদের বেতন ভাতা।

বর্তমানে পোষ্ট অফিসেও আয় কমে গিয়েছিল। তাই পোষ্ট-ই-সেন্টার চালু করার লক্ষ্যে প্রতিটি পোষ্ট অফিসকে তিনটি ল্যাপটব, দুটি প্রিন্টার, একটি মডেম ও একটি স্ক্যানার দেয়া হয়েছে। আরও অনেক কিছু দেবার প্রক্রিয়া রয়েছে। ইতোমধ্যেই টাকা লেনদেনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পোষ্ট-ই-সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের দূরত্ব কমাতে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করেছে।

একই লক্ষ্য নিয়ে টেলিগ্রাম অফিস সমূহে এই ব্যবস্থা চালু করলে জনগন দারুনভাবে উপকৃত হবে। টেলিফোন ব্যবস্থা ও মোবাইল থাকলে আত্মীয় স্বজনদের সাথে পূর্বের মতো কথাপকথনের সুবিধা ফিরে পেতো। একই সাথে পোষ্টাল ক্যাশকাউ-ইএসটিএস ও মোবাইল ব্যাংক দিলে পূর্বের মতো সরোব হয়ে উঠতো। গ্রামের ও শহরে থাকা মানুষ আবার ছুটে আসতো পুরাতন টেলিগাম অফিসে। তারা দেশে ও বিদেশে কথাবলতে পারতো। পোষ্ট অফিসে নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া আছে। তারপরে ছুটি। কিন্তু টেলিগ্রাম অফিসে ২৪ ঘন্টা খোলা থাকার কারনে এইসব সুবিধা মানুষ ভোগ করতে পরতো।

Leave a comment

আরও খবর

  • গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পেলেন ধামইরহাটের নিকাহ রেজিষ্ট্রার মশিউর রহমান
  • শিবগঞ্জে পাগলা নদীর খনন কাজের উদ্বোধন
  • আত্রাইয়ে শাহাগোলা ইউপি‘র উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা
  • শিবগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ১
  • ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
  • সাপাহারে গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট ঘোষণা
  • মেঘনায় তলা ফেটে লঞ্চ বিকল, ২৫০ যাত্রী উদ্ধার
  • বন্দুকযুদ্ধে যুবক নিহত, পুলিশের দাবি মাদক ব্যবসায়ী
  • স্বামীর নির্যাতনে মৃত্যুশয্যায় গৃহবধূ
  • ধর্ষককে সহযোগিতায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
  • নাটোরে জেলা প্রশাসকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চাল মিল মালিকদের মামলা
  • ধামইরহাটে সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান সংগ্রহ শুরু
  • নাটোরে ১০৪০ টাকা দরে ধান কিনলেন জেলা প্রশাসক
  • নাটোরে জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপির স্মারকলিপি
  • আত্রাইয়ে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন



  • উপরে